স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারীতে ব্যানার ফেস্টুন.হামলা ভাংচুরের প্রতিবাদে বিএনপি-জামায়াত এক অপরকে দায়ী করে পাল্টাপাল্টি কর্মসুচি ও সংবাদ সম্মেলন করেছে। বুধবার সকালে প্রেসক্লাবে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক অ্যাডভোকেট হাসিবুর রহমান, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন,সাধারন সম্পাদক ইউসুফ ভূইয়াসহ আরো অনেকেই। এর আগের দিন সকালে একই স্থানে সংবাদ সম্মেলন করা হয়। সেখানে বিএনপিকে দায়ী করে জামায়াত ইসলামী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা জামায়াতের সেক্রেটারী এআর হাপিজ উল্যাহ, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাও.নুর মোহাম্মদ রাসেল, সেক্রেটারী অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম সুমনসহ আরো অনেকেই। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ব্যানারে মান্দারী বাজারে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে মিছিলটি লক্ষ্মীপুর-ঢাকা মহাসড়ক ও মান্দারী বাজার সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন বলেন, ১৭ বছর জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা কী ছিল জনগণ তা জানে। ১৯৮৬ সালে জাতীয় বেঈমান হিসেবে আখ্যায়িত করে এরশাদকে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করেছে। আপনারা তলে তলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আঁতাত করেছেন। সেই ধরনের কর্মকাণ্ড আমরা দেখতে পারছি। ভুল বোঝাবুঝি হতেই পারে। আমরা আলোচনায় বসতে চেয়েছি, কিন্তু আপনার না বসে, হুমকি দিচ্ছেন, অহমিকা দেখাচ্ছেন। হুঙ্কার দিয়ে, অহমিকা দিয়ে, আজেবাজে লেখালেখি করে ধুম্রজাল সৃষ্টি করবেন না। বিএনপি এখন অনেক সজাগ, সচেতন এবং স্বয়ংসম্পূর্ণ দল। ধৈর্য ধরার শক্তি আমাদের আছে। আপনারা এই ধৈর্যকে দুর্বলতা মনে করবেন না। আক্তার মেম্বারকে মারধরসহ আমাদের যে পোস্টার-ব্যানার ছেঁড়া হয়েছে তার প্রতিবাদ জানাই।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক এম ইউছুফ ভূঁইয়া, চন্দ্রগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন বাচ্চু, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মান্নান লিটন, মান্দারী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শাহাদাত হোসেন বাবলু ও সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মাহমুদ।
ঘটনার পরেরদিন সকালে মান্দারী বাজারে মান্দারীতে জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের ওপর হামলা, ব্যানার ফেস্টুন. দোকানে হামলা ভাংচুরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করে জামায়াত-শিবির।
মেঘনার তীর 



















