মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধি: ইরাকে ইরানের মিসাইল হামলায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশি হবি মিয়া পাইক ওরফে মোহাম্মদ শ্রাবণের মরদেহ দীর্ঘ ৭৪ দিন পর দেশে ফিরেছে। শুক্রবার (২৯ মে) ভোরে সরকারি ব্যবস্থাপনায় তার মরদেহ দেশে আনা হয়।
ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে তার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে মরদেহ বহনকারী বিমানটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। পরে মরদেহ মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের বকুলতলা এলাকায় তার নিজ বাড়িতে পৌঁছালে সেখানে শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে পুরো এলাকা ভারী হয়ে ওঠে।
বাদ জুমা বকুলতলা স্কুল মাঠে জানাজার নামাজ শেষে সামাজিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দুই সন্তান ও পরিবারের ভবিষ্যতের কথা বিবেচনা করে সরকারের সহযোগিতা কামনা করা হয়েছে।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ১৬ মার্চ ইরাকে ইরানের মিসাইল হামলায় নিহত হওয়ার খবর পান স্বজনরা। দীর্ঘ প্রবাসজীবন শেষে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা করেছিলেন হবি মিয়া। বাড়ির পাশেই নতুন করে সংসার গড়ার স্বপ্নে জমিও কিনেছিলেন। তবে সেই স্বপ্ন আর পূরণ হলো না। জীবিত নয়, লাশ হয়ে ফিরতে হলো পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে।
হবি মিয়ার বড় মেয়ে উম্মে হাবিবা (১৬) ও ছোট মেয়ে নাফিজা জাহান আলিশা (৯) দীর্ঘদিন ধরে বাবার মরদেহের অপেক্ষায় ছিল। নিহতের স্ত্রী খাদিজা আক্তার স্থানীয় সাংবাদিকদের বলেন, “সরকারের কাছে আমার একটাই আবেদন, যেন আমাদের সংসার চালানোর একটা ব্যবস্থা করে দেন।”
মেঘনার তীর 





















