ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

মনগড়া টিআরপি ও প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন বণ্টন চলবে না..তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার:মনগড়া টিআরপি ও পত্রিকার প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের নীতিমালা থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ভুয়া বা যাচাইহীন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গণমাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের প্রক্রিয়া আর চলবে না। রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে টেলিভিশন এডিটর্স কাউন্সিল (টিইসি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে টেলিভিশন চ্যানেলের দর্শকসংখ্যা নির্ধারণে ব্যবহৃত টিআরপি এবং পত্রিকার প্রচার সংখ্যা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। ডিজিটাল যুগে কোনো চ্যানেল কত মানুষ দেখছে, তার নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান বের করা কঠিন নয়।

তিনি আরো বলেন, মাত্র কয়েকশ’ টিআরপি’র নমুনা দিয়ে দেশের কোটি কোটি দর্শকের রুচি ও দেখার অভ্যাস নির্ধারণ করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একইভাবে মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে পত্রিকাকে বিজ্ঞাপন সুবিধা দেওয়ার নীতিতেও পরিবর্তন আনা হবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে এমন কোনো তথ্য-উপাত্তের ওপর নির্ভর করবে না, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে নতুন ব্যবস্থায় সুযোগ-সুবিধার কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন নাও আসতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি হবে নির্ভুল ও যাচাইকৃত তথ্য।

তিনি জানান, সরকার নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল টিআরপি ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল প্রিন্ট কাউন্টিং পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করছে। এই দুটি ব্যবস্থা কার্যকর হলে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য সুবিধা বণ্টন আরো স্বচ্ছ ও বাস্তবভিত্তিক হবে।

বৈঠকে আরও ছিলেন- তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ, সংগঠনটির আহ্বায়ক বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ও বার্তা প্রধান ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডিবিসি নিউজের সম্পাদক লোটন একরাম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব সময় টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জুবায়ের আহমেদ বাবু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য একাত্তর টিভির বার্তা প্রধান ও সিইও শফিক আহমেদ, বৈশাখী টেলিভিশনের বার্তা প্রধান জিয়াউল কবির সুমন, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল, চ্যানেল নাইনের নির্বাহী সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম ফরিদ, গাজী টিভির বার্তা প্রধান গাউসুল আজম বিপু, দেশ টিভির বার্তা প্রধান ও নির্বাহী কর্মকর্তা মহি উদ্দিন প্রমুখ।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

মনগড়া টিআরপি ও প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে বিজ্ঞাপন বণ্টন চলবে না..তথ্যমন্ত্রী

আডেট সময় ০২:৩৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:মনগড়া টিআরপি ও পত্রিকার প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে সরকারি বিজ্ঞাপন বণ্টনের নীতিমালা থেকে সরে আসার কথা জানিয়েছে সরকার। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, ভুয়া বা যাচাইহীন তথ্যের ওপর ভিত্তি করে গণমাধ্যমে সুযোগ-সুবিধা বণ্টনের প্রক্রিয়া আর চলবে না। রোববার (১৭ মে) সচিবালয়ে টেলিভিশন এডিটর্স কাউন্সিল (টিইসি) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে টেলিভিশন চ্যানেলের দর্শকসংখ্যা নির্ধারণে ব্যবহৃত টিআরপি এবং পত্রিকার প্রচার সংখ্যা নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে। ডিজিটাল যুগে কোনো চ্যানেল কত মানুষ দেখছে, তার নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান বের করা কঠিন নয়।

তিনি আরো বলেন, মাত্র কয়েকশ’ টিআরপি’র নমুনা দিয়ে দেশের কোটি কোটি দর্শকের রুচি ও দেখার অভ্যাস নির্ধারণ করা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। একইভাবে মনগড়া প্রচার সংখ্যার ভিত্তিতে পত্রিকাকে বিজ্ঞাপন সুবিধা দেওয়ার নীতিতেও পরিবর্তন আনা হবে।

জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, তথ্য মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে এমন কোনো তথ্য-উপাত্তের ওপর নির্ভর করবে না, যার সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। তবে নতুন ব্যবস্থায় সুযোগ-সুবিধার কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তন নাও আসতে পারে, কিন্তু সিদ্ধান্ত গ্রহণের ভিত্তি হবে নির্ভুল ও যাচাইকৃত তথ্য।

তিনি জানান, সরকার নির্ভরযোগ্য ডিজিটাল টিআরপি ব্যবস্থা এবং ডিজিটাল প্রিন্ট কাউন্টিং পদ্ধতি চালুর পরিকল্পনা করছে। এই দুটি ব্যবস্থা কার্যকর হলে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন ও অন্যান্য সুবিধা বণ্টন আরো স্বচ্ছ ও বাস্তবভিত্তিক হবে।

বৈঠকে আরও ছিলেন- তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা (পিআইও) সৈয়দ আবদাল আহমদ, সংগঠনটির আহ্বায়ক বাংলাভিশনের প্রধান সম্পাদক ও বার্তা প্রধান ড. আবদুল হাই সিদ্দিক, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ডিবিসি নিউজের সম্পাদক লোটন একরাম, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সচিব সময় টিভির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জুবায়ের আহমেদ বাবু, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য একাত্তর টিভির বার্তা প্রধান ও সিইও শফিক আহমেদ, বৈশাখী টেলিভিশনের বার্তা প্রধান জিয়াউল কবির সুমন, ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রধান বার্তা সম্পাদক মোস্তফা আকমল, চ্যানেল নাইনের নির্বাহী সম্পাদক ফরহাদুল ইসলাম ফরিদ, গাজী টিভির বার্তা প্রধান গাউসুল আজম বিপু, দেশ টিভির বার্তা প্রধান ও নির্বাহী কর্মকর্তা মহি উদ্দিন প্রমুখ।