ঢাকা ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিলো আইনজীবী ফোরাম বাগেরহাটের আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যারা ইনসাফের কথা বলে,তাদের অপকর্মের শেষ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি ১ লাখ টাকার অনুদান তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

রায়পুরে মা-তিন মেয়ে হত্যাকাণ্ড পরিবারহারা সিফাতের পাশে উপজেলা প্রশাসন

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • 64

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলোচিত মা ও তিন মেয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পরিবারহারা একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাতের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার পুনর্বাসন ও ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রায় সহায়তার অংশ হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রায়পুর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিফাতের হাতে জেলা প্রশাসক এস.এম. মেহেদী হাসান ১ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জেড. এম. নাজমুল ইসলাম মিঠু, পৌর বিএনপির সভাপতি এবিএম জিলানীসহ সাংবাদিক, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় সিফাত তার মা ও তিন বোনকে হারিয়ে আজ সম্পূর্ণ পরিবারহারা। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুধু এই অনুদানেই নয়, ভবিষ্যতেও তার শিক্ষা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তায় প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

অনুদান গ্রহণের সময় সিফাত উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার মা ও তিন বোনের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা এলাকার ভাড়া বাসায় শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার, ইকরা আক্তার ও শিফা আক্তারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদারকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়। বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ওসি (তদন্ত) আবদুল মান্নান তদন্ত করছন।।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

রায়পুরে মা-তিন মেয়ে হত্যাকাণ্ড পরিবারহারা সিফাতের পাশে উপজেলা প্রশাসন

আডেট সময় ০৬:১৭:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

রায়পুর (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে আলোচিত মা ও তিন মেয়ের নৃশংস হত্যাকাণ্ডে পরিবারহারা একমাত্র জীবিত সদস্য জুনাইদ ইসলাম সিফাতের পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। তার পুনর্বাসন ও ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রায় সহায়তার অংশ হিসেবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১ লাখ টাকার আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে রায়পুর উপজেলা পরিষদের হলরুমে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সিফাতের হাতে জেলা প্রশাসক এস.এম. মেহেদী হাসান ১ লাখ টাকার অনুদানের চেক তুলে দেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি জেড. এম. নাজমুল ইসলাম মিঠু, পৌর বিএনপির সভাপতি এবিএম জিলানীসহ সাংবাদিক, প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এই মর্মান্তিক ঘটনায় সিফাত তার মা ও তিন বোনকে হারিয়ে আজ সম্পূর্ণ পরিবারহারা। মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই তার পাশে দাঁড়িয়েছে উপজেলা প্রশাসন। শুধু এই অনুদানেই নয়, ভবিষ্যতেও তার শিক্ষা, পুনর্বাসন ও প্রয়োজনীয় সহায়তায় প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে।

অনুদান গ্রহণের সময় সিফাত উপস্থিত সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার মা ও তিন বোনের হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

উল্লেখ্য, গত ২৫ জুন রায়পুর পৌরসভার ধানহাটা এলাকার ভাড়া বাসায় শাহিনুর বেগম ও তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার, ইকরা আক্তার ও শিফা আক্তারকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন অন্তর মজুমদারকে স্থানীয়রা গণপিটুনি দিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারও মৃত্যু হয়। বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডে পৃথক দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে ওসি (তদন্ত) আবদুল মান্নান তদন্ত করছন।।