স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরে চারটি জুয়েলারি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর কথা বলে নেওয়া প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যাওয়া ব্যবসায়ী রণজিত পাল(৫০) তার স্ত্রী উর্মি পাল(৪৫) ও সান্তোষ পালসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে স্বর্ণালংকারগুলোও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন ও জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার। এর আগে ঢাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রণজিত পাল লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণকার সড়কের পাল শিল্পালয়ের স্বত্ত্বাধিকারী। তিনি পরিবার নিয়ে শহরের শাঁখারিপাড়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন। তার বাড়ি শরীয়তপুর জেলায়।
ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, রণজিত লক্ষ্মীপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী। প্রায় ৩০ বছর ধরে তিনি এ বাজারে ব্যবসা করছেন। তার সঙ্গে অন্যান্য ব্যবসায়ীদের ভালো সম্পর্ক ছিল। এক ব্যবসায়ী অন্য ব্যবসায়ীর কাছ থেকে গহনা এনে গ্রাহকদের দেখায় এবং বিক্রি করেও থাকে। সেই হিসেবে রণজিত সোমবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত ৪টি দোকান থেকে গ্রাহককে দেখানোর কথা বলে প্রায় ২২ ভরি স্বর্ণের গহনা আনেন তিনি। কিন্তু সেগুলো আর ফেরত দেননি। তার দোকান খোলা থাকলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যায়নি। ভাড়া বাসায়ও তাকে পাওয়া যায়নি। সপরিবারেই তিনি পালিয়ে গেছে বলেন স্থানীয়রা নিশ্চিত হন। পলাশ কুরী বলেন, স্বর্ণ নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় রণজিতের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করা হয়েছে। পরে রনজিতসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়।
জেলা বাজুসের সভাপতি সমীর কর্মকার বলেন, বিভিন্ন ব্যবসায়ী থেকে ২২ ভরি স্বর্ণ নিয়ে পলাতক ব্যক্তিকে ঢাকা থেকে আটক করেছে লক্ষ্মীপুর জেলা পুলিশ। পুরো স্বর্ণসহ তাদের গ্রেফতার করা হয়। জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, অভিযুক্ত রনজিত পালসহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতারনার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে।
মেঘনার তীর 



















