ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু, বাউফলে শোকের মাতম

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আবুল কালাম (৪০), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩২), বড় মেয়ে মুন্নি (১০), ছেলে মুন্না (৮) ও ছোট মেয়ে কথা মনি (৭)।

জানা গেছে, গত রোববার ফতুল্লার ভাড়া বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের সবাই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।

প্রথমে সোমবার মারা যান পরিবারের কর্তা ও সবজি ব্যবসায়ী আবুল কালাম। তাকে পটুয়াখালীর বাউফলের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর দুই দিনের ব্যবধানে মারা যায় তাদের তিন সন্তান। সর্বশেষ শুক্রবার মারা যান স্ত্রী সায়মা আক্তার। শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সকাল ৯টায় স্বামী আবুল কালামের কবরের পাশেই মা ও তিন সন্তানকে দাফন করা হবে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারান আবুল কালাম। জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাড়ি জমান এবং সেখানে সবজির ব্যবসা শুরু করেন। কয়েকদিন আগে বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দিলে বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো পরিবার দগ্ধ হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গ্রামের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি পরিবারের সবাই একসঙ্গে চলে যাওয়ায় তাদের ভিটায় আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইল না।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু, বাউফলে শোকের মাতম

আডেট সময় ০৪:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আবুল কালাম (৪০), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩২), বড় মেয়ে মুন্নি (১০), ছেলে মুন্না (৮) ও ছোট মেয়ে কথা মনি (৭)।

জানা গেছে, গত রোববার ফতুল্লার ভাড়া বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের সবাই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।

প্রথমে সোমবার মারা যান পরিবারের কর্তা ও সবজি ব্যবসায়ী আবুল কালাম। তাকে পটুয়াখালীর বাউফলের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর দুই দিনের ব্যবধানে মারা যায় তাদের তিন সন্তান। সর্বশেষ শুক্রবার মারা যান স্ত্রী সায়মা আক্তার। শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সকাল ৯টায় স্বামী আবুল কালামের কবরের পাশেই মা ও তিন সন্তানকে দাফন করা হবে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারান আবুল কালাম। জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাড়ি জমান এবং সেখানে সবজির ব্যবসা শুরু করেন। কয়েকদিন আগে বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দিলে বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো পরিবার দগ্ধ হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গ্রামের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি পরিবারের সবাই একসঙ্গে চলে যাওয়ায় তাদের ভিটায় আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইল না।