রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: ঝুঁকিপূর্ণ রাস্তা, সন্ধ্যার পর ভুতুরে এলাকায় পরিনত হয় সরু রাস্তাটি। দুই পাশে মাটি নেই। গত ১০ বছর এই রাস্তায় ড্রেনের উপর ৫০টি গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। পাশাপাশি দুইজন ব্যাক্তি চলতে গেলে পড়তে হয় ড্রেনে। এমন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয় লক্ষ্মীপুরের রায়পুর পৌরসভার থানার সামনে আর্ট স্কুলের পেছনে মাষ্টারপাড়া এলাকার প্রায় ৫০ পরিবারকে।
স্থানীরা জানান, মাষ্টারপাড়া এলাকাবাসীর চলাচলের একমাত্র ভরসা এই রাস্তাটি। এক কিলোমিটার ঘুরে বিকল্প রাস্তা দিয়ে বাসটার্মিনাল ও থানার সামনে দিয়ে রাস্তাটি পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে। ঝুঁকিপূর্ণ বলে সন্ধ্যার পর এ রাস্তা দিয়ে চলে না কোন মানুষ। ফলে সন্ধ্যার আগেই এলাকার কর্মঠ, চাকুরী জীবী ও শিক্ষক মানুষদেরকে ঘরে ফিরতে হয়।
মাষ্টারপাড়া এলাকার গণমাধ্যমকর্মী সুদীব কুড়ী বলেন, গত ১০ বছর ধরে থানার সামনে আর্ট স্কুলের পেছেন দিয়ে সরু ড্রেনের স্লাবের উপর রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। এই রাস্তার ড্রেনে অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। অনেক স্থানে রাস্তার অর্ধেক অংশ ভেঙ্গে গেছে। প্রতিদিন শিশু শিক্ষার্থী ও নারী– বৃদ্ধ আহত হচ্ছেন। শনিবার সন্ধায় এক বৃদ্ধ শিক্ষক ড্রেনের ভেতরে পড়ে মারাত্নক আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি।
ওই এলাকার ডাক্তার অরুনেছার পাল বলেন, গত ২০ বছর ধরে প্রথম শ্রেণীর পৌরসভার এই মাষ্টারপাড়া এলাকার ড্রেনটি ঝুকিপুর্ণ রয়েছে। প্রায় ১০ বছর ধরে ড্রেনটি সংস্কার করার জন্য পৌরসভাকে বলা হলেও কর্তৃপক্ষ কর্ণপাত করছেন না। অবশেষে আমার বাবা অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক বিশেস্বর পাল (৭০) ড্রেনে পড়ে হাতে, পায়ে ও নাকে মারাত্নক জখম হয়েছেন। আমরা কার কাছে গেলে এই সু-ব্যবস্থা পাব?
সমাজ সেবক সাংস্কৃতিক কর্মী সুভাষ রায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই মাষ্টারপাড়া এলাকায় কেন বসবাস করি, এটাই আমাদের অপরাধ। ড্রেনের উপর রাস্তাটি মেরামত করতে কতবার যে বলা হয়, কেউ খোঁজখবর নেয় না। কোনো নেতাও এলাকায় আসেন না। কি কষ্টের মধ্যে আমরা চলাচল করি তা কেউ দেখেও না বোঝেও না। ভোট আসলেই শুধু কদর বাড়ে। কত রকমের ওয়াদা করে।
রায়পুর পৌরসভার প্রকৌশলী মাসুদ রেজা বলেন, মাষ্টারপাড়া এলাকার ওই রাস্তাটি দ্রুত মেরামত করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে ফাইল জমা দেয়া হয়েছে। সহসায় কাজটি শুরু করা হবে।
মেঘনার তীর 












