স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার চরজাহাঙ্গীলায়া এলাকা এক প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে টাইলস মিস্ত্রী আবদুল মান্নানের সাথে অবৈধ সম্পর্কের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। এঘটনার পর ক্ষিপ্ত হয়ে প্রবাসী মনির হোসেন স্ত্রী জেসমিন আক্তারকে ২১ জুলাই এফিডেভিটের মাধ্যমে ডির্ভোস দেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে প্রবাসীর ঘরের প্রায় ৫লাখ টাকার মালামাল লুট করার অভিযোগ উঠে। পাশাপাশি জোরপূর্বক প্রবাসীর ঘর জবরদখলের চেষ্টা করে জেসমিন ও তার সহযোগিরা। তবে লুটের বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসান মাহমুদ জড়িত রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠে।
প্রবাসী মনির হোসেনর এফিডেভিট ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১০ বছর আগে উপজেলার রামগঞ্জের পানপাড়া এলাকার বাসিন্দা জেসমিন আক্তারের সাথে কমলনগর উপজেলার চরজাঙ্গালিয়া এলাকার মনির হোসেনের সাথে বিয়ে হয়। বিয়ে পর সুন্দরভাবে চলছে তাদের সংসার। এর মাঝে মনির ও জেসমিনের ঘরে জন্ম নেয় দুইটি সন্তান। মনির হোসেন প্রায় এক যুগের বেশি সময় ধরে আবুধাবিতে কর্মরত রয়েছে। এই সুযোগ ১৫ভরি স্বনালংকার ও নগদ কয়েক লাখ টাকা স্ত্রী জেসমিন আক্তারের কাছে পাঠায়। স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে টাইলস মিস্ত্রীর আবদুল মান্নানের সাথে পরকিয়া জড়িয়ে পড়েন জেসমিন। পরকিয়ার সুবাধে দুইজনের মধ্যে অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। প্রায় সময় দুইজনের দৈহিক মেলামেশার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এরপর বিষয়টি জানাজানির পর সম্প্রতি বিদেশ থেকে মনির হোসেন দেশে এসে জেসমিনকে এফিডেভিটের মাধ্যমে জেসিমনকে ডির্ভোস দেয়। কিন্তু ডির্ভোসের পরও সে প্রবাসী মনির হোসেনের ঘরে থেকে প্রায় ৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। পাশপাশি জোরপূর্বক মনির হোসেনের ঘর দখল করে রাখার চেষ্টা করে। এর আগে ২০২৪ সালে নিজের নিকট এক আত্নীয়কে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়ার পর কমলনগর থানায় একটি অভিযোগ দেয়া হয়। বর্তমানে মনির হোসেন সব হারিয়ে নি:স্ব হয়ে পড়ে। বর্তমানে বিভিন্নভাবে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয় বলে এফিডেভিটে উল্লেখ করা হয়। তবে এসব ঘটনার ইন্ধনদাতা ও জেসমিনকে মালামাল লুটের বিষয় সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠে স্থানীয় ইউপি সদস্য হাসান মাহুমদের বিরুদ্ধে।
এব্যাপারে হাজিরহাট ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হাসান মাহমুদ জানান, মনির হোসেন বিদেশে থাকার সুবাধে তার স্ত্রী জেসমিন আক্তার এভাবে পরকিয়ায় জড়াবে, ভিডিও না থাকলে এটা কেউ বিশ্বাস করতো না। ভিডিওগুলো দেখে অবাক হয়ে পড়েছি। তাকে মনির হোসেন ডির্ভোস দিয়েছে। এরপর মনিরের ঘর থেকে পুলিশের সহযোগিতায় তাকে বের করে দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেসমিনকে সহযোগিতার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেন তিনি।
কমলনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ফরিদ উদ্দিনের সাথে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তার মতামত পাওয়া যায়নি।
মেঘনার তীর 












