ঢাকা ০৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

জামালপুরে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৬:৩০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬
  • 61

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাচা ও ভাতিজাকে হত্যার দায়ে সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে মৃতদণ্ড প্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ  মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এই রায় ঘোষনা করেন।  মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন- শাখাওয়াত, সোহেল, আল আমিন, সাদ্দাম, অন্তর, উজ্জ্বল ও ফয়জুর৷ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন-  চান মিয়া, জিয়ার, শাহ আলম, কাওছার, সুমন, রিফাত ও মোস্তফা। সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামী এবং বাদীপক্ষ জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়- ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে মোবাইল ফোনে কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন গজারিয়া গ্রামের মহর আলী ও তাঁর ভাতিজা স্বপন। অভিযুক্ত সাখাওয়াত ও সোহেল গজারিয়াতে গান গাওয়ার কথা বলে তাঁদের নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁরা আর বাড়ি ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মাদারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরবর্তীতে ১৯ মে বিকেলে স্থানীয় ভানু ফকিরের পাটক্ষেতে দুটি ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ ও পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। স্বজনরা পরনের পোশাক দেখে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করেন। বিবাদীরা অ্যাসিড দিয়ে তাঁদের মুখমণ্ডল বিকৃত করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে রেখে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম জানান- বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী তাঁদের প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় ১৯ মে সাখাওয়াত, সোহেল, মাফিজুল ও জিয়ারসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে বিবাদী করে মাদারগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় এবং ১৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বাদীপক্ষ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

জামালপুরে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড ও সাতজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আডেট সময় ০৬:৩০:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরের মাদারগঞ্জে চাচা ও ভাতিজাকে হত্যার দায়ে সাত জনকে মৃত্যুদণ্ড ও সাত জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সাথে মৃতদণ্ড প্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ  মোহাম্মদ নেজাম উদ্দিন এই রায় ঘোষনা করেন।  মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন- শাখাওয়াত, সোহেল, আল আমিন, সাদ্দাম, অন্তর, উজ্জ্বল ও ফয়জুর৷ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা হলেন-  চান মিয়া, জিয়ার, শাহ আলম, কাওছার, সুমন, রিফাত ও মোস্তফা। সাজাপ্রাপ্ত সকল আসামী এবং বাদীপক্ষ জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ উপজেলার আদারভিটা ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার এজাহার থেকে জানা যায়- ২০১৬ সালের ১৬ মে রাতে মোবাইল ফোনে কল পেয়ে বাড়ি থেকে বের হন গজারিয়া গ্রামের মহর আলী ও তাঁর ভাতিজা স্বপন। অভিযুক্ত সাখাওয়াত ও সোহেল গজারিয়াতে গান গাওয়ার কথা বলে তাঁদের নিয়ে যায়। এরপর থেকে তাঁরা আর বাড়ি ফিরে আসেননি। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে মাদারগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরবর্তীতে ১৯ মে বিকেলে স্থানীয় ভানু ফকিরের পাটক্ষেতে দুটি ক্ষতবিক্ষত লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশ ও পরিবারকে খবর দেওয়া হয়। স্বজনরা পরনের পোশাক দেখে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করেন। বিবাদীরা অ্যাসিড দিয়ে তাঁদের মুখমণ্ডল বিকৃত করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে রেখে যায় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ দিদারুল ইসলাম জানান- বিগত ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী গোষ্ঠী তাঁদের প্রতিনিয়ত প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে আসছিল। এ ঘটনায় ১৯ মে সাখাওয়াত, সোহেল, মাফিজুল ও জিয়ারসহ ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ৪-৫ জনকে বিবাদী করে মাদারগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করে। দীর্ঘ তদন্ত শেষে পুলিশ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় এবং ১৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীদের উপস্থিতিতে এই রায় ঘোষনা করে আদালত। এই রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে বাদীপক্ষ।