ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময়ে ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ১১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • 27
মেঘনার তীর অনলাইন: আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই সফর ঘিরে প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরটি সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর চূড়ান্ত হয়েছে। সফর সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন। এটি চট্টগ্রামের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রেইনবো নেশন’ গড়ার ভাবনার অংশ হিসেবে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ। এতে চট্টগ্রামসহ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
নগরের রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত যাত্রীমোহন সেনগুপ্ত (জেএম সেন) হল প্রাঙ্গণ চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রতিবছর এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি থাকে সাংস্কৃতিক আয়োজন। এ কারণে পূজামণ্ডপটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনস্থলে পরিণত হয়।
১৯২০ সালে দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেন তার পিতা যাত্রীমোহন সেনগুপ্তের স্মরণে জেএম সেন হল প্রতিষ্ঠা করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থানের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময়ে ২০ অক্টোবর চট্টগ্রাম যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আডেট সময় ১১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
মেঘনার তীর অনলাইন: আগামী ২০ অক্টোবর চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার এই সফর ঘিরে প্রশাসনের পাশাপাশি বিএনপির পক্ষ থেকেও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর ঘিরে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরটি সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্ন করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (চট্টগ্রাম বিভাগ) ও চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক মাহবুবের রহমান শামীম বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফর চূড়ান্ত হয়েছে। সফর সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ বলেন, শারদীয় দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে এই প্রথম কোনো প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে আসছেন। এটি চট্টগ্রামের জন্য গর্বের বিষয়। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রেইনবো নেশন’ গড়ার ভাবনার অংশ হিসেবে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ। এতে চট্টগ্রামসহ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে।
নগরের রহমতগঞ্জ এলাকায় অবস্থিত যাত্রীমোহন সেনগুপ্ত (জেএম সেন) হল প্রাঙ্গণ চট্টগ্রামে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের অন্যতম প্রধান কেন্দ্র। প্রতিবছর এখানে কেন্দ্রীয়ভাবে দুর্গাপূজার আয়োজন করা হয়। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি থাকে সাংস্কৃতিক আয়োজন। এ কারণে পূজামণ্ডপটি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মিলনস্থলে পরিণত হয়।
১৯২০ সালে দেশপ্রিয় যতীন্দ্রমোহন সেন তার পিতা যাত্রীমোহন সেনগুপ্তের স্মরণে জেএম সেন হল প্রতিষ্ঠা করেন। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, রাজনৈতিক সংগ্রাম ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ঐতিহাসিক এই স্থানের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে।