ঢাকা ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

নদীপথ ব্যবহার করে বিপদে ভারতীয় ২ জাহাজ

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ১০:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • 127

মেঘনার তীর ডেস্ক: বাংলাদেশের নদীপথ দিয়ে কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদে গিয়েছিল ভারতীয় জাহাজ এমভি মহাকালী ও টাগবোট রুদ্র। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এনবিআরের অনুমতির অভাবে আর ফিরতে পারছে না। ১৭শ টন ফ্লাই অ্যাশ নিয়ে থেমে আছে। এদিকে ৭ দিনের মধ্যে কলকাতায় না গেলে, বাতিল হবে ফিটনেস সনদ। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, কাস্টমসের উদাসীনতাই এ ঘটনার জন্য দায়ী। এতে দুই দেশের বাণিজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ থেকে মুর্শিদাবাদের মায়াবন্দর পর্যন্ত নৌপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ২০২৪ সালে চালু হলেও ১০ দিন পর তা আবারো বন্ধ হয়ে যায়।

বন্দরটি চালুর সম্ভাবনা দেখে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল কলকাতা থেকে বাংলাদেশের নৌপথে মুর্শিদাবাদের মায়াবন্দরে যায় এমভি মহাকালী ও টাগবোট রুদ্র। কিন্তু ১০ দিনের মাথায় বন্দরটি বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ২ বছর ধরে আটকে আছে জাহাজ দুটি।

১ হাজার ৭শ টন ফ্লাই অ্যাশ বহনকারী দুই জাহাজের বাংলাদেশে প্রতিনিধি এসএস রহমান শিপিং লাইনস। তারা ফিরতি যাত্রার জন্য অনুমতি এবং কাস্টমসের পরীক্ষার জন্য এনবিআরে আবেদন করলেও, মেলেনি অনুমতি। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনবিআরের গাফিলতিতে চালু হচ্ছে না সুলতানগঞ্জ বন্দর। এতে বিপাকে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা।

রাজশাহী চেম্বারের সভাপতি হাসেন আলী বলেন, ‘রাজস্ব বোর্ড বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা পারমিশন দিচ্ছে না। আমাদের ১১টা পারমিশন দরকার। এরমধ্যে নৌপরিবহন থেকে শুরু করে সবাই ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে। শুধু রাজস্ব বোর্ড অনুমোদন দেয়নি।’

জাহাজ দুটির ফিটনেস মেয়াদ ৭ দিন পর শেষ হচ্ছে। সনদ নবায়নের জন্য এর আগেই কলকাতায় পৌঁছাতে হবে। নইলে পড়তে হবে আইনি জটিলতায়। সব বিষয়ে এনবিআরের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

নদীপথ ব্যবহার করে বিপদে ভারতীয় ২ জাহাজ

আডেট সময় ১০:৪২:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

মেঘনার তীর ডেস্ক: বাংলাদেশের নদীপথ দিয়ে কলকাতা থেকে মুর্শিদাবাদে গিয়েছিল ভারতীয় জাহাজ এমভি মহাকালী ও টাগবোট রুদ্র। কিন্তু জাতীয় রাজস্ব বোর্ড–এনবিআরের অনুমতির অভাবে আর ফিরতে পারছে না। ১৭শ টন ফ্লাই অ্যাশ নিয়ে থেমে আছে। এদিকে ৭ দিনের মধ্যে কলকাতায় না গেলে, বাতিল হবে ফিটনেস সনদ। ব্যবসায়ী নেতারা বলছেন, কাস্টমসের উদাসীনতাই এ ঘটনার জন্য দায়ী। এতে দুই দেশের বাণিজ্যেরই ক্ষতি হচ্ছে।

রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ থেকে মুর্শিদাবাদের মায়াবন্দর পর্যন্ত নৌপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। ২০২৪ সালে চালু হলেও ১০ দিন পর তা আবারো বন্ধ হয়ে যায়।

বন্দরটি চালুর সম্ভাবনা দেখে ২০২৪ সালের ৩০ এপ্রিল কলকাতা থেকে বাংলাদেশের নৌপথে মুর্শিদাবাদের মায়াবন্দরে যায় এমভি মহাকালী ও টাগবোট রুদ্র। কিন্তু ১০ দিনের মাথায় বন্দরটি বন্ধ হয়ে গেলে প্রায় ২ বছর ধরে আটকে আছে জাহাজ দুটি।

১ হাজার ৭শ টন ফ্লাই অ্যাশ বহনকারী দুই জাহাজের বাংলাদেশে প্রতিনিধি এসএস রহমান শিপিং লাইনস। তারা ফিরতি যাত্রার জন্য অনুমতি এবং কাস্টমসের পরীক্ষার জন্য এনবিআরে আবেদন করলেও, মেলেনি অনুমতি। ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, এনবিআরের গাফিলতিতে চালু হচ্ছে না সুলতানগঞ্জ বন্দর। এতে বিপাকে উভয় দেশের ব্যবসায়ীরা।

রাজশাহী চেম্বারের সভাপতি হাসেন আলী বলেন, ‘রাজস্ব বোর্ড বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তারা পারমিশন দিচ্ছে না। আমাদের ১১টা পারমিশন দরকার। এরমধ্যে নৌপরিবহন থেকে শুরু করে সবাই ক্লিয়ারেন্স দিয়ে দিয়েছে। শুধু রাজস্ব বোর্ড অনুমোদন দেয়নি।’

জাহাজ দুটির ফিটনেস মেয়াদ ৭ দিন পর শেষ হচ্ছে। সনদ নবায়নের জন্য এর আগেই কলকাতায় পৌঁছাতে হবে। নইলে পড়তে হবে আইনি জটিলতায়। সব বিষয়ে এনবিআরের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

সূত্র: ইনডিপেনডেন্ট টিভি