স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের চরভূতা এলাকায় আদালতের নিদের্শনা না মেনে কৃষকের জমি দখলের পায়তারা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের ছত্রছায়ায় জাসদ নেতা হারুনসহ অন্যদের বিরুদ্ধে। এঘটনায় ভূক্তভোগী নজির আহমদ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা আমলে নিয়ে আদালত উক্ত ভূমিতে নিষেধজ্ঞা জারি করেন। আদালতের নির্দেশ অমান্য করে হারুন ও তার সহযোগিরা একাধিকবার ওই জমি দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। পরে পূনরায় দখল করতে গেলে বাধা দিলে নজির আহমদ ও তার পরিবারের ওপর হামলা ও ভাংচুর করা হয়। এতে নজির আহমদসহ কয়েকজন আহত হয়। এখন আবারও সে ভূমি দখল করার পায়তারা করার অভিযোগ উঠে। এছাড়া মিমাংসার নামে গ্রাম্য শালিসদাররা বিভিন্নভাবে ভূক্তভোগীকে নানাভাবে হয়রানী করার অভিযোগ রয়েছে।
চরভূতা মৌজার ১২২৬ নং খতিয়ানের ৬৫৩২ দাগে ২.৫০ ভূমির মালিকানা দাগে রেকর্ড ভুল বুঝাবুঝি কে কেন্দ্র করে আদালতে মামলা হয়। দেওয়ানী ৪০১/২০২৪। বাদী মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম বিবাদী হয়ে হারুন অর রশিদগং দের বিরুদ্ধে মামলা করেন। এরই মধ্যে নজির আহমদ পিতা মৃত হোসেন আহমদ ৩১/১/২০২৪ সালে সাব কবলা দলিল মূলে খরিদ করেন। যার দলিল নং ৭৯৮৩ নজির আহমদ। দীর্ঘ দিন থেকে সেখানে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করেন নজির। হারুন অর রশি সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ইতিপূর্বে নজির আহমেদের ওপরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা করেন। হামলা দখলের চেষ্টার অভিযোগে নজির আহমেদের গ্রহীতা নুরুল ইসলাম এর পক্ষে আদালতের নজরে আনলে আদালত নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এতেও ক্ষান্ত হননি হারুনুর রশিদ গংরা।
নজির আহমদ অভিযোগ করেন, হারুন অর রশিদ,আবুল কালাম,শাহাদাত হোসেন,তারেক হোসেন,রিয়াজ হোসেন ও জাহাঙ্গীর আলমসহ ১০/১৫ জনের একদল সন্ত্রাসী সাথে নিয়ে আবারো হামলার পরিকল্পনা করেন যেই কোন মুহূর্তে হামলা করে বাড়িঘর ভাঙচুর করে উচ্ছেদ করবেন। এরই প্রেক্ষিতে হারুনুর রশিদের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন স্যালিশদার আমাকে আমার জমি দখল করার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন। তাই আমি যেই কোন মুহূর্তে আমার জমি দখলে নেব। অসহায় নজির আহমে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির হস্তক্ষেপ কামনা করেন। অন্যাথায় এ ভূমি নিয়ে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশংকা রয়েছে
মেঘনার তীর 












