স্টাফ রিপোর্টার: চাঁদপুরে পৃথক দুই ঘটনায় এক কিশোর ও এক যুবক খুন হয়েছেন। বুধবার সকালে নিহত কিশোরের মরদেহ নিয়ে স্বজন ও এলাকাবাসী সড়কে বিক্ষোভ করেছেন। পুলিশ দুই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
যমুনা রোডে কিশোর ইয়াছিন খুন: মঙ্গলবার দুপুরে শহরের যমুনা রোড এলাকায় মাত্র ২০ টাকার জাম খাওয়াকে কেন্দ্র করে বাঁশের লাঠি ও জিআই পাইপের আঘাতে মো. ইয়াছিন ( ১৪) নিহত হন। ইয়াছিন ওই এলাকার মো. ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে।
স্বজন ও স্থানীয়দের ভাষ্য, সোমবার সকালে একটি জামগাছ থেকে জাম পাড়া নিয়ে ইয়াছিনের প্রতিবেশী মুসা প্রধানিয়ার সঙ্গে এলাকার শাহজাহান মালের ছেলে মো. মেহেদী হাসানের বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মুসা মেহেদীকে মারধর শুরু করলে ইয়াছিন কারণ জানতে এগিয়ে যান। এ সময় মুসা তার হাতে থাকা বাঁশের লাঠি দিয়ে ইয়াছিনের মাথায় আঘাত করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ইয়াছিনকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেওয়ার পথে দুপুরে তার মৃত্যু হয়।
অভিযুক্ত মুসা প্রধানিয়া একই এলাকার প্রধানিয়া বাড়ির সাদেক প্রধানিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বুধবার সকালে নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা দোষীর দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে মরদেহ নিয়ে সড়কে বিক্ষোভ করেন।
অপরদিকে একই দিন হাইমচর উপজেলার ছোট লক্ষীপুর গ্রামে এজমালি পুকুরের ঘাটলা নির্মাণ নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে ওমর ফারুক,(২২) কুপিয়ে হত্যার শিকার হন। ওমর ফারুক নানা হাসমত উল্যাহ মৃধার বাড়িতে বেড়াতে এসেছিলেন। দুপুরে ঘাটলা নির্মাণ নিয়ে হাসমত উল্যাহর পরিবারের সঙ্গে একই বাড়ির প্রতিপক্ষের বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে ওমর ফারুককে কুপিয়ে জখম করা হয়। হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফয়েজ আহমেদ জানায়, কিশোর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে চারজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে
মেঘনার তীর 



















