ফেনী প্রতিনিধি: দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা এবং সরকারি প্রকল্পগুলো নির্ধারিত সময় ও মান অনুযায়ী সম্পন্ন করাকে সরকারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
তিনি বলেন, “এই ট্রেন্ডটা / ট্রেনটা ছিল দুর্নীতি ও দুঃশাসনের। জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছেন, আমরা দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। আমি এ কথা বলব না যে, মুহূর্তেই জিরো টলারেন্সে চলে যাব। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। এটিই আমাদের চ্যালেঞ্জ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে আমরা সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেছি।”
মঙ্গলবার দুপুরে ফেনীর পরশুরামে মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের প্রথম পর্যায়ের প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ১ হাজার ৫৪৩ কোটি টাকা।
পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “এই এলাকার প্রকল্পটি শেষ করা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ করে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন করা আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। শুধু এই প্রকল্প নয়, সারাদেশের যেকোনো প্রকল্প দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে সম্পন্ন করতে সরকার সতর্ক ও সজাগ রয়েছে। কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তি যাতে কোনোভাবে প্রকল্পের কাজ বাধাগ্রস্ত করতে না পারেন, সে সুযোগ আমরা দেব না।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “ভারতকে চিন্তা করতে হবে—বাংলাদেশ তাদের পার্শ্ববর্তী ও বন্ধুদেশ। বন্ধুত্বের সম্পর্ক কতটুকু ইতিবাচক হওয়া উচিত, সেই চিন্তা তাদের থাকা উচিত। আমরা আশা করছি, ভারত এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে এবং বন্ধুপ্রতীম বাংলাদেশ ও বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে।
তিনি আরও বলেন, “কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার যাতে আমাদের দেশের মানুষ না হয়, সে বিষয়ে আমরা আরও বেশি সজাগ থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেশবাসীও সজাগ রয়েছি।”
পরিদর্শনকালে ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এম এ খালেক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলামসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
মেঘনার তীর 












