ঢাকা ১০:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিলো আইনজীবী ফোরাম বাগেরহাটের আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যারা ইনসাফের কথা বলে,তাদের অপকর্মের শেষ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি ১ লাখ টাকার অনুদান তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সবুজ-হলুদ রঙে ব্রাজিলের পতাকায় শিক্ষকের বাড়ী, মানুষের ভীড়

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০১:০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • 29

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:শিমুল কান্তি দাস (৩৮)। তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগন্জ উপজেলার দক্ষিণ জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একজন সহকারি শিক্ষক। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তাঁর প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি সমর্থনে নিজের বাড়িকে ‘ছোট্ট ব্রাজিল’ হিসেবে সাজিয়েছেন।

সবুজে-হলুদের রঙে রাঙানো একতলা ভবন। পুরো দেয়ালজুড়ে সাজানো ব্রাজিলের জাতীয় পতাকা। সঙ্গে ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি পেলে, রোনালদোসহ বর্তমান তারকা নেইমার ও ভিনির ছবিও। ভবনের ছাদে উড়ছে ব্রাজিলের পতাকা। দূর থেকে দেখলে এটিকে ক্রীড়া ক্লাব ভেবে ভুলতে করতে পারেন অনেকেই। এটি শিক্ষক শিমুল কান্তির বাড়ি।

রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ আঙ্গারপাড়া এলাকার বড় দাস এলাকায় বাড়িটির অবস্থান। বাড়িটির মালিক শিমুল কান্তি দাস (৩৭)। তিনি দক্ষিণ জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তাঁর প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি সমর্থন থেকেই নিজের বাড়িকে ‘ছোট্ট ব্রাজিল’ হিসেবে সাজিয়েছেন।

রামগন্জ উপজেলা পরিষদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও ধারণ করছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

শিমুল কান্তি দাস বলেন, ‘কিশোর বয়স থেকেই আমি ব্রাজিল দলের সমর্থক। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিলের হার আমাকে খুব কষ্ট দেয়। সেইবার আমি কেঁদেছিলাম। সেই হারই হয়তো দলটির প্রতি আমার ভালোবাসাকে আরও গভীর করেছে। এরপর ২০০২ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জয়ের পর সেই আবেগ অন্য মাত্রা পায়। আজও সেই ভালোবাসা অটুট রয়েছে।’

রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও ধারণ করছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

শিমুল কান্তি দাস জানান, বিশ্বকাপ এলেই প্রিয় দল ব্রাজিলকে ঘিরে তাঁর আলাদা উচ্ছ্বাস কাজ করে। সেই অনুভূতি থেকেই বাড়িটিকে ব্রাজিলের রঙে সাজানোর পরিকল্পনা করি। বাড়ি দেখলেই যেন সবাই বুঝতে পারে আমি ব্রাজিলের সমর্থক। খেলোয়াড়দের ছবি সংযোজন, দেয়ালে নকশা আঁকা, রং করাসহ পুরো কাজে তাঁর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর চার দিন আগে সাজসজ্জার কাজ শেষ করেছেন। টুর্নামেন্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িটি এভাবেই থাকবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

সবুজ-হলুদ রঙে ব্রাজিলের পতাকায় শিক্ষকের বাড়ী, মানুষের ভীড়

আডেট সময় ০১:০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি:শিমুল কান্তি দাস (৩৮)। তিনি লক্ষ্মীপুরের রামগন্জ উপজেলার দক্ষিণ জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় একজন সহকারি শিক্ষক। এবারের বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তাঁর প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি সমর্থনে নিজের বাড়িকে ‘ছোট্ট ব্রাজিল’ হিসেবে সাজিয়েছেন।

সবুজে-হলুদের রঙে রাঙানো একতলা ভবন। পুরো দেয়ালজুড়ে সাজানো ব্রাজিলের জাতীয় পতাকা। সঙ্গে ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি পেলে, রোনালদোসহ বর্তমান তারকা নেইমার ও ভিনির ছবিও। ভবনের ছাদে উড়ছে ব্রাজিলের পতাকা। দূর থেকে দেখলে এটিকে ক্রীড়া ক্লাব ভেবে ভুলতে করতে পারেন অনেকেই। এটি শিক্ষক শিমুল কান্তির বাড়ি।

রামগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ আঙ্গারপাড়া এলাকার বড় দাস এলাকায় বাড়িটির অবস্থান। বাড়িটির মালিক শিমুল কান্তি দাস (৩৭)। তিনি দক্ষিণ জগতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক। বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া তাঁর প্রিয় দল ব্রাজিলের প্রতি সমর্থন থেকেই নিজের বাড়িকে ‘ছোট্ট ব্রাজিল’ হিসেবে সাজিয়েছেন।

রামগন্জ উপজেলা পরিষদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও ধারণ করছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

শিমুল কান্তি দাস বলেন, ‘কিশোর বয়স থেকেই আমি ব্রাজিল দলের সমর্থক। বিশেষ করে ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ব্রাজিলের হার আমাকে খুব কষ্ট দেয়। সেইবার আমি কেঁদেছিলাম। সেই হারই হয়তো দলটির প্রতি আমার ভালোবাসাকে আরও গভীর করেছে। এরপর ২০০২ সালে ব্রাজিল বিশ্বকাপ জয়ের পর সেই আবেগ অন্য মাত্রা পায়। আজও সেই ভালোবাসা অটুট রয়েছে।’

রামগঞ্জ উপজেলা পরিষদসংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ আসছেন। কেউ ছবি তুলছেন, কেউ ভিডিও ধারণ করছেন। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেসব ছবি ও ভিডিও শেয়ার করছেন।

শিমুল কান্তি দাস জানান, বিশ্বকাপ এলেই প্রিয় দল ব্রাজিলকে ঘিরে তাঁর আলাদা উচ্ছ্বাস কাজ করে। সেই অনুভূতি থেকেই বাড়িটিকে ব্রাজিলের রঙে সাজানোর পরিকল্পনা করি। বাড়ি দেখলেই যেন সবাই বুঝতে পারে আমি ব্রাজিলের সমর্থক। খেলোয়াড়দের ছবি সংযোজন, দেয়ালে নকশা আঁকা, রং করাসহ পুরো কাজে তাঁর ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর চার দিন আগে সাজসজ্জার কাজ শেষ করেছেন। টুর্নামেন্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাড়িটি এভাবেই থাকবে।