ঢাকা ০১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

 রামগতিতে মেঘনায় গোসলে নেমে নিখোঁজের সাড়ে ৫ঘন্টার পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ১০:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • 49

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হওয়া মনির হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলের অদূরে মাছ ধরার বরশিতে তার মরদেহ আটকা পড়ে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মনির হোসেন স্থানীয় আলেকজান্ডার বাজারের টুপি ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া এলাকার ফকির বাড়ির বাসিন্দা ও আব্দুর রবের ছেলে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার সময় মনির হোসেন আসলপাড়া লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে তিনি নদীতে ডুব দিলে তীব্র স্রোতে তলিয়ে যান। এরপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা নদীতে নেমে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তবে তীব্র স্রোতের কারণে তারা তাকে খুঁজে পাননি। পরে ঘটনাস্থলের অদূরে কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে মাছ ধরার জন্য বরশি ফেলেন। একপর্যায়ে বরশিতে মনির হোসেনের মরদেহ আটকে যায়। খবর পেয়ে রামগতি উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মনির হোসেন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার একমাত্র ছেলে ছাব্বির হোসেন নদীর পাড়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। রামগতি উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খোকন মজুমদার বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মাছ ধরার বরশিতে মরদেহটি আটকে পড়েছিল। রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

 রামগতিতে মেঘনায় গোসলে নেমে নিখোঁজের সাড়ে ৫ঘন্টার পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার

আডেট সময় ১০:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতে তলিয়ে নিখোঁজ হওয়া মনির হোসেন (৪৫) নামে এক ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলের অদূরে মাছ ধরার বরশিতে তার মরদেহ আটকা পড়ে। সোমবার (৩ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া লঞ্চঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে সন্ধ্যার দিকে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। নিহত মনির হোসেন স্থানীয় আলেকজান্ডার বাজারের টুপি ব্যবসায়ী ছিলেন। তিনি আলেকজান্ডার ইউনিয়নের আসলপাড়া এলাকার ফকির বাড়ির বাসিন্দা ও আব্দুর রবের ছেলে।

পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঘটনার সময় মনির হোসেন আসলপাড়া লঞ্চঘাট এলাকায় মেঘনা নদীতে গোসল করতে নামেন। একপর্যায়ে তিনি নদীতে ডুব দিলে তীব্র স্রোতে তলিয়ে যান। এরপর তাকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়রা নদীতে নেমে তাকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। তবে তীব্র স্রোতের কারণে তারা তাকে খুঁজে পাননি। পরে ঘটনাস্থলের অদূরে কয়েকজন ব্যক্তি নদীতে মাছ ধরার জন্য বরশি ফেলেন। একপর্যায়ে বরশিতে মনির হোসেনের মরদেহ আটকে যায়। খবর পেয়ে রামগতি উপজেলা ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় নদী থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মনির হোসেন নিখোঁজ হওয়ার পর থেকে তার একমাত্র ছেলে ছাব্বির হোসেন নদীর পাড়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। স্বজন ও স্থানীয়রা তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করেন। রামগতি উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার খোকন মজুমদার বলেন, নিখোঁজ ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মাছ ধরার বরশিতে মরদেহটি আটকে পড়েছিল। রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লিটন দেওয়ান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।