স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন ক্লিনিক, হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যৌথভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেছে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ। অভিযানে লাইসেন্স নবায়ন না করা, অনুমোদনের অতিরিক্ত বেড পরিচালনা, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ঘাটতির অভিযোগে চারটি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৩৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া রায়পুর উপজেলার চরপাতার গাজীনগর বাজারে প্রেসক্রিপশন ব্যতীত ওষুধ বিক্রয় এবং লাইসেন্স না থাকায় মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করে দীপ্ত মেডিকেল হল এবং রিয়াদ ফার্মেসিকে ওষুধ ও কসমেটিকসসহ তিনটি প্রতিষ্ঠানকে ২৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদায় করা হয়।
মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) দুপুরে লক্ষ্মীপুর ও রায়পুর শহরের পৃথক পৃথকভাবে এসব অভিযান পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান ও রায়পুর উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভূমি)নিগার সুলতানা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ নাহিদ রায়হান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, অস্বাস্থ্যকর অপারেশন থিয়েটার পরিচালনা এবং অনুমোদিত ২০টি বেডের পরিবর্তে ৩০টি বেড পরিচালনার দায়ে সিটি হাসপাতালকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। লাইসেন্স না থাকায় পপুলার ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড ডায়াবেটিস সেন্টারকে ২০ হাজার টাকা, লাইসেন্স ও বাণিজ্যিক বিদ্যুৎ মিটার না থাকায় আর এস ডেন্টাল এক্স-রে সেন্টারকে ৫ হাজার টাকা এবং লাইসেন্স নবায়ন না করায় ডা. আউয়াল শিশু সার্জারি সেন্টার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। এদিকে, ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতি টের পেয়ে রয়েল মেডিক্যাল সার্ভিসেস বন্ধ করে কর্তৃপক্ষ সেখান থেকে চলে যায় বলে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাবিবুর রহমান বলেন, জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা এবং জনস্বার্থে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে লাইসেন্স, স্বাস্থ্যবিধি ও সরকারি নিয়মকানুন যথাযথভাবে অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক। কোথাও অনিয়ম পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।
মেঘনার তীর 


















