স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমির হোস্টেলে থাকা অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মেহেদী হাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও মানববন্ধনসহ নানা কর্মসুচি অব্যাহত রয়েছে। বিচারের দাবীতে রোববার দুপুরে রামগঞ্জ চৌরাস্তার মোড়ে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীসহ অভিভাবকরা। ঘন্টাব্যাপী এই কর্মসুচি পালন করে বিভিন্ন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবী, মামলা দায়েরের ৫দিন পার হলে এখনো কেউ গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন নিহতের স্বজন ও অভিভাবকরা। মেহেদী হাসানকে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোন স্বাভাবিক ঘটনা নয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা তাকে হত্যা করে বলে দাবী করেন নিহত শিক্ষার্থীর স্বজন ও এলাকাবাসী। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবী জানান। মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, মোবাইলফোন চুরির অপবাদ দিয়ে মেহেদী হাসানের ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়। নির্যাতনের এক পর্যায়ে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু ঘটে। ঘটনাটি কে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করা হয়।
লক্ষ্মীপুরে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার( প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, জড়িতদের ধরতে পুলিশের অভিযান চলছে। পাশাপাশি ঘটনাটির মূল হোতা করা সেটাও তদন্ত করা হচ্ছে। আশা করি খুব দ্রুত সময়ে আসামীদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে আশা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, রামগঞ্জ উপজেলার ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতো। সেই ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিল। ১৬ জুন মঙ্গলবার হোস্টেল থেকে মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ ও আসবাবপত্র ভাংচুর করে। এরপর গত বৃহস্পতিবার রাতে মেহেদির বাবা জিয়াউদ্দিন বাদী হয়ে রামগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলায় ফরিদ আহমেদ ভূঁইয়া একাডেমির অধ্যক্ষ আবদুল মান্নান ও ৭ শিক্ষার্থীসহ ৮জনের নাম উল্লেখ করে আরো ১০জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়। ঘটনার পাঁচদিন পার হলেও অভিযুক্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মেঘনার তীর 



















