ঢাকা ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

দুই বছরেও শেষ হয়না নতুন ভবনের কাজ, ১৬ বছর ধরে টিনের ঘরে শিক্ষাকার্যক্রম !

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ১১:০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 35

তাবারক হোসেন আজাদ: আমরা ১৬ বছর ধরে ছোট্ট দুইটি টিনের ঘরে পাঠদান করতে গিয়ে খুব কষ্ট পাচ্ছি। গাদাগাদি করে বসতে হয়। ভাল টয়লেট নাই, খেলার মাঠও নাই। ঝড়-বৃষ্টি হলে আমরা আতংকে থাকি। তখনই আমাদের ছুটি হয়ে যায়। নতুন ভবনে কাজ চলছে দুই বছর। দ্রুত শেষ করতে ইউএনও স্যার ও শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারের মাধ্যমে ঠিকাদারকে একটু বললে উপকার হয়।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে উত্তর চরবংশী ইউপির চরঘাসিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গেলে সায়মা ও খুকিসহ কয়েক শিশু শিক্ষার্থী এসব বলেন।

শিক্ষকরা জানান, মেঘনা নদী সংলগ্ন উত্তর চরবংশী ইউপির চরঘাসিয়া গ্রামে ৩০ শতাংশ জমিতে ২০১১ সালে তিন কক্ষ বিশিষ্ট চরঘাসিয়া সরকারি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৫বার আবেদন করার পর ২০২৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ২০২৫ সালের জানুয়ারীতে তিনতলা ভবনের একটি স্কুলের কাজ পান ঠিকাদার উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এডঃ আকবর হোসেন আরমান। দুইবার ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তা চরের স্কুলটি সরেজমিন পরিদর্শন করে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নতুন ভবনটির কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেন। প্রধান শিক্ষক জহির হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর ধরে কষ্টে রয়েছি। ইউএনও ও শিক্ষাকর্মকর্তা স্কুল পরিদর্শনের এসে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বললেও ঠিকার কাজ করছেননা। তবে ঠিকাদার আরমান হোসেন বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারনে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে।

এদিকে-কাগজে-কলমে চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্তু বাস্তবে সেখানে রয়েছে শিক্ষক সংকট, ঠিকমতো হয় না ক্লাসও। উত্তর চরবংশী ইউপির মেঘনা নদী বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শিক্ষক সংকট আর অনিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি প্রশাসনিক উদাসীনতায় ভেঙে পড়েছে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা। বছরের পর বছর ধরে চলা এই স্থবিরতায় স্থানীয়দের ক্ষোভ আকাশচুম্বী। অবকাঠামো থাকলেও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চরের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা। যা তাদের মৌলিক অধিকারকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে পরিস্থিতি কার্যকর উন্নতি হয়নি।

মেঘনার দুর্গম চরের তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (চরঘাসিয়া, চরইন্দ্রুরিয়া ও দক্ষিন চর ইন্দ্রুরিয়া) শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় শিশু শিক্ষার্থী সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনুমোদিত পদের তুলনায় অর্ধেকেরও বেশি পদ শূন্য থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে ৫-৬জন শিক্ষক দিয়েই চালাতে হচ্ছে কার্যক্রম।।।

১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চর ইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ২৩৪ জন থাকলেও চলতি বছরে নিয়মিত ক্লাস হয়না বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, শিক্ষকরা মাঝেমাধ্যে এলেও পাঠদান হয় না, তারা পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। প্রধান শিক্ষক স্বৃতিকনা পাল বলেন-১০ বছর ধরে ভবনটি ঝুকিপুর্ণ। সীমানা প্রাচির নাই।।। প্রতিদিন শিক্ষকরা স্কুলে যাতায়াত করছেন।

