ঢাকা ১১:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

নেইমারের সম্পদ কত, ফুটবল ছাড়া আয়ের উৎসই বা কী?

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৮:০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
  • 128

মেঘনার তীর ডেস্ক: রোববার রাউন্ড অব সিক্সটিনে নরওয়ের কাছে ২–১ গোলে হেরে নেইমারের বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নও শেষ হয়ে গেছে। ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলো ব্রাজিল। এই পরাজয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন নেইমার। এর মাধ্যমে শেষ হলো ব্রাজিলের সঙ্গে তাঁর ১৬ বছরের যাত্রা, যাতে আছে ১২৯টি ম্যাচে ৮০টি গোল। তিনিই ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কাকতালীয়ভাবে ব্রাজিলের হয়ে যে স্টেডিয়ামে নেইমারের অভিষেক হয়েছিল, সেই স্টেডিয়ামেই শেষ হলো ব্রাজিলে নেইমার অধ্যায়।

নেইমারের মোট সম্পদ

ব্রাজিলের এই মহানায়কের ঝুলিতে হয়তো বিশ্বকাপ ট্রফি নেই, কিন্তু এর পরও তিনি বিশ্বের অন্যতম ধনী ফুটবলারদের একজন। সেলিব্রিটি নেট ওয়ার্থের হিসাবে ২০২৬ সালে নেইমারের মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪৫০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। পুরো ক্যারিয়ারে তিনি আয় করেছেন ৭০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বেশি।

নেইমারের এই সম্পদের একটি বড় অংশ এসেছে সান্তোস, বার্সেলোনা, পিএসজি এবং আল হিলালে কাটানো সময়ে। এই ক্লাবগুলো থেকে বেতন ও ট্রান্সফার-সংক্রান্ত অর্থ থেকে প্রচুর উপার্জন করেছেন। ফুটবলের বাইরেও স্পনসরশিপ চুক্তি, ইমেজ রাইটস চুক্তি এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব তাঁর আয়কে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আর এতেই তিনি হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ফুটবলার।

২০১৩ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর নেইমার লা লিগা, কোপা দেল রে এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেন। আর এর মাধ্যমেই বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাঁকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার প্রতিযোগিতা শুরু করে। এরপর ২০১৭ সালে ২২২ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকার ট্রান্সফার চুক্তিতে তিনি পিএসজিতে পাড়ি জমান। ফুটবল ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যয়বহুল ট্রান্সফার বা দলবদল। ধারণা করা হয়, নেইমারের বার্ষিক আয় অন্তত ৭০ মিলিয়ন ডলার বা ৮৪০ কোটি টাকা।

নেইমারের আয়ের অন্যান্য উৎস

মাঠের আয়ের বাইরে, নেইমারের সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে স্পনসরশিপ এবং এনডোর্সমেন্ট চুক্তি থেকে। বছরের পর বছর ধরে তিনি পুমা, রেড বুল, বিটস বাই ড্রে, ব্লেজ ক্যাসিনো, পোকারস্টারস, রিপ্লে জিন্স এবং ট্রু ফ্র্যাগ্রেন্সসহ বেশ কয়েকটি বড় ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত। ইয়াহু স্পোর্টসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেইমার কেবল পুমার সাথে তাঁর পার্টনারশিপ থেকেই বছরে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন।

এর পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট, ই-স্পোর্টস এবং ডিজিটাল মিডিয়াতেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি সরব। ২০২৬ সালের ৬ জুলাই পর্যন্ত তাঁর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ছিল ৮৫ লাখের বেশি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

নেইমারের সম্পদ কত, ফুটবল ছাড়া আয়ের উৎসই বা কী?

