স্টাফ রিপোর্টার: রামগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সদস্য জাফর জমাদারসহ এলাকার চিহ্নিত বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন কর্মীদের দাবীকৃত চাঁদার টাকা না দেয়ায় জোরপূর্বক তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছেন চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী হুমায়ুন কবীর। তিনি গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীপুর ১ রামগঞ্জ আসনের সাংসদ শাহাদাত হোসেন সেলিমের কাছে প্রতিকার চেয়ে এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে একটি দরখাস্ত দিয়েছেন। এ নিয়ে পুরো এলাকা তোলপাড় শুরু হয়েছে। লিখিত বক্তব্যে ভুক্তোভুগি হুমায়ুন কবীর জানান, গত ২৩ জুন মঙ্গলবার সন্ধায় উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের চাঙ্গীরগাঁও বাজারের একটি দোকানে বসে চা পান করছিলেন। কিছুক্ষণ পর উপজেলা যুবদলের সদস্য জাফর জমাদার, সোহাগ হোসেন, নুরুল ইসলাম মিরন ও সুবলসহ অজ্ঞাত ৪/৫জন কথা আছে আমাকে মোটরসাইকেলে তুলে রামগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি খালপাড়ে নিয়ে আসে।
এসময় তারা আমাকে আওয়ামীলীগ আখ্যা দিয়ে ভয়ভীতি ও চাপ প্রয়োগ করে বলেন, আমি গত ঈদুল আযহার আগে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতিকে কোরবানীর গরু ও তার ছোট ভাই ফারুককে ২লাখ টাকা দিয়েছি। যেহেতু তুমি ঢাকায় বসে আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেছো, তাই আমাদেরও ২লাখ টাকা দিতে হবে। বিষয়ট পরিবার ও স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জানালে তাদের হস্তক্ষেপে জাফর জমাদারসহ অন্যরা রাত প্রায় পৌনে ১১টায় চন্ডিপুর ইউনিয়নের বকুলতলা বাজারে দিয়ে যায়। এসময় তারা আমাকে বার বার হুমকি দিয়ে বলে এ ঘটনার সাথে আমরা জড়িত না, ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইসমলাইল পাটোয়ারী ভুল বুঝিয়ে আপনাকে তুলে নিয়ে আসতে বলেছেন। বিষয়টি নিয়ে যেন বেশি বাড়াবাড়ি না করি।
এবিষয়ে চন্ডিপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শোয়েব পাটোয়ারী বলেন. দুই লাখ টাকার চাঁদাবাজির কথা শুনেছি। তবে এটি আসলে কতটুকু সত্য-মিথ্যা সেটা জানিনা। বিষয়টি গভীরে গেলে বের হয়ে আসবে প্রকৃত ঘটনা। উপজেলা যুবদলের সদস্য জাফর জমাদার বলেন. আমি প্রতিহিংসার শিকার। চাঁদবাজির করার প্রশ্ন আসেনা। আমার বিরুদ্ধে একটি চক্র ষড়যন্ত্র করে আসছে। ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন বলেন, একটি গ্রুপ মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। পুরোপুরি ঘটনা মিথ্যা। যারা বিগত ১৭ বছর মাঠে ছিলনা। তারাই এসব অপকর্ম নিয়ে মাঠে গুজব ছড়াচ্ছে।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও লক্ষ্মীপুর ১ রামগঞ্জ আসনের সাংসদ শাহাদাত হোসেন সেলিমের স্থানীয় প্রতিনিধি মনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি শুনে খোঁজ খবর নিচ্ছি। এরপর প্রকৃত ঘটনা জেনে সিন্ধান্ত নেয়া হবে।
মেঘনার তীর 



















