ঢাকা ০৭:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী সেবার মান বাড়াতে ৫০ শয্যায় হাসপাতালকে ১০১ করতে খুব শিগগির দরপত্র আহ্বান করা হবে:স্বাস্থ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীপুর ক্লাব লিমিটেডের তিন যুগ পুর্তি উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা ও গুণীজন সন্মাননা নেতৃত্বের কারণে আমরা অনেক পিছিয়ে গিয়েছি: পানিসম্পদ মন্ত্রী জিয়াউর রহমানের মতো সৎ ব্যক্তি বাংলাদেশের ইতিহাসে আর সৃষ্টি হয়নি: জেলা যুবদল সভাপতি ২০২৭ সালে ৩১ কোটি নতুন বই বিতরণ ও ইতিহাস বিকৃতি রোধের ঘোষণা দিলেন শিক্ষামন্ত্রী মেয়েটি নিজেই এমপি গাজী নজরুলকে সেবা করতে চেয়েছিল: দাবি জামায়াতের এমপির কার্ডের খেলা না খেলে মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করুণ: নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব নিলেন স্পিকার রায়পুরে খাল খনন শেষে অব্যয়িত ৬৫ লাখ টাকা ফেরত

গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু, বাউফলে শোকের মাতম

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আবুল কালাম (৪০), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩২), বড় মেয়ে মুন্নি (১০), ছেলে মুন্না (৮) ও ছোট মেয়ে কথা মনি (৭)।

জানা গেছে, গত রোববার ফতুল্লার ভাড়া বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের সবাই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।

প্রথমে সোমবার মারা যান পরিবারের কর্তা ও সবজি ব্যবসায়ী আবুল কালাম। তাকে পটুয়াখালীর বাউফলের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর দুই দিনের ব্যবধানে মারা যায় তাদের তিন সন্তান। সর্বশেষ শুক্রবার মারা যান স্ত্রী সায়মা আক্তার। শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সকাল ৯টায় স্বামী আবুল কালামের কবরের পাশেই মা ও তিন সন্তানকে দাফন করা হবে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারান আবুল কালাম। জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাড়ি জমান এবং সেখানে সবজির ব্যবসা শুরু করেন। কয়েকদিন আগে বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দিলে বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো পরিবার দগ্ধ হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গ্রামের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি পরিবারের সবাই একসঙ্গে চলে যাওয়ায় তাদের ভিটায় আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইল না।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ সমাজকে মোবাইল ও মাদকের ভয়াবহ আসক্তি থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী

গ্যাস বিস্ফোরণে একই পরিবারের পাঁচজনের মৃত্যু, বাউফলে শোকের মাতম

আডেট সময় ০৪:২৮:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৬ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার উত্তর কনকদিয়া গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গ্যাস লাইনের বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলেন আবুল কালাম (৪০), তার স্ত্রী সায়মা আক্তার (৩২), বড় মেয়ে মুন্নি (১০), ছেলে মুন্না (৮) ও ছোট মেয়ে কথা মনি (৭)।

জানা গেছে, গত রোববার ফতুল্লার ভাড়া বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে পরিবারের সবাই গুরুতর দগ্ধ হন। পরে তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একে একে সবাই মারা যান।

প্রথমে সোমবার মারা যান পরিবারের কর্তা ও সবজি ব্যবসায়ী আবুল কালাম। তাকে পটুয়াখালীর বাউফলের উত্তর কনকদিয়া গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। এরপর দুই দিনের ব্যবধানে মারা যায় তাদের তিন সন্তান। সর্বশেষ শুক্রবার মারা যান স্ত্রী সায়মা আক্তার। শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টায় জানাজা শেষে সকাল ৯টায় স্বামী আবুল কালামের কবরের পাশেই মা ও তিন সন্তানকে দাফন করা হবে।

নিহতদের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, ছোটবেলাতেই বাবা-মাকে হারান আবুল কালাম। জীবিকার তাগিদে প্রায় দুই দশক আগে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাড়ি জমান এবং সেখানে সবজির ব্যবসা শুরু করেন। কয়েকদিন আগে বাসার গ্যাস লাইনে লিকেজ দেখা দিলে বাড়িওয়ালাকে জানানো হলেও তা মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। রোববার সকালে দিয়াশলাই জ্বালানোর সঙ্গে সঙ্গেই বিকট বিস্ফোরণ ঘটে এবং পুরো পরিবার দগ্ধ হয়।

এ মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। গ্রামের বাড়িতে চলছে আহাজারি। স্থানীয়দের ভাষ্য, একটি পরিবারের সবাই একসঙ্গে চলে যাওয়ায় তাদের ভিটায় আলো জ্বালানোর মতো আর কেউ রইল না।