ঢাকা ০৭:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীপুর ক্লাব লিমিটেডের তিন যুগ পুর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও গুণীজন সন্মাননা নেতৃত্বের কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে গিয়েছি: পানিসম্পদ মন্ত্রী জিয়াউর রহমানের মতো সৎ ব্যক্তি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর সৃষ্টি হয়নি: জেলা যুবদল সভাপতি ২০২৭ সালে ৩১ কোটি নতুন বই বিতরণ ও ইতিহাস বিকৃতি রোধের ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী মেয়েটি নিজেই এমপি গাজী নজরুলকে সেবা করতে চেয়েছিল: দাবি জামায়াতের এমপির কার্ডের খেলা না খেলে মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করুণ: নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার রায়পুরে খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬৫ লাখ টাকা ফেরত

লক্ষ্মীপুরে দোকানে রক্তাক্ত ব্যবসায়ী, ১২ ঘণ্টা ছিলেন অচেতন

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৭:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 24

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় মো. হারুন (৩৫) নামে এক মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী নিজের দোকানের মেঝেতে প্রায় ১২ ঘণ্টা অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তার পরিবার।রোববার (৫ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই নাজিম উদ্দিন সুজন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন।

আহত হারুন সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের মৌলভীরহাট এলাকার একজন মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী। তিনি কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার আবুল বাশারের ছেলে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বাজারে ফুটবল খেলা দেখে রাত ১টার দিকে নিজ দোকানে প্রবেশ করেন হারুন। দোকানে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই পেছন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে দোকানের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।

শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত তিনি অচেতন অবস্থায় দোকানেই পড়ে ছিলেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন দোকানে ঢুকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হারুন জানান, দোকানে প্রবেশের পর পেছন থেকে হঠাৎ মাথায় আঘাত করা হয়। অন্ধকার থাকায় তিনি হামলাকারীদের কাউকে চিনতে পারেননি। এরপর কী হয়েছে, তার আর কিছু মনে নেই।

হারুনের ভাই নাজিম উদ্দিন সুজন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের মাথায় দুটি গভীর ক্ষত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানান, ব্যবসায়ীকে আহত করার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে দোকানে রক্তাক্ত ব্যবসায়ী, ১২ ঘণ্টা ছিলেন অচেতন

আডেট সময় ০৭:৪৬:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরে দুর্বৃত্তদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত অবস্থায় মো. হারুন (৩৫) নামে এক মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী নিজের দোকানের মেঝেতে প্রায় ১২ ঘণ্টা অচেতন অবস্থায় পড়ে ছিলেন। এ ঘটনায় সদর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে তার পরিবার।রোববার (৫ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগীর ছোট ভাই নাজিম উদ্দিন সুজন বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় অভিযোগটি দায়ের করেন।

আহত হারুন সদর উপজেলার তেওয়ারীগঞ্জ ইউনিয়নের মৌলভীরহাট এলাকার একজন মোবাইল সার্ভিসিং ব্যবসায়ী। তিনি কমলনগর উপজেলার তোরাবগঞ্জ এলাকার আবুল বাশারের ছেলে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার (৪ জুলাই) রাতে বাজারে ফুটবল খেলা দেখে রাত ১টার দিকে নিজ দোকানে প্রবেশ করেন হারুন। দোকানে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গেই পেছন থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুর্বৃত্তরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মাথায় আঘাত করে। এতে তিনি জ্ঞান হারিয়ে দোকানের মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন।

শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত তিনি অচেতন অবস্থায় দোকানেই পড়ে ছিলেন। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় লোকজন দোকানে ঢুকে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন হারুন জানান, দোকানে প্রবেশের পর পেছন থেকে হঠাৎ মাথায় আঘাত করা হয়। অন্ধকার থাকায় তিনি হামলাকারীদের কাউকে চিনতে পারেননি। এরপর কী হয়েছে, তার আর কিছু মনে নেই।

হারুনের ভাই নাজিম উদ্দিন সুজন বলেন, ‘আমার ভাইয়ের মাথায় দুটি গভীর ক্ষত রয়েছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল। আমরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ জানান, ব্যবসায়ীকে আহত করার ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।