স্টাফ রিপোর্টার.লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ঘরে ডুকে একই পরিবারের মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করার ঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি। তবে পুলিশ বলছে.নিহত পরিবারের পক্ষ থেকে এখনো কোন অভিযোগ না পাওয়ায় মামলা নিতে একটু সময় লাগছে। তবে মরদেহগুলোর ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করে মামলা করার কথা রয়েছে। এছাড়া হত্যকারীর মরদেহও সদর হাসপাতাল মর্গে রয়েছে।
ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে মরদেগেুলো হস্তান্তর করা হবে। পরে পরিবারের মা ও তিন মেয়ের মরদেহ কুমিল্লার হোমনার গ্রামের বাড়িতে নিয়ে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করার কথা রয়েছে। এঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। পরিস্থিতি এখনো থমথমে অবস্থায় বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল বলেন, এখনো পুলিশের সুরাতহাল রিপোর্ট না পাওয়ায় ময়নাতদন্ত করা যাচ্ছেনা। তবে দুপুরের মধ্যে ময়নাতদন্ত সম্পূন্ন করে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
সহকারী পুলিশ সুপার(রায়পুর-সার্কেল): মো. আবদুর রাশেদ বলেন, এখন পর্যন্ত এই আলোচিত হত্যাকান্ডের ঘটনায় কোন মামলা হয়নি। মামলার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। কি কারনে এমন হত্যাকান্ডটি ঘটেছে,সেটা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে দ্রুত সময়ের মধ্যে রহস্য উদঘাটন করা যাবে বলে আশা করেন তিনি।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা আমির হোসেন মাস্টারের বাসায় ডুকে অন্তর মজুমদার নামে এক যুবক শাহীনুর বেগম ও তার মেয়ে সায়মা আক্তার,ইকরা আক্তার ও শিফা আক্তারকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। এতে এতে ঘটনাস্থলে শাহীনুর বেগম(৪০) ও বড় মেয়ে কলেজ শিক্ষার্থী সায়মা আক্তার(১৮) মারা যান। পরে রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্রে নেয়ার পর মারা যান শিফা আক্তার(৯)। গুরুতর আহত অপর কলেজ শিক্ষার্থী ইকরা আক্তারকে আশংকাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সেও মারা যান। এছাড়া ঘাতক অন্তর মজুমদারকে আটক করে গনধোলাই দেয় স্থানীয়রা। পরে তাকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে নেয়ার পর মারা যান অন্তর। সেই নোয়াখালী সুবর্ণচর এলাকার কার্তিক মজুমদারের ছেলে। তিনি রায়পুরের ভ্রাম্যমাণ ফল ব্যবসায়ী ছিলেন।