ঢাকা ১১:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত লক্ষ্মীপুরে নকল ঘির ডিলারকে লাখ টাকা জরিমানা : ৩৫০ কেজি ঘি ধ্বংস লক্ষ্মীপুরে সাংবাদিককে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় ৬জনকে আসামী করে থানায় মামলা, দুই মামলায় গ্রেফতার সন্ত্রাসী সাকিব  দীপ্ত টিভির সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলমকে গুলি, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা, বাহিনী প্রধান সাকিবকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য পরিবেশ নিশ্চিতে সমন্বিত উদ্যোগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের তিনজন নিহত রায়পুরে মাদকাসক্ত যুবকের দেয়া আগুনে পুড়ে গেছে ১১টি বসতঘরসহ৬ দোকান,অভিযুক্তকে গনপিটুনি উৎসাহ-উদ্দীপনায় শ্রী কৃষ্ণের জন্মতিথি জন্মাষ্টমী উদযাপিত সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য মন্ত্রণালয় দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ :স্থানীয় সরকার মন্ত্রী জাতীয়তাবাদের নতুন রাজনীতি সৃষ্টি করেছেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান: পানিসম্পদমন্ত্রী

 পৃথক দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৫:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
  • 60

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরে গৃহবধুকে পুড়িয়ে হত্যা ও কিশোরীকে ধর্ষণের পৃথক দুই মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।একই সাথে সাজাপ্রাপ্ত দুইজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের সন্তান আলাল সেক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামী একই উপজেলার বাঘার চর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে রাজিব হোসেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ফজলুল হক জানান- ২০০৮ সালের ২৬ মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবীতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭জনকে আসামী করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান আসামী গৃহবধূর স্বামী আলাল সেক। এছাড়াও ৯জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। তবে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক রয়েছে আসামী আলাল সেক।

অপরদিকে ২০১৫ সালের ৭ জুন রাত দেড়টার দিকে দেওয়ানগঞ্জের বাঘার চরে দশম শ্রেণী শিক্ষার্থীর বসত বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজিব হোসেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। পর দিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ৬জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত।

Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদার টাকার জন্য দোকানে ও ব্যবসায়ীর শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন দেয়ার চেষ্টা, তিন ব্যবসায়ী আহত

 পৃথক দুই মামলায় একজনের মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আডেট সময় ০৫:১৮:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জামালপুর প্রতিনিধি: জামালপুরে গৃহবধুকে পুড়িয়ে হত্যা ও কিশোরীকে ধর্ষণের পৃথক দুই মামলায় একজনকে মৃত্যুদণ্ড ও একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।একই সাথে সাজাপ্রাপ্ত দুইজনকে পাঁচ লাখ টাকা করে অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। বুধবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আব্দুর রহিম এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামী হলেন- দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামের মজর উদ্দিনের সন্তান আলাল সেক। আর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পাওয়া আসামী একই উপজেলার বাঘার চর গ্রামের জসিজল হকের ছেলে রাজিব হোসেন।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এডভোকেট ফজলুল হক জানান- ২০০৮ সালের ২৬ মে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার দক্ষিন রহিমপুর গ্রামে আলাল সেক তার স্ত্রী নাইফুল বেগমকে যৌতুকের দাবীতে মারধর করে গুরুত্বর আহত করে ও পরে আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। এই ঘটনায় নিহতের বাবা আব্দুল খালেক বাদী হয়ে ৭জনকে আসামী করে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন প্রধান আসামী গৃহবধূর স্বামী আলাল সেক। এছাড়াও ৯জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আলাল সেককে মৃত্যুদণ্ড ও পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত। তবে দীর্ঘদিন যাবত পলাতক রয়েছে আসামী আলাল সেক।

অপরদিকে ২০১৫ সালের ৭ জুন রাত দেড়টার দিকে দেওয়ানগঞ্জের বাঘার চরে দশম শ্রেণী শিক্ষার্থীর বসত বাড়িতে প্রবেশ করে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী রাজিব হোসেন। ধর্ষণের শিকার শিক্ষার্থীর ডাক চিৎকারে পরিবার ও স্বজনরা উপস্থিত হলে রাজীব হোসেন হাতেনাতে ধরা পরে। কিন্তু সে ধস্তাধস্তি করে পালিয়ে যায়। পর দিন ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দেওয়ানগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় ৬জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহন শেষে আসামীকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫ লাখ অর্থদণ্ড প্রদান করে আদালত।