ঢাকা ০৩:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

৩৬ বছর ধরে ৩৫ শতক ওয়ারিশি জমি দখলে’, ভূমি উদ্ধার ও ক্ষতিপূরণ দাবি ভুক্তভোগীর

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • 143

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ বছর ধরে ওয়ারিশি সম্পত্তির ৩৫ শতক জমি দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দখলমুক্ত করে জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং দীর্ঘদিন ভোগদখলের কারণে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম।
রোববার গণমাধ্যমে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে কমলনগর উপজেলার ৭ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, তার বাবা ও চাচা ছিলেন দুই ভাই। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবার দীর্ঘদিন ময়মনসিংহে অবস্থান করায় গ্রামের বাড়িতে তারা চাচার তত্ত্বাবধানে যৌথ পরিবারে বসবাস করতেন। তিনি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাদের পরিবারকে আলাদা করে দেওয়া হয় এবং দাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তির বিভিন্ন খণ্ড চাষাবাদের জন্য বুঝিয়ে দেওয়া হলেও কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জমি পরিমাপ করে অংশ নির্ধারণ করা হয়নি।
তিনি জানান, ১৯৯০ সালের ভূমি জরিপে তারা রেকর্ডভুক্ত মালিক হলেও পরবর্তীতে একাধিকবার জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা শেষ করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চাচাতো ভাইদের গড়িমসি ও অনীহার কারণে প্রকৃত হিস্যা বুঝে পাননি বলে দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের ভাষ্য, সম্প্রতি উভয় পক্ষের সম্মতিতে একজন আমিন দিয়ে জমি পরিমাপ করা হলে রোয়েদাদ অনুযায়ী দেখা যায়, প্রতিপক্ষ প্রায় ৩৪ থেকে ৩৫ শতক জমি অতিরিক্ত ভোগদখলে রেখেছেন। তবে পরিমাপ শেষ হলেও অভিযুক্তরা রোয়েদাদে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান এবং এখনো রেকর্ডভুক্ত জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, রেকর্ডের পর গত ৩৬ বছর ধরে তাদের জমি অন্যপক্ষ ভোগদখল করে আসছে। এ কারণে জমি ফেরতের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ভোগদখলের জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের অভিযোগ, অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তারা জমি উদ্ধারে বাধার মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, দ্রুত তাদের প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে না দিলে জমি উদ্ধারের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম বা তার পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

৩৬ বছর ধরে ৩৫ শতক ওয়ারিশি জমি দখলে’, ভূমি উদ্ধার ও ক্ষতিপূরণ দাবি ভুক্তভোগীর

আডেট সময় ০৬:০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নে প্রায় ৩৬ বছর ধরে ওয়ারিশি সম্পত্তির ৩৫ শতক জমি দখল করে রাখার অভিযোগ উঠেছে একই পরিবারের কয়েকজনের বিরুদ্ধে। দখলমুক্ত করে জমি বুঝিয়ে দেওয়া এবং দীর্ঘদিন ভোগদখলের কারণে ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী নজরুল ইসলাম।
রোববার গণমাধ্যমে দেওয়া এক লিখিত বক্তব্যে কমলনগর উপজেলার ৭ নম্বর হাজিরহাট ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা নজরুল ইসলাম বলেন, তার বাবা ও চাচা ছিলেন দুই ভাই। বাবার চাকরির সুবাদে পরিবার দীর্ঘদিন ময়মনসিংহে অবস্থান করায় গ্রামের বাড়িতে তারা চাচার তত্ত্বাবধানে যৌথ পরিবারে বসবাস করতেন। তিনি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাদের পরিবারকে আলাদা করে দেওয়া হয় এবং দাদার রেখে যাওয়া সম্পত্তির বিভিন্ন খণ্ড চাষাবাদের জন্য বুঝিয়ে দেওয়া হলেও কখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জমি পরিমাপ করে অংশ নির্ধারণ করা হয়নি।
তিনি জানান, ১৯৯০ সালের ভূমি জরিপে তারা রেকর্ডভুক্ত মালিক হলেও পরবর্তীতে একাধিকবার জমি পরিমাপের উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা শেষ করা হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চাচাতো ভাইদের গড়িমসি ও অনীহার কারণে প্রকৃত হিস্যা বুঝে পাননি বলে দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের ভাষ্য, সম্প্রতি উভয় পক্ষের সম্মতিতে একজন আমিন দিয়ে জমি পরিমাপ করা হলে রোয়েদাদ অনুযায়ী দেখা যায়, প্রতিপক্ষ প্রায় ৩৪ থেকে ৩৫ শতক জমি অতিরিক্ত ভোগদখলে রেখেছেন। তবে পরিমাপ শেষ হলেও অভিযুক্তরা রোয়েদাদে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানান এবং এখনো রেকর্ডভুক্ত জমি বুঝিয়ে দিচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি আরও দাবি করেন, রেকর্ডের পর গত ৩৬ বছর ধরে তাদের জমি অন্যপক্ষ ভোগদখল করে আসছে। এ কারণে জমি ফেরতের পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ভোগদখলের জন্য ক্ষতিপূরণও দাবি করেন তিনি।
নজরুল ইসলামের অভিযোগ, অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম ও তার পরিবারের সদস্যরা প্রভাবশালী হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তারা জমি উদ্ধারে বাধার মুখে পড়েছেন। তিনি বলেন, দ্রুত তাদের প্রাপ্য জমি বুঝিয়ে না দিলে জমি উদ্ধারের পাশাপাশি ক্ষতিপূরণের দাবিতে আদালতের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবেন।
এ বিষয়ে অভিযোগের সত্যতা জানতে অভিযুক্ত সিরাজুল ইসলাম বা তার পরিবারের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।