২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত (সম্প্রতি জাতীয়করন কৃত হয়) চর ইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ৬ জন ও শিক্ষার্থী ১৩১- জন। মুলত এতো শিক্ষার্থীও নেই। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে-রাতে অনৈতিক কর্মকান্ড হয়। তবে প্রধান শিক্ষক জান্নাতি বেগম, নতুন ভবন ও বাউনৃডারি ওয়াল দরকার। বর্ষাকাল আসলেই মাঠ পানির নীচে থাকে। নির্জন এলাকা হওয়ায় বখাটেদের আড্ডা হয়ে থাকে।

স্থানীয়রা বলছেন, মেঘনা উপকুলীয় বেরিবাঁধ এলাকা হওয়ায় ওই অঞ্চলে শিক্ষক সংকট, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং নিয়মিত তদারকির অভাবে চরের শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এসব এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উত্তর চরবংশী, দক্ষিন চরবংশী ও উত্তর চরআবাবিল ইউপির বেরিবাঁধের মেঘনা নদী সংলগ্ন ৪৭টি বিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৬৫ জন শিক্ষক। এসব বিদ্যালয়ে প্রায় ৪৩৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মঈনুল ইসলাম বলেন, দুর্গমতার কারণে নিয়মিত তদারকিতে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে শিক্ষক সংকট ও অনিয়মের বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ‘বিদ্যালয়টি নতুন ভবনের কাজ অর্ধেক শেষ। বাকি কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশনা দেয়া হয়। অনিয়মের বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

দুই বছরেও শেষ হয়না নতুন ভবনের কাজ, ১৬ বছর ধরে টিনের ঘরে শিক্ষাকার্যক্রম !

আডেট সময় ১১:০২:১০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

তাবারক হোসেন আজাদ: আমরা ১৬ বছর ধরে ছোট্ট দুইটি টিনের ঘরে পাঠদান করতে গিয়ে খুব কষ্ট পাচ্ছি। গাদাগাদি করে বসতে হয়। ভাল টয়লেট নাই, খেলার মাঠও নাই। ঝড়-বৃষ্টি হলে আমরা আতংকে থাকি। তখনই আমাদের ছুটি হয়ে যায়। নতুন ভবনে কাজ চলছে দুই বছর। দ্রুত শেষ করতে ইউএনও স্যার ও শিক্ষা কর্মকর্তা স্যারের মাধ্যমে ঠিকাদারকে একটু বললে উপকার হয়।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে উত্তর চরবংশী ইউপির চরঘাসিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় গেলে সায়মা ও খুকিসহ কয়েক শিশু শিক্ষার্থী এসব বলেন।

শিক্ষকরা জানান, মেঘনা নদী সংলগ্ন উত্তর চরবংশী ইউপির চরঘাসিয়া গ্রামে ৩০ শতাংশ জমিতে ২০১১ সালে তিন কক্ষ বিশিষ্ট চরঘাসিয়া সরকারি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৫বার আবেদন করার পর ২০২৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে ২০২৫ সালের জানুয়ারীতে তিনতলা ভবনের একটি স্কুলের কাজ পান ঠিকাদার উপজেলা যুবদলের আহবায়ক এডঃ আকবর হোসেন আরমান। দুইবার ইউএনও ও শিক্ষা কর্মকর্তা চরের স্কুলটি সরেজমিন পরিদর্শন করে দুঃখ প্রকাশ করেন এবং নতুন ভবনটির কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দেন। প্রধান শিক্ষক জহির হোসেন বলেন, আমরা শিক্ষক ও শিশু শিক্ষার্থীরা ১৬ বছর ধরে কষ্টে রয়েছি। ইউএনও ও শিক্ষাকর্মকর্তা স্কুল পরিদর্শনের এসে দ্রুত কাজ শেষ করার জন্য বললেও ঠিকার কাজ করছেননা। তবে ঠিকাদার আরমান হোসেন বলেন, বিভিন্ন সমস্যার কারনে কাজ শেষ করতে দেরি হচ্ছে।

