স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সরকারি মহিলা কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের ছাত্রী মুর্শিদা আক্তার নিশি দুই মাস ধরে নিখোঁজ রয়েছে। তার সন্ধানে কাজ করছে পুলিশ। মেয়েকে খুঁজে পেতে আকুতি জানিয়েছেন তার মা ছকিনা বেগম।নিশি কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা আব্দুল খালেকের মেয়ে।
এদিকে ৩ জুন একটি ইমো আইডি থেকে নিশি তার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছে। তখন সে মাকে জানায়, একটি ঘরে তাকে আটকে রাখা হয়েছে। ঘর থেকে বের হতে না পারায় সে কোথায় আছে, তা বলতে পারেনি। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত নিশির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ ডায়েরির সূত্রে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল সকালে নিশি কলেজের উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি।
নিশির বরাত দিয়ে তার মা ছকিনা বেগম বলেন, কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ঘটনার দিন তোরাবগঞ্জ থেকে সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশায় ওঠে নিশি। পথে অটোরিকশাটি নষ্ট হয়ে গেলে চালক তাকে সদর উপজেলার ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সূতারগোপ্টা এলাকায় নামিয়ে দেন। পরে সে অন্য একটি অটোরিকশায় ওঠে। সেই অটোরিকশাতেই কেউ তার মুখে স্প্রে করে তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ছকিনা বেগম বলেন, আমি আমার মেয়েকে ফেরত চাই।
নিশির চাচা আবুল বাশার বলেন, নিশি ইমোতে কল দিয়ে জানিয়েছে, তাকে একটি ঘরে আটকে রাখা হয়েছে। এক নারী তাকে খাবার দিতে আসেন। ওই নারীর মোবাইল ফোন থেকে ইমোতে কল দিয়ে সে তার মাকে বিষয়টি জানিয়েছে। দুই মাস পার হয়ে গেলেও এখনো মেয়েটিকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে নিশিকে খুঁজে বের করার অনুরোধ জানাচ্ছি।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার এসআই হুমায়ুন কবীর বলেন, ২২ এপ্রিল কলেজছাত্রী নিশি নিখোঁজ হয়। ২৫ এপ্রিল তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। মেয়েটি ইমোতে তার মায়ের সঙ্গে কথা বলেছে। তবে ইমোতে কথা বলায় সে কোথায় আছে, তা শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সে অপহরণের শিকার হয়নি
মেঘনার তীর 



















