ঢাকা ১২:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

রামগতিতে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ বিক্রি করলেন ভূমি কর্মকর্তা

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিলাম ছাড়াই সরকারি ১৪টি গাছ বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দ বাজার এলাকায়।অভিযুক্ত আলী হোসেন সিরাজী হাজিরহাট ইউনিয়নের সাবেক ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) ও বর্তমানে রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দ বাজার এলাকায় ভূমি কর্মকর্তা তহশিলদার আলী হোসেন সিরাজীর বাড়ির সামনের ১৪টি সরকারি গাছ বিক্রি করে কাটা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি গাছ বিক্রি করতে হলে আগে চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে উন্মুক্ত নিলাম বা টেন্ডারের জন্য দরপত্রের আহ্বান করতে হয়। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা গাছ পাবেন। কিন্তু তা না করে উপজেলা বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারী কামরুলকে ম্যানেজ করে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সিরাজী গাছগুলো স্থানীয় হারুন ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করে দেন। শনিবার (৯ মে) সকাল থেকে গাছগুলো কাটতে শুরু করেন হারুন ব্যাপারী।এর আগে ওই সড়কের গাছগুলোতে সরকার টেন্ডারের জন্য নাম্বারিং করা হয়। চলতি মাসের ১৮ তারিখে টেন্ডার আহ্বানের কথা রয়েছে। কিন্তু সরকারের নম্বর দেওয়া ১৪টি গাছ বিক্রি করেন তহসিলদার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ওই গাছগুলো হারুন ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে। বন কর্মকর্তার অফিসের কর্মচারী কামরুলকে ম্যানেজ করেই গাছ কাটা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হারুন ব্যাপারী বলেন, আমি তহসিলদার সিরাজীর কাছ থেকে গাছ কিনেছি। তাই কেটে নিচ্ছি। অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তা আলী হোসেন সিরাজী বলেন, মোবাইলে বেশি কথা বলা যাবে না। তবে গাছগুলো আমার জায়গায় থাকায় বিক্রি করেছি। আপনার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করব। উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, তাদের নিষেধ করার পরেও গাছগুলো কেটে নেওয়া দুঃখজনক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাহাত উজ জামান বলেন, কোনো অবস্থাতেই নিলাম ছাড়া সরকারি গাছ বিক্রি করা যাবে না। খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

রামগতিতে নিলাম ছাড়াই সরকারি গাছ বিক্রি করলেন ভূমি কর্মকর্তা

আডেট সময় ০৫:৪৪:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে নিলাম ছাড়াই সরকারি ১৪টি গাছ বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দ বাজার এলাকায়।অভিযুক্ত আলী হোসেন সিরাজী হাজিরহাট ইউনিয়নের সাবেক ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) ও বর্তমানে রামগতি উপজেলার চরবাদাম ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বে রয়েছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, লক্ষ্মীপুর-রামগতি আঞ্চলিক সড়কের হাজিরহাট ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আনন্দ বাজার এলাকায় ভূমি কর্মকর্তা তহশিলদার আলী হোসেন সিরাজীর বাড়ির সামনের ১৪টি সরকারি গাছ বিক্রি করে কাটা হচ্ছে। নিয়ম অনুযায়ী, সরকারি গাছ বিক্রি করতে হলে আগে চিহ্নিত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে উন্মুক্ত নিলাম বা টেন্ডারের জন্য দরপত্রের আহ্বান করতে হয়। পরে সর্বোচ্চ দরদাতা গাছ পাবেন। কিন্তু তা না করে উপজেলা বন কর্মকর্তার কার্যালয়ের কর্মচারী কামরুলকে ম্যানেজ করে ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সিরাজী গাছগুলো স্থানীয় হারুন ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করে দেন। শনিবার (৯ মে) সকাল থেকে গাছগুলো কাটতে শুরু করেন হারুন ব্যাপারী।এর আগে ওই সড়কের গাছগুলোতে সরকার টেন্ডারের জন্য নাম্বারিং করা হয়। চলতি মাসের ১৮ তারিখে টেন্ডার আহ্বানের কথা রয়েছে। কিন্তু সরকারের নম্বর দেওয়া ১৪টি গাছ বিক্রি করেন তহসিলদার।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কাঠ ব্যবসায়ী বলেন, ১ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ওই গাছগুলো হারুন ব্যাপারীর কাছে বিক্রি করা হয়েছে। বন কর্মকর্তার অফিসের কর্মচারী কামরুলকে ম্যানেজ করেই গাছ কাটা হচ্ছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে হারুন ব্যাপারী বলেন, আমি তহসিলদার সিরাজীর কাছ থেকে গাছ কিনেছি। তাই কেটে নিচ্ছি। অভিযুক্ত ভূমি কর্মকর্তা আলী হোসেন সিরাজী বলেন, মোবাইলে বেশি কথা বলা যাবে না। তবে গাছগুলো আমার জায়গায় থাকায় বিক্রি করেছি। আপনার সঙ্গে পরে যোগাযোগ করব। উপজেলা বন কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, তাদের নিষেধ করার পরেও গাছগুলো কেটে নেওয়া দুঃখজনক। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রাহাত উজ জামান বলেন, কোনো অবস্থাতেই নিলাম ছাড়া সরকারি গাছ বিক্রি করা যাবে না। খোঁজ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে আইনগত ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।