ঢাকা ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

রামগঞ্জে ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্রতিবাদে বিক্ষোভ,-ভাংচুর

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৮:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • 99

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমির হোস্টেলে থাকা অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মেহেদী হাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক-হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। নিহত স্কুল শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজারের ফ্যামিলি ফ্যাশনের মালিক জিয়া উদ্দিনের ছেলে। মেহেদী রামগঞ্জের ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলেজ হোস্টল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে নামে স্থানীয়রা। তবে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তোলে প্রতিষ্ঠানের ভিতরে ও বাইরে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ১২টায় পর্যন্ত দফায় দফায় প্রতিষ্ঠানের বাইরে-ভিতরে বিক্ষোভ ও হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে জেলা গোয়েন্দা ও রামগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে বলে জানায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে।

জানাযায়, রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজারের ফ্যামিলি ফ্যাশনের মালিক জিয়া উদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতো। সেই ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার হোস্টেল থেকে মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে দ্রুত চাটখিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ধোঁয়াশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ ও আসবাবপত্র ব্যাপক ভাংচুর করে। এতে কয়েকজন আহত হয়। এদিকে সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর মেহেদী হাসানের বাবা জিয়া উদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং তার হার্টে রিং বসানো হয়েছিল। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মেহেদী হাসানকে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোন স্বাভাবিক ঘটনা নয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা তাকে হত্যা করে বলে দাবী করেন নিহত শিক্ষার্থীর স্বজন ও এলাকাবাসী। এখবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাস্তায় নামে বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবী জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসুচির হুশিয়ারী দেন স্থানীয়রা।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যুর জেরে প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। কি কারনে ঘটনাটি ঘটেছে,সেটা বের করা হবে। হত্যা না স্বাভাবিক ঘটনা সেটা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা যাবেনা। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

রামগঞ্জে ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্রতিবাদে বিক্ষোভ,-ভাংচুর

আডেট সময় ০৮:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমির হোস্টেলে থাকা অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র মেহেদী হাসানের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে প্রতিষ্ঠানে ব্যাপক-হামলা ও ভাংচুর চালিয়েছে বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। নিহত স্কুল শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজারের ফ্যামিলি ফ্যাশনের মালিক জিয়া উদ্দিনের ছেলে। মেহেদী রামগঞ্জের ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতেন।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কলেজ হোস্টল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতিবাদে নামে স্থানীয়রা। তবে শিক্ষার্থী মেহেদী হাসানকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ তোলে প্রতিষ্ঠানের ভিতরে ও বাইরে বিক্ষোভ করে এলাকাবাসী। সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ১২টায় পর্যন্ত দফায় দফায় প্রতিষ্ঠানের বাইরে-ভিতরে বিক্ষোভ ও হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে জেলা গোয়েন্দা ও রামগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে বলে জানায় পুলিশ। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এখনো শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মধ্যে উত্তেজনা রয়েছে।

জানাযায়, রামগঞ্জ উপজেলার সোনাপুর বাজারের ফ্যামিলি ফ্যাশনের মালিক জিয়া উদ্দিনের ছেলে মেহেদী হাসান ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমিতে হোস্টেলে থেকে পড়াশোনা করতো। সেই ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিল। মঙ্গলবার হোস্টেল থেকে মেহেদী হাসানের মরদেহ উদ্ধার করে দ্রুত চাটখিল হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে তার মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ধোঁয়াশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ক্ষুব্ধ জনতা ফরিদ আহম্মেদ ভূঁইয়া একাডেমি প্রাঙ্গণে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এ সময় বিদ্যালয়ের বিভিন্ন কক্ষ ও আসবাবপত্র ব্যাপক ভাংচুর করে। এতে কয়েকজন আহত হয়। এদিকে সন্তানের মৃত্যুর সংবাদ শোনার পর মেহেদী হাসানের বাবা জিয়া উদ্দিন হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং তার হার্টে রিং বসানো হয়েছিল। বর্তমানে তার শারীরিক অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
তবে স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, মেহেদী হাসানকে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এটি কোন স্বাভাবিক ঘটনা নয়। প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা তাকে হত্যা করে বলে দাবী করেন নিহত শিক্ষার্থীর স্বজন ও এলাকাবাসী। এখবর ছড়িয়ে পড়ার পর রাস্তায় নামে বিক্ষুব্দ এলাকাবাসী। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত করে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবী জানান। অন্যথায় কঠোর কর্মসুচির হুশিয়ারী দেন স্থানীয়রা।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যুর জেরে প্রতিষ্ঠানে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়েছে। নিহত শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। কি কারনে ঘটনাটি ঘটেছে,সেটা বের করা হবে। হত্যা না স্বাভাবিক ঘটনা সেটা ময়নাতদন্ত ছাড়া বলা যাবেনা। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।