স্টাফ রিপোর্টার: দেশের দুই মহাসড়কে পৃথক বাস দুর্ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৭ আগস্ট) সকালে বগুড়া ও সিলেটে ঘটে যাওয়া এসব দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ৪০ থেকে ৪৫ জন। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, যাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ভোর সাড়ে ৫টার দিকে বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের সদর উপজেলার এরুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে কাজের অপেক্ষায় থাকা দিনমজুর ও কৃষিশ্রমিকদের ওপর উঠে যায়। এতে ঘটনাস্থলে তিনজন নিহত হন। গুরুতর আহতদের শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও চারজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে ওই দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় সাতজনে।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতরা কাজের সন্ধানে ভোরে শ্রমিকের হাটে এসেছিলেন। নিহতদের মধ্যে বগুড়া সদর উপজেলার বেলাল এবং গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার আমিরুল ও নূর আলমের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। অন্যদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
বগুড়া সদর থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) শফিকুল ইসলাম শফিক জানান, ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে শ্রমিকদের ওপর উঠে গেলে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওসমানীনগর উপজেলার দয়ামীর এলাকায় বেঙ্গল পরিবহন ও ইউনিক পরিবহনের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ইউনিক পরিবহনের বাসটি সড়কের পাশের খাদে পড়ে যায়।
পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থলেই আটজন নিহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ থেকে ৩০ জন, যাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা বলেন, নিহতরা সবাই ইউনিক পরিবহনের যাত্রী। আহতদের বেশির ভাগও একই বাসের যাত্রী। হতাহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সংঘর্ষের জন্য বেঙ্গল পরিবহনের বাসটি দায়ী। তবে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
মেঘনার তীর 













