স্টাফ রিপোর্টার: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় গাঁজা সেবনে বাঁধা দেওয়ায় দশম শ্রেণির এক স্কুল ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা করেছে করা হয়েছে। এ ঘটনায় গাঁজা সেবনকালীদের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে উপজেলার দেবিসিংহপুর গ্রামে অঅঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন।
নিহত আরাফাত হোসেন ফাহিম (১৫) বেগমগঞ্জ উপজেলার হাজীপুর গ্রামের মো. শাহজাহান সাজুর ছেলে এবং পৌর হাজীপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ১০ম শ্রেণির ছাত্র। সে সেনবাগে নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিল। এ সময়গাঁজাসেনকারী ও তাদেরকে বাঁধাদানকারী দু’পক্ষের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের তিনজন আহত হয়েছে। আহতদের ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মোঃ আরিফ হোসেন জানান, আঞ্জু মিয়াজী বাড়ি নিহত আরাফাত হোসেন ফাহিমের নানার বাড়ি। ওই বাড়ির উঠন ও চলাচলের পথ ব্যবহার করে দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসা করে আসছেন একই এলাকার জয়নাল আবদীনের ছেলে হারুন মিয়া ও তার লোকজন। বুধবার সন্ধ্যায় হারুন ও তার লোকজন ওই বাড়ির পাশে গাঁজা সেবন করছিল। এ সময় বাড়ির লোকজন তাদেরকে ধাওয়া দিলে তারা প্রথমে পালিয়ে যায়। পরে রাত আনুমানিক সাড়ে ৯টার দিকে মাদক ব্যবসায়ী হারুন, মমিন ও জাহাঙ্গীরের নেতৃত্বে আঞ্জু মিয়াজী বাড়িতে অতর্কিতে হামলা চালানো হয়। এক পর্যায়ে বাড়ির লোকজনও তাদেরকে প্রতিহত করার চেষ্টা করেন। এ সময় অন্ধকারে মাদক ব্যবসায়ীদের ছুরিকাঘাতে ফাহিম, শাকিব(২১), রিফাত(২৩) এবং মাদক ব্যবসায়ী হারুন(২৬) আহত হন। এর মধ্যে ফাহিম, শাকিব ও রিফাতকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিলে চিকিৎসক ফাহিমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে হারুনকে আহত অবস্থায় গ্রেপ্তার করে।
মেঘনার তীর 



