আডেট সময় ০৮:০৬:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

মেঘনার তীর ডেস্ক: রোববার রাউন্ড অব সিক্সটিনে নরওয়ের কাছে ২–১ গোলে হেরে নেইমারের বিশ্বকাপ ট্রফি জয়ের স্বপ্নও শেষ হয়ে গেছে। ১৯৯০ সালের পর এই প্রথম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলো ব্রাজিল। এই পরাজয়ের পর আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসরের ঘোষণা দেন নেইমার। এর মাধ্যমে শেষ হলো ব্রাজিলের সঙ্গে তাঁর ১৬ বছরের যাত্রা, যাতে আছে ১২৯টি ম্যাচে ৮০টি গোল। তিনিই ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। কাকতালীয়ভাবে ব্রাজিলের হয়ে যে স্টেডিয়ামে নেইমারের অভিষেক হয়েছিল, সেই স্টেডিয়ামেই শেষ হলো ব্রাজিলে নেইমার অধ্যায়।

নেইমারের মোট সম্পদ

ব্রাজিলের এই মহানায়কের ঝুলিতে হয়তো বিশ্বকাপ ট্রফি নেই, কিন্তু এর পরও তিনি বিশ্বের অন্যতম ধনী ফুটবলারদের একজন। সেলিব্রিটি নেট ওয়ার্থের হিসাবে ২০২৬ সালে নেইমারের মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪৫০ মিলিয়ন ডলার বা প্রায় ৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। পুরো ক্যারিয়ারে তিনি আয় করেছেন ৭০০ মিলিয়ন ডলার বা ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকার বেশি।

নেইমারের এই সম্পদের একটি বড় অংশ এসেছে সান্তোস, বার্সেলোনা, পিএসজি এবং আল হিলালে কাটানো সময়ে। এই ক্লাবগুলো থেকে বেতন ও ট্রান্সফার-সংক্রান্ত অর্থ থেকে প্রচুর উপার্জন করেছেন। ফুটবলের বাইরেও স্পনসরশিপ চুক্তি, ইমেজ রাইটস চুক্তি এবং বৈশ্বিক ব্র্যান্ডগুলোর সাথে অংশীদারিত্ব তাঁর আয়কে উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। আর এতেই তিনি হয়েছেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ফুটবলার।

২০১৩ সালে বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার পর নেইমার লা লিগা, কোপা দেল রে এবং উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ জয় করেন। আর এর মাধ্যমেই বিভিন্ন ব্র্যান্ড তাঁকে নিজেদের সঙ্গে যুক্ত করার প্রতিযোগিতা শুরু করে। এরপর ২০১৭ সালে ২২২ মিলিয়ন পাউন্ড বা ৩ হাজার ৩৭৪ কোটি টাকার ট্রান্সফার চুক্তিতে তিনি পিএসজিতে পাড়ি জমান। ফুটবল ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত সবচেয়ে ব্যয়বহুল ট্রান্সফার বা দলবদল। ধারণা করা হয়, নেইমারের বার্ষিক আয় অন্তত ৭০ মিলিয়ন ডলার বা ৮৪০ কোটি টাকা।

নেইমারের আয়ের অন্যান্য উৎস

মাঠের আয়ের বাইরে, নেইমারের সম্পদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এসেছে স্পনসরশিপ এবং এনডোর্সমেন্ট চুক্তি থেকে। বছরের পর বছর ধরে তিনি পুমা, রেড বুল, বিটস বাই ড্রে, ব্লেজ ক্যাসিনো, পোকারস্টারস, রিপ্লে জিন্স এবং ট্রু ফ্র্যাগ্রেন্সসহ বেশ কয়েকটি বড় ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত। ইয়াহু স্পোর্টসের একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, নেইমার কেবল পুমার সাথে তাঁর পার্টনারশিপ থেকেই বছরে প্রায় ৩০ মিলিয়ন ডলার আয় করেন।

এর পাশাপাশি রিয়েল এস্টেট, ই-স্পোর্টস এবং ডিজিটাল মিডিয়াতেও তাঁর বিনিয়োগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তিনি সরব। ২০২৬ সালের ৬ জুলাই পর্যন্ত তাঁর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলের সাবস্ক্রাইবার ছিল ৮৫ লাখের বেশি।