ঢাকা ০৬:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীপুর ক্লাব লিমিটেডের তিন যুগ পুর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও গুণীজন সন্মাননা নেতৃত্বের কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে গিয়েছি: পানিসম্পদ মন্ত্রী জিয়াউর রহমানের মতো সৎ ব্যক্তি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর সৃষ্টি হয়নি: জেলা যুবদল সভাপতি ২০২৭ সালে ৩১ কোটি নতুন বই বিতরণ ও ইতিহাস বিকৃতি রোধের ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী মেয়েটি নিজেই এমপি গাজী নজরুলকে সেবা করতে চেয়েছিল: দাবি জামায়াতের এমপির কার্ডের খেলা না খেলে মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করুণ: নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার রায়পুরে খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬৫ লাখ টাকা ফেরত

কমলনগরে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৫:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • 191

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহেরা খাতুনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, কমলনগরে মোট আনসার সদস্যের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ জন। এর মধ্যে সরকারের ভাতাভুক্ত আনসার সদস্যের সংখ্যা ৩৮ জন। উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রিত একটি সিন্ডিকেট চক্র রয়েছে। ওই  সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ভিডিপি সদস্যরা। আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহেরা খাতুন এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই তিনি অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন। সদস্যদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিতে উৎকোচ গ্রহণ করা, ভুয়া নামের তালিকা তৈরি করে ভাতা আত্মসাৎ করা, নির্বাচনের সময়ে কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য আনসার নিয়োগে অবৈধ সুবিধা নেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে তার বিরুদ্ধে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের কমলনগর উপজেলার ৫৫ টি ভোট কেন্দ্রে ১৩ জন করে মোট ৭১৫ জন সদস্য নিয়োগ দিতে দলনেতা ও ইউনিয়ন আনসার কমান্ডারদের মাধ্যমে জনপ্রতি ৮০০ থেকে ১০০০ হাজার করে টাকা নেন কর্মকর্তা নিজেই। তামান্না আক্তার নামের এক আনসার সদস্য বলেন,  নির্বাচনের ডিউটি দিতে তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ টাকা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার জন্য আর ৫০০ টাকা কাগজপত্র ঠিক করার জন্য তিনি দিয়েছেন।

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ২ দিনের জন্য ৭১৫ জন সদস্যের প্রতিদিন খাবারের জন্য ২৫০ টাকা করে ২ দিনে ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কর্মকর্তা সর্বোচ্চ দিনে তিন বেলায় ১৫০ টাকা করে দুই দিনে ৩০০ টাকার নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করেন। এর মধ্যে কিছু কিছু কেন্দ্রে দুই দিনের মধ্যে কোন খাবার পায়নি বলে অভিযোগ করেন ২ জন্য সদস্য।

নির্বাচনকালীন ৬ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত আরিফ হোসেন রিপন, শামিম হোসেন সুজন, এমরান হোসেন, জিহাদ হোসেন, মেহরাজ হোসেন ও সালা উদ্দীন নামে ৬ জন আনসার সদস্য জনপ্রতি ৪৫ হাজার টাকা বেতনে উপজেলা নির্বাচন অফিস পাহারা দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মাত্র ২ জন সদস্য দিয়ে নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তার ডিউটি করান। এতে ৬ জন সদস্যের মোট বেতনভাতা ২ লাখ ৭০ হাজার স্থলে ২ জনকে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে বাকী ৪ জনের ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়। এছাড়া নির্বাচন কমিশন থেকে জনপ্রতি ২৮ কেজি চাল, আটা, ৮ কেজি ডাল, ৫ কেজি চিনি ও তেল বরাদ্দ দিলেও তাও আত্মসাৎ করা হয়। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হাসেমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম কয়েকদিন মোটামুটি ডিউটি করলেও পরে আর তাদেরকে দেখিনি।

এব্যাপারে আনসার সদস্য শামিম হোসেন সুজন বলেন, আমি ও এমরান দিনে ৮ ঘন্টা করে দুইমাস একা একা ডিউটি করেছি। আমাদের সাথে আর কেউ ছিলনা।সালাহ উদ্দিন নামের আরেক আনসার সদস্যের কাছে জানতে চাইলে তিনি সঠিক উত্তর দিতে না পেরে ফোন কেটে দেন।তবে আরিফ হোসেন রিপন নামে আনসার সদস্য বলেন, ঘটনা সঠিক। কাজ করলে একটু ভুলভ্রান্তি হবেই। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এ প্রতিবেদককে নানা সুবিধার প্রলোভন দেখান তিনি।

এদিকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতার দিবসের দিন প্যারেডের জন্য মনিহারি ভাতাসহ জনপ্রতি ৯০০ টাকা সম্মানীতে ৩২ জন আনসার সদস্য দিয়ে বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডের কুচকাওয়াজ করার কথা থাকলে জাহেরা খাতুন ১০ থেকে ১২ জন আনসার সদস্য দিয়ে প্যারেড করান। বাকী আনসার সদস্যদের নাম দিয়ে মাস্টাররোল তৈরী করে ৩২ জনের নামে বিল তোলা হয়। এতে প্রত্যেক দিবসে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা করে মোট ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা উত্তোলন করে দুটি দিবসের দায়িত্বপালনকারীদের মধ্যে ১৫ হাজার টাকা বিতরন করেন। বাকী ৪২ হাজার ৬০০ টাকা শেখ ফরিদকে সাথে নিয়ে আত্মসাৎ করেন এ কর্মকর্তা। বিষয়টি জাহেরা খাতুন নিজেই স্বীকার করেছেন এ প্রতিবেদকের কাছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই জন আনসার সদস্য বলেন এ কর্মকর্তার কাছে উপজেলার আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা একধরনের জিম্মি হয়ে পড়েছে। অনেকেই তার ভয়ে মুখ খোলার সাহসও পাচ্ছেনা।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহেরা খাতুন বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন। উত্থাপিত সব অভিযোগ সঠিক নয়। কিছু নিয়ম-অনিয়ম মেনেই অফিস চালাতে হয়। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা কমান্ড্যান্ট অফিসার মোঃ রেজাউল হোসেন বলেন, তিনি এ জেলায় নতুন এসেছেন।  বিষয়টি তার জানা নেই। অভিযোগগুলো মাত্র শুনেছেন। তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন তিনি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

কমলনগরে আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

আডেট সময় ০৫:১৪:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

কমলনগর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহেরা খাতুনের বিরুদ্ধে বেপরোয়া অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠেছে।

উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয় সুত্রে জানা যায়, কমলনগরে মোট আনসার সদস্যের সংখ্যা ১ হাজার ৪০০ জন। এর মধ্যে সরকারের ভাতাভুক্ত আনসার সদস্যের সংখ্যা ৩৮ জন। উপজেলা আনসার ও ভিডিপি কার্যালয়ের কর্মকর্তার নিয়ন্ত্রিত একটি সিন্ডিকেট চক্র রয়েছে। ওই  সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে ভিডিপি সদস্যরা। আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহেরা খাতুন এ উপজেলায় যোগদানের পর থেকেই তিনি অর্থ কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েন। সদস্যদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাইয়ে দিতে উৎকোচ গ্রহণ করা, ভুয়া নামের তালিকা তৈরি করে ভাতা আত্মসাৎ করা, নির্বাচনের সময়ে কেন্দ্রের দায়িত্ব পালনের জন্য আনসার নিয়োগে অবৈধ সুবিধা নেওয়াসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠেছে তার বিরুদ্ধে।

প্রাপ্ত তথ্য মতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-৪ আসনের কমলনগর উপজেলার ৫৫ টি ভোট কেন্দ্রে ১৩ জন করে মোট ৭১৫ জন সদস্য নিয়োগ দিতে দলনেতা ও ইউনিয়ন আনসার কমান্ডারদের মাধ্যমে জনপ্রতি ৮০০ থেকে ১০০০ হাজার করে টাকা নেন কর্মকর্তা নিজেই। তামান্না আক্তার নামের এক আনসার সদস্য বলেন,  নির্বাচনের ডিউটি দিতে তার কাছ থেকে ২ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ৫০০ টাকা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তার জন্য আর ৫০০ টাকা কাগজপত্র ঠিক করার জন্য তিনি দিয়েছেন।

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে ২ দিনের জন্য ৭১৫ জন সদস্যের প্রতিদিন খাবারের জন্য ২৫০ টাকা করে ২ দিনে ৫০০ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও কর্মকর্তা সর্বোচ্চ দিনে তিন বেলায় ১৫০ টাকা করে দুই দিনে ৩০০ টাকার নিম্নমানের খাবার পরিবেশন করেন। এর মধ্যে কিছু কিছু কেন্দ্রে দুই দিনের মধ্যে কোন খাবার পায়নি বলে অভিযোগ করেন ২ জন্য সদস্য।

