ঢাকা ০২:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দুই-পক্ষের মারামারি, আহত,২,আতংক কুরআন প্রতিযোগিতা ইউনিয়ন পর্যায় থেকে শুরু করতে হবে: আবুল খায়ের ভূঁইয়া এমপি  মা ইলিশ রক্ষায়: ১৬দিনের অভিযানে আটক ১২৭ জেলে, ৩১ লাখ মিটার কারেন্ট জাল জব্দ লক্ষ্মীপুরে মাদক কারবারিকে কুপিয়ে হত্যা প্রাইভেট হসপিটাল ক্লিনিক এন্ড ডায়াগনষ্টিক এসোসিয়েশন লক্ষ্মীপুর জেলা শাখার পূর্নাঙ্গ কমিটি ঘোষনা চন্দ্রগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগে শিক্ষক গ্রেপ্তার টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন

যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে তর্কাতর্কি, করেছেন তুই-তোকারি

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৮:১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 91

স্টাফ রিপোর্টার: সদ্যঘোষিত যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিতদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তর্ক-বির্তকে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। এক পর্যায়ে স্থগিত করা হয় জরুরি সভা। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় সংগঠনটির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে স্থান পাওয়া বিতর্কিতদের দায় একজন আরেকজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। এ নিয়ে চরম হট্টগোল সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নও নিজেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের কথাবার্তা ‘তুই-তুকারির’ পর্যায়ে চলে যায়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবদলের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে নিস্ক্রিয় থাকা সহসভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চান যুবদলের সভাপতি মুন্না। এ থেকে ঘটনার সূত্রপাত। পাল্টা সাধারণ সম্পাদক নয়নও নিষ্ক্রিয় মোঃ কামরুজ্জামান, শামসুজ্জোহা সুমন ও মনিরুল ইসলাম সোহাগের বিগত আন্দোলনে ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।

সূত্র জানায়, কমিটির মান ও মর্যাদা নষ্ট হওয়ার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ একে-অপরকে দোষারোপ করতে থাকেন। সদ্যঘোষিত কমিটির সহসভাপতি মাহমুদুস সালেহীন, আরেক সহসভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়াকে কক্সবাজারের যথাযথ সন্মান না দেওয়ার বিষয়টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করেন। এ সময় মাহমুদুস সালেহীন রাজনীতি না করে পদ পাওয়ার বিষয়ে বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সহসভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, ‘তুমি সভাপতির স্বাক্ষরে সহসভাপতি হয়েছ’। এমন সময় ফিরোজ আব্দুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে মিটিং থেকে বের হয়ে যান। পরে উত্তেজনা আরও চরম মাত্রায় পৌঁছালে বৈঠক স্থগিত করা হয়।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে দুই-পক্ষের মারামারি, আহত,২,আতংক

যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের মধ্যে তর্কাতর্কি, করেছেন তুই-তোকারি

আডেট সময় ০৮:১০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: সদ্যঘোষিত যুবদলের নির্বাহী কমিটিতে নিষ্ক্রিয় ও বিতর্কিতদের নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা করতে গিয়ে তর্ক-বির্তকে জড়িয়ে পড়েন সংগঠনটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন। এক পর্যায়ে স্থগিত করা হয় জরুরি সভা। রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় সংগঠনটির কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

বৈঠকে অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে স্থান পাওয়া বিতর্কিতদের দায় একজন আরেকজনের ওপর চাপানোর চেষ্টা করলে পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে ওঠে। এ নিয়ে চরম হট্টগোল সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নও নিজেদের মধ্যে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। তাদের কথাবার্তা ‘তুই-তুকারির’ পর্যায়ে চলে যায়।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবদলের একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বলেন, নতুন কমিটিতে স্থান পাওয়া দীর্ঘদিন ধরে সংগঠনে নিস্ক্রিয় থাকা সহসভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর অতীত রাজনৈতিক পরিচয় জানতে চান যুবদলের সভাপতি মুন্না। এ থেকে ঘটনার সূত্রপাত। পাল্টা সাধারণ সম্পাদক নয়নও নিষ্ক্রিয় মোঃ কামরুজ্জামান, শামসুজ্জোহা সুমন ও মনিরুল ইসলাম সোহাগের বিগত আন্দোলনে ভূমিকা সম্পর্কে প্রশ্ন তোলেন।

সূত্র জানায়, কমিটির মান ও মর্যাদা নষ্ট হওয়ার জন্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ একে-অপরকে দোষারোপ করতে থাকেন। সদ্যঘোষিত কমিটির সহসভাপতি মাহমুদুস সালেহীন, আরেক সহসভাপতি জিয়াউর রহমান জিয়াকে কক্সবাজারের যথাযথ সন্মান না দেওয়ার বিষয়টি মিটিংয়ে উপস্থাপন করেন। এ সময় মাহমুদুস সালেহীন রাজনীতি না করে পদ পাওয়ার বিষয়ে বেশ কয়েকজন মন্তব্য করেন।

অন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন সহসভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহকে সতর্ক করে বলেন, ‘তুমি সভাপতির স্বাক্ষরে সহসভাপতি হয়েছ’। এমন সময় ফিরোজ আব্দুল্লাহ ক্ষোভ প্রকাশ করে মিটিং থেকে বের হয়ে যান। পরে উত্তেজনা আরও চরম মাত্রায় পৌঁছালে বৈঠক স্থগিত করা হয়।