যেভাবে মরদেহ উদ্ধার
শনিবার দুপুরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার জঙ্গলে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় যুবক মোহাম্মদ আব্দুল কাদির জ্বিলানীর ভাতিজা প্রথমে একটি শিশুকে পড়ে থাকতে দেখেন। কাছে গিয়ে মাথায় রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে দেখে তারা ভয় পেয়ে জায়গা ত্যাগ করেন এবং পরে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও পুলিশকে জানান। এরপর পুলিশ জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে।
তদন্তের অগ্রগতি
ঘটনাটি সারাদেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে এবং সামাজিক মাধ্যমেও এ নিয়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে একজনকে আটক করেছে এবং তাকে জিজ্ঞাসাবাদ চালাচ্ছে। কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, একাধিক তদন্ত দল মাঠে কাজ করছে এবং কিছু গুরুত্বপূর্ণ সূত্র পাওয়া গেছে। হত্যার প্রকৃত কারণ — এটি নিছক আইফোন ছিনতাই নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল — তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
নিহতের পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে কুমিল্লা সদর আসনের সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি এই ঘটনাকে তার দেখা অন্যতম মর্মান্তিক মৃত্যু হিসেবে উল্লেখ করে জড়িতদের বিচার তিন মাসের মধ্যে সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
সূত্র- ইনডিপেনডেন্ট টিভি
মেঘনার তীর 



