নির্বাচনকালীন ৬ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ পর্যন্ত আরিফ হোসেন রিপন, শামিম হোসেন সুজন, এমরান হোসেন, জিহাদ হোসেন, মেহরাজ হোসেন ও সালা উদ্দীন নামে ৬ জন আনসার সদস্য জনপ্রতি ৪৫ হাজার টাকা বেতনে উপজেলা নির্বাচন অফিস পাহারা দেওয়ার কথা থাকলেও উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা মাত্র ২ জন সদস্য দিয়ে নির্বাচন অফিসের নিরাপত্তার ডিউটি করান। এতে ৬ জন সদস্যের মোট বেতনভাতা ২ লাখ ৭০ হাজার স্থলে ২ জনকে ৯০ হাজার টাকা দিয়ে বাকী ৪ জনের ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা ভাগাভাগি করে নেওয়া হয়। এছাড়া নির্বাচন কমিশন থেকে জনপ্রতি ২৮ কেজি চাল, আটা, ৮ কেজি ডাল, ৫ কেজি চিনি ও তেল বরাদ্দ দিলেও তাও আত্মসাৎ করা হয়। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবুল হাসেমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রথম কয়েকদিন মোটামুটি ডিউটি করলেও পরে আর তাদেরকে দেখিনি।

এব্যাপারে আনসার সদস্য শামিম হোসেন সুজন বলেন, আমি ও এমরান দিনে ৮ ঘন্টা করে দুইমাস একা একা ডিউটি করেছি। আমাদের সাথে আর কেউ ছিলনা।সালাহ উদ্দিন নামের আরেক আনসার সদস্যের কাছে জানতে চাইলে তিনি সঠিক উত্তর দিতে না পেরে ফোন কেটে দেন।তবে আরিফ হোসেন রিপন নামে আনসার সদস্য বলেন, ঘটনা সঠিক। কাজ করলে একটু ভুলভ্রান্তি হবেই। এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে এ প্রতিবেদককে নানা সুবিধার প্রলোভন দেখান তিনি।

এদিকে ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস ও ২৬ মার্চ স্বাধীনতার দিবসের দিন প্যারেডের জন্য মনিহারি ভাতাসহ জনপ্রতি ৯০০ টাকা সম্মানীতে ৩২ জন আনসার সদস্য দিয়ে বিজয় দিবস ও স্বাধীনতা দিবসের প্যারেডের কুচকাওয়াজ করার কথা থাকলে জাহেরা খাতুন ১০ থেকে ১২ জন আনসার সদস্য দিয়ে প্যারেড করান। বাকী আনসার সদস্যদের নাম দিয়ে মাস্টাররোল তৈরী করে ৩২ জনের নামে বিল তোলা হয়। এতে প্রত্যেক দিবসে ২৮ হাজার ৮০০ টাকা করে মোট ৫৭ হাজার ৬০০ টাকা উত্তোলন করে দুটি দিবসের দায়িত্বপালনকারীদের মধ্যে ১৫ হাজার টাকা বিতরন করেন। বাকী ৪২ হাজার ৬০০ টাকা শেখ ফরিদকে সাথে নিয়ে আত্মসাৎ করেন এ কর্মকর্তা। বিষয়টি জাহেরা খাতুন নিজেই স্বীকার করেছেন এ প্রতিবেদকের কাছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুই জন আনসার সদস্য বলেন এ কর্মকর্তার কাছে উপজেলার আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা একধরনের জিম্মি হয়ে পড়েছে। অনেকেই তার ভয়ে মুখ খোলার সাহসও পাচ্ছেনা।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা জাহেরা খাতুন বলেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছেন। উত্থাপিত সব অভিযোগ সঠিক নয়। কিছু নিয়ম-অনিয়ম মেনেই অফিস চালাতে হয়। এ বিষয়ে সংবাদ প্রকাশ না করতে বিশেষ অনুরোধ জানান তিনি।

এ বিষয়ে লক্ষ্মীপুর জেলা কমান্ড্যান্ট অফিসার মোঃ রেজাউল হোসেন বলেন, তিনি এ জেলায় নতুন এসেছেন।  বিষয়টি তার জানা নেই। অভিযোগগুলো মাত্র শুনেছেন। তদন্ত কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন তিনি।