রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে প্রায় ১৭ কোটি টাকা ব্যায়ে হায়দরগন্জ সড়ক এবং প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যায়ে পৌরসভার মহিলা কলেজ সড়কে নির্মাণাধীন পৃথক ড্রেনের মাঝখানে বৈদ্যুতিক খুঁটি রেখেই ঢালাইয় করার অভিযোগ ওঠেছে। এতে ড্রেনের কার্যকারিতা, রক্ষণাবেক্ষণ ও জননিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছেন, ঢালাইয়ের আগে খুঁটিগুলো সরিয়ে নেয়া হবে। তবে এখনও খুটিগুলো না সরিয়ে ঢালায়ইয়ের কাজ চলমান।
বুধবার (২৯ জুলাই) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, রায়পুর পৌরসভার নতুনবাজার থেকে মহিল কলেজ সড়ক এবং হায়দরগনৃজ সড়কের পৌরসভা অংশের নর্দমা পর্যন্ত নির্মাণাধীন ড্রেনের মাঝখানে বৈদ্যুতিক কয়েকটি খুঁটি রয়েছে। খুঁটিগুলো অপসারণ না করেই এর চারপাশে রডের কাঠামো তৈরি করে ঢালাই করে দিয়েছেন। এ ছাড়া টানা কয়েকদিনের বৃষ্টিতে নির্মাণস্থলে বাঁশের তৈরি অস্থায়ী সেতু ও ছড়িয়ে থাকা নির্মাণসামগ্রীর কারণে পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের ভাষ্য, জনগুরুত্বপুর্ণ ব্যাস্ততম সড়কের ড্রেনের মাঝখানে খুঁটিগুলো রেখে নির্মাণকাজ শেষ হলে পানি চলাচলে বাধা সৃষ্টি হতে পারে। ভবিষ্যতে ড্রেন পরিষ্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজও কঠিন হয়ে পড়বে। এ ছাড়া খুঁটিগুলো ঘিরে দুর্ঘটনা হয়েছে এবং আশঙ্কাও রয়েছে বলে দাবি তাদের।
স্থানীয়রা বলেন, স্থায়ীভাবে সমস্যা এড়াতে ঢালাইয়ের আগেই বৈদ্যুতিক খুঁটিগুলো অপসারণ করা প্রয়োজন। একইসাথে নির্মাণকাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর তদারকিও জরুরি। এ বিষয়ে রায়পুর পৌরসভার প্রশাসক (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সাথে কথা হয়েছে। খুটিগুলো সরিয়ে নিতে তাদের সাথে ৪৫ লক্ষ টাকার চুক্তিও হয়েছে। তারা যে কোন সময় দ্রুত খুঁটিগুলো সরিয়ে নেবেন।’ রায়পুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির উপ-মহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) মোশারফ হোসেন বলেন, ‘পৌরসভার পৃথক দুটি সড়কের নির্মাণাধীন ড্রেনের মাঝখানে থাকা খুটিগুলো খুব শিগগিরই অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
মেঘনার তীর 