এদিকে-কাগজে-কলমে চলছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কিন্তু বাস্তবে সেখানে রয়েছে শিক্ষক সংকট, ঠিকমতো হয় না ক্লাসও। উত্তর চরবংশী ইউপির মেঘনা নদী বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চলে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থা এখন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। শিক্ষক সংকট আর অনিয়মিত উপস্থিতির পাশাপাশি প্রশাসনিক উদাসীনতায় ভেঙে পড়েছে পুরো শিক্ষাব্যবস্থা। বছরের পর বছর ধরে চলা এই স্থবিরতায় স্থানীয়দের ক্ষোভ আকাশচুম্বী। অবকাঠামো থাকলেও শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত হচ্ছে চরের সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা। যা তাদের মৌলিক অধিকারকেই প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। গ্রামবাসীর অভিযোগ, বছরের পর বছর ধরে পরিস্থিতি কার্যকর উন্নতি হয়নি।

মেঘনার দুর্গম চরের তিনটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় (চরঘাসিয়া, চরইন্দ্রুরিয়া ও দক্ষিন চর ইন্দ্রুরিয়া) শিক্ষক ও প্রয়োজনীয় শিশু শিক্ষার্থী সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। অনুমোদিত পদের তুলনায় অর্ধেকেরও বেশি পদ শূন্য থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে ৫-৬জন শিক্ষক দিয়েই চালাতে হচ্ছে কার্যক্রম।।।

১৯২৯ সালে প্রতিষ্ঠিত চর ইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৮ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ২৩৪ জন থাকলেও চলতি বছরে নিয়মিত ক্লাস হয়না বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষার্থীরা জানায়, শিক্ষকরা মাঝেমাধ্যে এলেও পাঠদান হয় না, তারা পড়াশোনা থেকে পিছিয়ে পড়ছে। প্রধান শিক্ষক স্বৃতিকনা পাল বলেন-১০ বছর ধরে ভবনটি ঝুকিপুর্ণ। সীমানা প্রাচির নাই।।। প্রতিদিন শিক্ষকরা স্কুলে যাতায়াত করছেন।

২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত (সম্প্রতি জাতীয়করন কৃত হয়) চর ইন্দ্রুরিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ৬ জন ও শিক্ষার্থী ১৩১- জন। মুলত এতো শিক্ষার্থীও নেই। স্থানীয়দের দাবি, সেখানে-রাতে অনৈতিক কর্মকান্ড হয়। তবে প্রধান শিক্ষক জান্নাতি বেগম, নতুন ভবন ও বাউনৃডারি ওয়াল দরকার। বর্ষাকাল আসলেই মাঠ পানির নীচে থাকে। নির্জন এলাকা হওয়ায় বখাটেদের আড্ডা হয়ে থাকে।

স্থানীয়রা বলছেন, মেঘনা উপকুলীয় বেরিবাঁধ এলাকা হওয়ায় ওই অঞ্চলে শিক্ষক সংকট, প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং নিয়মিত তদারকির অভাবে চরের শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে এসব এলাকার শিক্ষাব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়বে।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা গেছে, উত্তর চরবংশী, দক্ষিন চরবংশী ও উত্তর চরআবাবিল ইউপির বেরিবাঁধের মেঘনা নদী সংলগ্ন ৪৭টি বিদ্যালয়ে অনুমোদিত পদের বিপরীতে বর্তমানে কর্মরত আছেন মাত্র ১৬৫ জন শিক্ষক। এসব বিদ্যালয়ে প্রায় ৪৩৫ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত।

রায়পুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মঈনুল ইসলাম বলেন, দুর্গমতার কারণে নিয়মিত তদারকিতে কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে শিক্ষক সংকট ও অনিয়মের বিষয়গুলো ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। ‘বিদ্যালয়টি নতুন ভবনের কাজ অর্ধেক শেষ। বাকি কাজ দ্রুত শেষ করার জন্য ঠিকাদারকে নির্দেশনা দেয়া হয়। অনিয়মের বিষয়গুলো তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’