ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিলো আইনজীবী ফোরাম বাগেরহাটের আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যারা ইনসাফের কথা বলে,তাদের অপকর্মের শেষ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু লক্ষ্মীপুরে দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের ১ কোটি ১ লাখ টাকার অনুদান তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী

৩৬ বছর ধরে ৩৫ শতক ওয়ারিশি জমি দখলে’, ভূমি উদ্ধার ও ক্ষতিপূরণ দাবি ভুক্তভোগীর

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • 70

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ বছর ধরে ওয়ারিশি সম্পত্তির ৩৫ শতক জমি দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দখলমুক্ত করে জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং দীর্ঘদিন ভোগদখলের কারণে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম।
রোববার গণমাধ্যমে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে কমলনগর উপজেলার ৭ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, তার বাবা ও চাচা ছিলেন দুই ভাই। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবার দীর্ঘদিন ময়মনসিংহে অবস্থান করায় গ্রামের বাড়িতে তারা চাচার তত্ত্বাবধানে যৌথ পরিবারে বসবাস করতেন। তিনি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাদের পরিবারকে আলাদা করে দেওয়া হয় এবং দাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তির বিভিন্ন খণ্ড চাষাবাদের জন্য বুঝিয়ে দেওয়া হলেও কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জমি পরিমাপ করে অংশ নির্ধারণ করা হয়নি।
তিনি জানান, ১৯৯০ সালের ভূমি জরিপে তারা রেকর্ডভুক্ত মালিক হলেও পরবর্তীতে একাধিকবার জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা শেষ করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চাচাতো ভাইদের গড়িমসি ও অনীহার কারণে প্রকৃত হিস্যা বুঝে পাননি বলে দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের ভাষ্য, সম্প্রতি উভয় পক্ষের সম্মতিতে একজন আমিন দিয়ে জমি পরিমাপ করা হলে রোয়েদাদ অনুযায়ী দেখা যায়, প্রতিপক্ষ প্রায় ৩৪ থেকে ৩৫ শতক জমি অতিরিক্ত ভোগদখলে রেখেছেন। তবে পরিমাপ শেষ হলেও অভিযুক্তরা রোয়েদাদে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান এবং এখনো রেকর্ডভুক্ত জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, রেকর্ডের পর গত ৩৬ বছর ধরে তাদের জমি অন্যপক্ষ ভোগদখল করে আসছে। এ কারণে জমি ফেরতের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ভোগদখলের জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের অভিযোগ, অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তারা জমি উদ্ধারে বাধার মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, দ্রুত তাদের প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে না দিলে জমি উদ্ধারের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম বা তার পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী

৩৬ বছর ধরে ৩৫ শতক ওয়ারিশি জমি দখলে’, ভূমি উদ্ধার ও ক্ষতিপূরণ দাবি ভুক্তভোগীর

আডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ বছর ধরে ওয়ারিশি সম্পত্তির ৩৫ শতক জমি দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দখলমুক্ত করে জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং দীর্ঘদিন ভোগদখলের কারণে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম।
রোববার গণমাধ্যমে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে কমলনগর উপজেলার ৭ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, তার বাবা ও চাচা ছিলেন দুই ভাই। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবার দীর্ঘদিন ময়মনসিংহে অবস্থান করায় গ্রামের বাড়িতে তারা চাচার তত্ত্বাবধানে যৌথ পরিবারে বসবাস করতেন। তিনি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাদের পরিবারকে আলাদা করে দেওয়া হয় এবং দাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তির বিভিন্ন খণ্ড চাষাবাদের জন্য বুঝিয়ে দেওয়া হলেও কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জমি পরিমাপ করে অংশ নির্ধারণ করা হয়নি।
তিনি জানান, ১৯৯০ সালের ভূমি জরিপে তারা রেকর্ডভুক্ত মালিক হলেও পরবর্তীতে একাধিকবার জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা শেষ করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চাচাতো ভাইদের গড়িমসি ও অনীহার কারণে প্রকৃত হিস্যা বুঝে পাননি বলে দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের ভাষ্য, সম্প্রতি উভয় পক্ষের সম্মতিতে একজন আমিন দিয়ে জমি পরিমাপ করা হলে রোয়েদাদ অনুযায়ী দেখা যায়, প্রতিপক্ষ প্রায় ৩৪ থেকে ৩৫ শতক জমি অতিরিক্ত ভোগদখলে রেখেছেন। তবে পরিমাপ শেষ হলেও অভিযুক্তরা রোয়েদাদে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান এবং এখনো রেকর্ডভুক্ত জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, রেকর্ডের পর গত ৩৬ বছর ধরে তাদের জমি অন্যপক্ষ ভোগদখল করে আসছে। এ কারণে জমি ফেরতের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ভোগদখলের জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের অভিযোগ, অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তারা জমি উদ্ধারে বাধার মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, দ্রুত তাদের প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে না দিলে জমি উদ্ধারের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম বা তার পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।