ঢাকা ০২:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ? কমলনগরে স্ত্রীর ভিডিও প্রকাশ নিয়ে বিরোধ, কিল-ঘুষি দিয়ে বৃদ্ধকে হত্যার অভিযোগ রুমিনের অভিযোগ নিয়ে যা বলেন ওসি মনজুর কাদের, আগের স্টেশনের কান্ডকীর্তি ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠনের পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি,যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন আন্দোলনের হুংকার দিবেন না, হুংকার দিয়ে লাভ নেই,রাজপথ থেকে উঠা আসা দল বিএনপি: পানি সম্পদমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানকে দেখতে হাসপাতালে রাষ্ট্রপতি লক্ষ্মীপুরে সারের ৫৭ ডিলারের ৪৫ জনই বিএনপি নেতা-কর্মী, বাদ পড়লেন পুরোনো ব্যবসায়ীরা লং মার্চ-রোড মার্চ করে সমাজে অশান্তির চেষ্টা করবেন, সেটা হতে দেয়া হবেনা: পানি সম্পদমন্ত্রী কাঁচাবাজারে আগুন: ‘জীবন এখন এক তরকারিতেই সীমাবদ্ধ, একাধিক কেনার সামর্থ্য নাই’ বাসের চাকায় পিষ্ট হয়ে এক পা হারায়: রায়পুরে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি -বধির আবদুল মান্নানের মাতবেতর জীবন-যাপন

 পৃথক দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৫:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • 137

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরে গৃহবধুকে পুড়িয়ে হত্যা ও কিশোরীকে ধর্ষণের পৃথক দুই মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।একই সাথে সাজাপ্রাপ্ত দুইজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের সন্তান আলাল সেক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামী একই উপজেলার বাঘার চর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে রাজিব হোসেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ফজলুল হক জানান- ২০০৮ সালের ২৬ মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবীতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭জনকে আসামী করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান আসামী গৃহবধূর স্বামী আলাল সেক। এছাড়াও ৯জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। তবে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক রয়েছে আসামী আলাল সেক।

অপরদিকে ২০১৫ সালের ৭ জুন রাত দেড়টার দিকে দেওয়ানগঞ্জের বাঘার চরে দশম শ্রেণী শিক্ষার্থীর বসত বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজিব হোসেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। পর দিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ৬জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

টার্গেট কিলিংয় আতঙ্ক: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা কোথায়, বিচারহীনতার দায় কার ?

 পৃথক দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আডেট সময় ০৫:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরে গৃহবধুকে পুড়িয়ে হত্যা ও কিশোরীকে ধর্ষণের পৃথক দুই মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।একই সাথে সাজাপ্রাপ্ত দুইজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের সন্তান আলাল সেক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামী একই উপজেলার বাঘার চর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে রাজিব হোসেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ফজলুল হক জানান- ২০০৮ সালের ২৬ মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবীতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭জনকে আসামী করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান আসামী গৃহবধূর স্বামী আলাল সেক। এছাড়াও ৯জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। তবে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক রয়েছে আসামী আলাল সেক।

অপরদিকে ২০১৫ সালের ৭ জুন রাত দেড়টার দিকে দেওয়ানগঞ্জের বাঘার চরে দশম শ্রেণী শিক্ষার্থীর বসত বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজিব হোসেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। পর দিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ৬জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত।