ঢাকা ০২:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু, বাউফলে শোকের মাতম

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আবুল কালাম (৪০), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩২), বড় মেয়ে মুন্নি (১০), ছেলে মুন্না (৮) ও ছোট মেয়ে কথা মনি (৭)।

জানা গেছে, গত রোববার ফতুল্লার ভাড়া বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের সবাই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।

প্রথমে সোমবার মারা যান পরিবারের কর্তা ও সবজি ব্যবসায়ী আবুল কালাম। তাকে পটুয়াখালীর বাউফলের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর দুই দিনের ব্যবধানে মারা যায় তাদের তিন সন্তান। সর্বশেষ শুক্রবার মারা যান স্ত্রী সায়মা আক্তার। শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সকাল ৯টায় স্বামী আবুল কালামের কবরের পাশেই মা ও তিন সন্তানকে দাফন করা হবে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারান আবুল কালাম। জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাড়ি জমান এবং সেখানে সবজির ব্যবসা শুরু করেন। কয়েকদিন আগে বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দিলে বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো পরিবার দগ্ধ হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গ্রামের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি পরিবারের সবাই একসঙ্গে চলে যাওয়ায় তাদের ভিটায় আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইল না।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু, বাউফলে শোকের মাতম

আডেট সময় ০৪:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আবুল কালাম (৪০), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩২), বড় মেয়ে মুন্নি (১০), ছেলে মুন্না (৮) ও ছোট মেয়ে কথা মনি (৭)।

জানা গেছে, গত রোববার ফতুল্লার ভাড়া বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের সবাই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।

প্রথমে সোমবার মারা যান পরিবারের কর্তা ও সবজি ব্যবসায়ী আবুল কালাম। তাকে পটুয়াখালীর বাউফলের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর দুই দিনের ব্যবধানে মারা যায় তাদের তিন সন্তান। সর্বশেষ শুক্রবার মারা যান স্ত্রী সায়মা আক্তার। শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সকাল ৯টায় স্বামী আবুল কালামের কবরের পাশেই মা ও তিন সন্তানকে দাফন করা হবে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারান আবুল কালাম। জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাড়ি জমান এবং সেখানে সবজির ব্যবসা শুরু করেন। কয়েকদিন আগে বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দিলে বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো পরিবার দগ্ধ হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গ্রামের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি পরিবারের সবাই একসঙ্গে চলে যাওয়ায় তাদের ভিটায় আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইল না।