তাবারক হোসেন আজাদ: সরকারের জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত প্রকল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম নোয়াখালী ও লক্ষ্মীপুর মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণ প্রকল্প। প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বন্দর নগরী চট্টগ্রামের সঙ্গে রাজধানী ঢাকার সড়ক পথে যোগাযোগ সহজ, দ্রুত, যানজটমুক্ত ও উন্নততর হবে। তবে নির্মাণাধীন চার লেন সড়কের কাজ ২০২৯ সালে শেষ হবে বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি। শনিবার (৪ জুলাই) সদর উপজেলার চন্দ্রগন্জ ও মান্দারি এলাকায় চার লেনের প্রকল্পের কাজ পরিদর্শনে গিয়ে এতথ্য জানান।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানান, সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ পশ্চিম বাজার থেকে ইটেরপুল বাস টার্মিনাল পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কটি নির্মাণ করা হচ্ছে। ৬০ ফুট চওয়া চার লেনের এই সড়ক নির্মাণে ব্যয় ধরা হয় ৩৫০ কোটি টাকা। ‘তাহের ব্রাদার্স’ ও ‘এম এইচ রহমান’ নামের দুটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। দ্রুত আঞ্চলিক মহাসড়কটি কাজ সম্পন্ন করা লক্ষে কাজ করছি। সকল কর্মকর্তা সার্বক্ষনিক তদারকি করছেন।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর আসনের এমপি) সড়কটিকে অত্যন্ত ব্যস্ততম ও জনগুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সহজ হবে। এতে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতি আসবে।
তিনি আরও বলেন, এই চার লেন সড়কটি ছিল জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি। নানা কারণে প্রকল্পটির কাজ শুরু করা সম্ভব হয়নি। তবে এখন কাজ চলছে। সড়কটি খুব ব্যস্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে ছয় লেনে উন্নীত করা গেলে আরও কার্যকর হবে বলেও মন্তব্য করেন মন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি সড়কের নির্মাণকাজের গুণগত মান ঠিক রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা দেন।
লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, আঞ্চলিক এই মহাসড়কটি নির্মান শেষ হবে ২০২৯ সালে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের ২১ জেলার সঙ্গে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগ ব্যবস্থা আরওসহজ হবে।
মেঘনার তীর 



















