স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে জমি বন্ধক দিতে না পেরে জমির অংশীদার মনিরুজ্জামান বাবুল (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্তের নাম মুক্তার হোসেন সুমান। বুধবার (১৯ আগস্ট) রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাত আটার দিকে উপজেলার চরমনসা ইউনিয়নের দক্ষিণ রায়পুর ছানা চত্ত্বর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মনিরুজ্জামান বাবুল দক্ষিণ রায়পুর গ্রামের অলি উল্যার ছেলে। অভিযুক্ত সুমন একই এলাকার মৃত আহসান উল্যা ডিলারের ছেলে। তারা সম্পর্কে আত্মীয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে দক্ষিণ রায়পুর গ্রামের অলি উল্যা গংদের সাথে আহসান উল্যা ডিলার গংদের যৌথ ক্রয়কৃত সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। আহসান উল্যার ছেলে সুমন ইউরোপ যাওয়ার কথা বলে বিরোধকৃত জমিটি একাই বন্ধক রেখে টাকা নিতে গেলে বাধা দেয় অংশীদার বাবুল। এনিয়ে ঘটনার দিন রাত ৮ টার দিকে বিষয়টি সমঝতার কথা বলে শালিশদার দিয়ে বাড়ি থেকে ডেকে নেয় সুমন। এসময় বৈঠকে বাঁধা দেয়াকে কেন্দ্র করে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বাবুর উপর হামলা চালায় সুমন। একপর্যায়ে মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করলে রক্তাক্ত জখম হয়ে মাটিতে লুটে পড়ে বাবুল। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে রায়পুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। বাবুল জানায়, এর আগেও জমির জন্য সুমন আমাকে মরধর করে, আমি এঘটনায় নিরাপত্তার গত ১৭ আগস্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ে। কিন্তু এর মধ্যেই সমঝতার কথা বলে ডেকে নিয়ে আমার উপর হামরা চালায়। এঘটনায় সুষ্ঠ বিচার দাবী করেন তিনি।
অভিযোগের বিষয়ে মুক্তার হোসেন সুমন জানান, আমার অংশের (সুপারি বাগন) জমি বন্ধক দিতে গেলে বার বার বাবুল আমাকে বাধা দেয়। শালিশ বৈঠকে সবাই তাকে নিষেধ করার পরও সে বন্ধক দিতে দিচ্ছে না, উত্তেজিত হযে আমার আঙুলে কামড় দেয়ায় বাবুলকে ধাক্কা দিলে সে পড়ে মাথায় আঘাত পায়।
রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ নিজাম উদ্দিন বলেন, এঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে এজাহার দেয়া হয়নি। এজাহার পেলে তদন্ত করে আইগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মেঘনার তীর 












