স্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে আলোচিত শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান (১৪) হত্যা মামলায় শিক্ষক শরীফুল ইসলাম ও শিক্ষার্থী সাজিদুল ইসলাম মজুমদারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভোররাতে রামগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল-হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে ঘটনার পর থেকে জড়িতদের গ্রেফতার,বিচারের দাবীতে সড়ক অবরোধ,থানা ঘেরাওসহ আজ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসুচি পালন করে আসছে নিহত শিক্ষার্থীর সহপাঠিসহ স্থানীয়রা। এটি এখনও অব্যাহত রয়েছে।
সোমবার (২২ জুন ২০২৬) দুপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, একজন শিক্ষক ও এক ছাত্রকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থে তাদের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি এবং জড়িত অন্যান্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে, গত ১৬ জুন বিকেলে ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির আবাসিক হল থেকে অষ্টম শ্রেণির ছাত্র মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তার শরীরে, বিশেষ করে পিঠ ও গলায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং বিক্ষুব্ধ জনতা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ফটকসহ কয়েকটি কক্ষে ভাঙচুর চালায়।
নিহত মেহেদী রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজার এলাকার ব্যবসায়ী জিয়া উদ্দিনের ছেলে। এ ঘটনায় ১৮ জুন তার বাবা জিয়া উদ্দিন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নান ও ৭ জন শিক্ষার্থীর নাম উল্লেখ করা হয় এবং অজ্ঞাত আরও ১০ জনকে আসামি করা হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, একটি আইফোন চুরিকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের মারধরের ঘটনায় মেহেদীর মৃত্যু হতে পারে। ঘটনার পর প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ খন্দকার আব্দুল মান্নানকে অপসারণ করে জ্যেষ্ঠ প্রভাষক শরীফুল ইসলামকে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব দেওয়া হয়।
মেঘনার তীর 



















