ঢাকা ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলা: সেই মনির হোসেনের যাবজ্জীবন

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৫:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • 33

স্টাফ রিপোর্টার: চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ায় চার বছরের শিশু ধর্ষণের আলোচিত মামলায় একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ৩টায় চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর আদালত আসামিকে সাজামূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মনির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার গাংগাটিয়া গ্রামে। তিনি বাকলিয়া থানার মিয়াখাননগর এলাকায় থাকতেন।

চলতি বছরের ২১ মে নগরের বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় ডেকোরেশন কর্মচারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে থানা ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করেন। পুলিশের একটি গাড়িতে আগুনও দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ, সাংবাদিকসহ ২০ জনের বেশি আহত হন।

পরদিন ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত দ্রুত শেষ করে ৪ জুন আদালতে একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ। আদালত ৮ জুন অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। ১০ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ১৪ জুন শেষ হয়। বাদী, তদন্তকারী কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ উল আলম চৌধুরী মারুফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, আদালত আসামি মনির হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল-আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, ‘সারা দেশে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এসব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে অন্যরা এই ধরনের অপরাধে জড়ানো থেকে বিরত থাকবে।’

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

চট্টগ্রামে শিশু ধর্ষণ মামলা: সেই মনির হোসেনের যাবজ্জীবন

আডেট সময় ০৫:১১:৫৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: চট্টগ্রাম মহানগরের বাকলিয়ায় চার বছরের শিশু ধর্ষণের আলোচিত মামলায় একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বেলা ৩টায় চট্টগ্রাম মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে বিচারক সৈয়দা হাফছা ঝুমা আসামির উপস্থিতিতে এ রায় দেন। রায় ঘোষণার পর আদালত আসামিকে সাজামূলে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। মনির হোসেনের বাড়ি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর থানার গাংগাটিয়া গ্রামে। তিনি বাকলিয়া থানার মিয়াখাননগর এলাকায় থাকতেন।

চলতি বছরের ২১ মে নগরের বাকলিয়ার চেয়ারম্যানঘাটা এলাকায় ডেকোরেশন কর্মচারী মনির হোসেনের বিরুদ্ধে চার বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তকে তাঁদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবিতে থানা ঘেরাও ও সড়ক অবরোধ করেন। পুলিশের একটি গাড়িতে আগুনও দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ, সাংবাদিকসহ ২০ জনের বেশি আহত হন।

পরদিন ধর্ষণের শিকার শিশুটির বাবা বাদী হয়ে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলাটির তদন্ত দ্রুত শেষ করে ৪ জুন আদালতে একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক তানভীর আহম্মেদ। আদালত ৮ জুন অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। ১০ জুন সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ১৪ জুন শেষ হয়। বাদী, তদন্তকারী কর্মকর্তা, চিকিৎসকসহ মোট ১৮ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে আজ রায় ঘোষণা করা হয়।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর মাহমুদ উল আলম চৌধুরী মারুফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, আদালত আসামি মনির হোসেনকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মাহমুদ-উল-আলম চৌধুরী মারুফ বলেন, ‘সারা দেশে শিশু ধর্ষণ ও হত্যার একটা প্রবণতা তৈরি হয়েছে। এসব আসামির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত হলে ভবিষ্যতে অন্যরা এই ধরনের অপরাধে জড়ানো থেকে বিরত থাকবে।’