ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়ক,প্রায়ই ঘটেছে দূর্ঘটনা

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৪:৪০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
  • 49

স্টাফ রিপোর্টার: খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়ক। চন্দ্রগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুর অংশ পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহন। ৩০ মিনিটের পথ যেতে লাগে দুই থেকে তিন ঘন্টা। ফলে চরম ভোগান্তিতে মানুষ। দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী।

জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়কের চন্দ্রগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুর সদর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার সড়কের অধিকাঅংশেই খানাখন্দ। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও জমে আছে পানি, কোথাও কাদা আর ময়লা-আবর্জনা। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনয়ত চলাচল করছে সবধরনের যানবাহনের। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো ছেঅট বড় যানবাহন চলাচল করে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে লক্ষ্মীপুর থেকে চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কে যেতে স্বাভাবিকভাবে যেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে এখন প্রায় চারগুন সময় লাগছে। আবার অনেক সময় সড়কে যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা যানবাহন আটকে থাকতে হয়। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই সড়ক দিযে চলাচলকারী যাত্রী,সাধারন মানুষ ও পরিবহন চালকদের। প্রতিনিয়ত সড়কটির গর্তে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। গত তিনমাসে ১৫টি দূর্ঘটনায় হতাহত হয়েছে ২০জন। প্রকল্পের কাজের সাথে সাথে অন্তত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কোন নিয়ম মানা হচ্ছেনা। দিনে একাধিকবার পানি ছিটানোর কথা থাকলেও তা করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ফলে খানাখন্দের পাশাপাশি ধুলায় মানুষের ভোগান্তি আরো বাড়ছে। এছাড়া অনেক অনিয়মের অভিযোগও করেছেন অনেকেই। ঠিকমত বালু ও ইটের কনা যেভাবে দেয়ার কথা, সেটা না দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে। কোন মনিটরিং করা হচ্ছেনা।

যাত্রী ও সাধারন মানুষ ও চালকদের অভিযোগ: চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুবই করুণ। বড় বড় হাইড্রোলিক ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সড়কের বেশিরভাগ জায়গা বড়বড় গর্তের কারনে ঝুকিঁপূর্ন হয়ে উঠেছে। সড়ক দিযে চলাচল করা যাচ্ছেনা। কখন গাড়ি উলটে যায়, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়। এতে গাড়ি চালাতে কষ্ট হয়, গাড়ির বেয়ারিং নষ্ট হয়ে যায়। শরীরেও মারাত্মক ক্ষতি হয়। দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবী সবার।

সম্প্রতি মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় বেহাল সড়ক নিয়ে ক্ষোভ জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীতর কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের তাগিদ দিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। এছাড়া কোন অনিয়ম হলে সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়ক,প্রায়ই ঘটেছে দূর্ঘটনা

আডেট সময় ০৪:৪০:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: খানাখন্দে ভরা লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়ক। চন্দ্রগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুর অংশ পরিণত হয়েছে মৃত্যুফাঁদে। প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে যানবাহন। ৩০ মিনিটের পথ যেতে লাগে দুই থেকে তিন ঘন্টা। ফলে চরম ভোগান্তিতে মানুষ। দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী।

জানা যায়, লক্ষ্মীপুর-নোয়াখালী মহাসড়কের চন্দ্রগঞ্জ থেকে লক্ষ্মীপুর সদর পর্যন্ত প্রায় ১৮ কিলোমিটার সড়কের অধিকাঅংশেই খানাখন্দ। সড়কজুড়ে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত। কোথাও জমে আছে পানি, কোথাও কাদা আর ময়লা-আবর্জনা। ঝুঁকি নিয়েই প্রতিনয়ত চলাচল করছে সবধরনের যানবাহনের। প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কটির ওপর দিয়ে প্রতিদিন হাজারো ছেঅট বড় যানবাহন চলাচল করে। সড়কের বেহাল অবস্থার কারণে লক্ষ্মীপুর থেকে চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কে যেতে স্বাভাবিকভাবে যেখানে প্রায় আধা ঘণ্টা সময় লাগে, সেখানে এখন প্রায় চারগুন সময় লাগছে। আবার অনেক সময় সড়কে যন্ত্রাংশ নষ্ট হয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা যানবাহন আটকে থাকতে হয়। ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে এই সড়ক দিযে চলাচলকারী যাত্রী,সাধারন মানুষ ও পরিবহন চালকদের। প্রতিনিয়ত সড়কটির গর্তে যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাক, সিএনজিচালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল ও প্রাইভেট কার পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে। গত তিনমাসে ১৫টি দূর্ঘটনায় হতাহত হয়েছে ২০জন। প্রকল্পের কাজের সাথে সাথে অন্তত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এদিকে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, প্রকল্পের কাজ চলমান থাকলেও কোন নিয়ম মানা হচ্ছেনা। দিনে একাধিকবার পানি ছিটানোর কথা থাকলেও তা করছেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। ফলে খানাখন্দের পাশাপাশি ধুলায় মানুষের ভোগান্তি আরো বাড়ছে। এছাড়া অনেক অনিয়মের অভিযোগও করেছেন অনেকেই। ঠিকমত বালু ও ইটের কনা যেভাবে দেয়ার কথা, সেটা না দিয়ে দায়সারাভাবে কাজ করা হচ্ছে। কোন মনিটরিং করা হচ্ছেনা।

যাত্রী ও সাধারন মানুষ ও চালকদের অভিযোগ: চন্দ্রগঞ্জ পর্যন্ত সড়কটির অবস্থা খুবই করুণ। বড় বড় হাইড্রোলিক ট্রাক চলাচলের কারণে সড়ক আরও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সড়কের বেশিরভাগ জায়গা বড়বড় গর্তের কারনে ঝুকিঁপূর্ন হয়ে উঠেছে। সড়ক দিযে চলাচল করা যাচ্ছেনা। কখন গাড়ি উলটে যায়, সেই আতঙ্কে থাকতে হয়। এতে গাড়ি চালাতে কষ্ট হয়, গাড়ির বেয়ারিং নষ্ট হয়ে যায়। শরীরেও মারাত্মক ক্ষতি হয়। দ্রুত সড়কটি চলাচলের উপযোগী করে তোলার দাবী সবার।

সম্প্রতি মাসিক আইনশৃঙ্খলা সভায় বেহাল সড়ক নিয়ে ক্ষোভ জানান পানিসম্পদ মন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী। দ্রুত সংস্কারের নির্দেশনা দেন তিনি।
লক্ষ্মীপুর সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নজরুল ইসলাম বলেন, মহাসড়কটি চারলেনে উন্নীতর কাজ চলছে। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে সড়কটি দ্রুত সংস্কারের তাগিদ দিয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। এছাড়া কোন অনিয়ম হলে সেটা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।