ঢাকা ১১:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিলো আইনজীবী ফোরাম বাগেরহাটের আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যারা ইনসাফের কথা বলে,তাদের অপকর্মের শেষ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি ১ লাখ টাকার অনুদান তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

 পাহাড়ধসে শিশুসহ ৭ জনের মৃত্যু

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৩:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • 28

মেঘনার তীর ডেস্ক:: টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের পর বান্দরবানের লামা ও  কক্সবাজারে ভয়াবহ পাহাড়ধসে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ ৭জনের মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল ধসে দুটি বসতঘরের ওপর মাটি এসে পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে থাকা বাসিন্দারা মাটিচাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, জনপ্রতিনিধি ও লামা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

আজিজনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন জানান, মিশনপাড়ার মো. ইউনুচের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী এবং মো. জুয়েলের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক শিশু সন্তান পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, টানা ভারী বর্ষণের কারণে এলাকার আরও কয়েকটি পাহাড় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।ঘটনার পর লামা উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাহাড়ধসের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

এদিকে, অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে বন্যা ও পাহাড় ধসের আশংকায় স্থানীয়দের নিরাপদে আশ্রয় নিতে জেলার ৭টি উপজেলায় ১২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, ঘটনায় নিহত হয়েছে শিশুসহ ৫জন, মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাঝরাতে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন একজন। রাতের অন্ধকারে স্থানীয়রাই উদ্ধারকাজ চালান। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এ নিয়ে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৪ দিনে ১৭ জনের মৃত্যু হলো।

 

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

 পাহাড়ধসে শিশুসহ ৭ জনের মৃত্যু

আডেট সময় ০৩:৫৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

মেঘনার তীর ডেস্ক:: টানা কয়েক দিনের ভারী বর্ষণের পর বান্দরবানের লামা ও  কক্সবাজারে ভয়াবহ পাহাড়ধসে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনসহ ৭জনের মৃত্যু হয়েছে।বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই ২০২৬) ভোররাত আনুমানিক সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার আজিজনগর ইউনিয়নের মিশনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের ঢাল ধসে দুটি বসতঘরের ওপর মাটি এসে পড়ে। এতে ঘরের ভেতরে থাকা বাসিন্দারা মাটিচাপা পড়েন। খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, জনপ্রতিনিধি ও লামা ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেন।

আজিজনগর ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন জানান, মিশনপাড়ার মো. ইউনুচের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী এবং মো. জুয়েলের পরিবারের স্বামী-স্ত্রী ও তাদের এক শিশু সন্তান পাহাড়ধসে মাটিচাপা পড়ে নিহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, টানা ভারী বর্ষণের কারণে এলাকার আরও কয়েকটি পাহাড় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।ঘটনার পর লামা উপজেলা প্রশাসন, ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পাহাড়ধসের প্রকৃত কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

এদিকে, অব্যাহত ভারী বর্ষণের কারণে বান্দরবানের বিভিন্ন এলাকায় পাহাড়ধস ও জলাবদ্ধতার ঝুঁকি বেড়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

গত কয়েকদিন ধরে টানা প্রবল বৃষ্টিপাতের কারনে জেলার সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার কারনে বন্যা ও পাহাড় ধসের আশংকায় স্থানীয়দের নিরাপদে আশ্রয় নিতে জেলার ৭টি উপজেলায় ১২০টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। জেলার বিভিন্ন উপজেলায় নিন্মাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকার জানান, ঘটনায় নিহত হয়েছে শিশুসহ ৫জন, মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং এই ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

এদিকে কক্সবাজারের চকরিয়ায় মাঝরাতে পাহাড় ধসে একই পরিবারের ২ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন একজন। রাতের অন্ধকারে স্থানীয়রাই উদ্ধারকাজ চালান। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। এ নিয়ে কক্সবাজারে পাহাড়ধসে ৪ দিনে ১৭ জনের মৃত্যু হলো।