ঢাকা ০৬:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীপুর ক্লাব লিমিটেডের তিন যুগ পুর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও গুণীজন সন্মাননা নেতৃত্বের কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে গিয়েছি: পানিসম্পদ মন্ত্রী জিয়াউর রহমানের মতো সৎ ব্যক্তি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর সৃষ্টি হয়নি: জেলা যুবদল সভাপতি ২০২৭ সালে ৩১ কোটি নতুন বই বিতরণ ও ইতিহাস বিকৃতি রোধের ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী মেয়েটি নিজেই এমপি গাজী নজরুলকে সেবা করতে চেয়েছিল: দাবি জামায়াতের এমপির কার্ডের খেলা না খেলে মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করুণ: নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার রায়পুরে খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬৫ লাখ টাকা ফেরত

বঙ্গোপসাগরে ২০ কেজির ‘সামুদ্রিক শোল, ১৪ হাজারে বিক্রি

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৩:৪২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
  • 40

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ। স্থানীয়ভাবে এই মাছটি ‘মথু’ বা ‘দাঁতিনা সুরমা’ নামে পরিচিত।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস’ আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। পরে ৭০০ টাকা কেজি দরে মোট ১৪ হাজার টাকায় মাছটি যৌথভাবে কিনে নেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ।

ট্রলারের মাঝি রুহুল আমিন জানান, বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তারা প্রায় নয় দিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন। অন্যান্য সাধারণ মাছের সঙ্গে হঠাৎ তাদের জালে উঠে আসে এই বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছটি। সাগরে টিকে থাকার কষ্টের পর এমন একটি মাছ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে তিনি ও তার সহকর্মীরা খুব আনন্দিত।

ক্রেতা আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ জানান, সচরাচর বাজারে এত বড় আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ পাওয়া যায় না। তাই তারা কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজেরা খাওয়ার জন্যই মাছটি কিনে সমান ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘সামুদ্রিক শোল মূলত গভীর সমুদ্রের একটি বিরল প্রজাতির মাছ। সাগরের পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবং এরা পর্যাপ্ত খাবার পেলে আকারে বেশ বড় হতে পারে। সাগরে নিয়মিত এমন বড় মাছ ধরা পড়লে উপকূলীয় জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, যা সামগ্রিক মৎস্য অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

বঙ্গোপসাগরে ২০ কেজির ‘সামুদ্রিক শোল, ১৪ হাজারে বিক্রি

আডেট সময় ০৩:৪২:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

কুয়াকাটা (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি: পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর বঙ্গোপসাগরে এক জেলের জালে ধরা পড়েছে ২০ কেজি ওজনের একটি বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ। স্থানীয়ভাবে এই মাছটি ‘মথু’ বা ‘দাঁতিনা সুরমা’ নামে পরিচিত।

সোমবার (২০ জুলাই) সকালে মাছটি আলিপুর মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের ‘মেসার্স ফাইভ স্টার ফিস’ আড়তে বিক্রির জন্য নিয়ে আসা হয়। এসময় মাছটি এক নজর দেখতে ভিড় করেন স্থানীয়রা। পরে ৭০০ টাকা কেজি দরে মোট ১৪ হাজার টাকায় মাছটি যৌথভাবে কিনে নেন স্থানীয় মৎস্য ব্যবসায়ী আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ।

ট্রলারের মাঝি রুহুল আমিন জানান, বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তারা প্রায় নয় দিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরছিলেন। অন্যান্য সাধারণ মাছের সঙ্গে হঠাৎ তাদের জালে উঠে আসে এই বিশাল আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছটি। সাগরে টিকে থাকার কষ্টের পর এমন একটি মাছ ভালো দামে বিক্রি করতে পেরে তিনি ও তার সহকর্মীরা খুব আনন্দিত।

ক্রেতা আব্দুর রহমান খান ও মো. সোহাগ আহমেদ জানান, সচরাচর বাজারে এত বড় আকৃতির সামুদ্রিক শোল মাছ পাওয়া যায় না। তাই তারা কোনো বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজেরা খাওয়ার জন্যই মাছটি কিনে সমান ভাগে ভাগ করে নিয়েছেন।

এ বিষয়ে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা বলেন, ‘সামুদ্রিক শোল মূলত গভীর সমুদ্রের একটি বিরল প্রজাতির মাছ। সাগরের পরিবেশ অনুকূলে থাকলে এবং এরা পর্যাপ্ত খাবার পেলে আকারে বেশ বড় হতে পারে। সাগরে নিয়মিত এমন বড় মাছ ধরা পড়লে উপকূলীয় জেলেরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন, যা সামগ্রিক মৎস্য অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’