স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের মোল্লারহাট এলাকায় অটোরিকসা চালক আবুল কালামকে তুলে নিয়ে একটি ঘরে আটকিয়ে বেধড়ক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় রফিকুল ইসলাম ও মোস্তফা সর্দ্দারের বিরুদ্ধে। পরে দুই লাখ টাকা চাঁদাদাবী করে অভিযুক্তরা। চাঁদা দিতে না পারায় ১৫০ টাকার ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। রাতে গুরুতর আহত অবস্থায় নির্যাতিত অটোরিকসা চালক আবুল কালামকে উদ্ধার করে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে এঘটনায় এখনো কোন মামলা হয়নি। সোমবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নির্যাতিত অটোরিকসা চালকের স্বজনরা।
নির্যাতিত অটোরিকসা চালকের মেয়ে খাদিজা বেগম ও স্থানীয়রা সদর হাসপাতালে সাংবাদিকদের জানান, রায়পুর উপজেলার কাটাখালী ব্রীজের পাশের মাদ্রাসা এলাকা থেকে শুক্রবার বিকেলে ভাড়ার কথা বলে বাবাকে থেকে ডেকে নেয় রফিকুল ইসলাম ও মোস্তফা সদ্দার্র। পরে মোল্লারহাটে একটি ঘরে আটকিয়ে রেখে বেধেঁ রাতভর শারীরিক নির্যাতন চালায় অভিযুক্তরা। এক পর্যায়ে দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে ১৫০ টাকার নন জুডিশিয়াল সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে স্থানীয়ভাবে সামান্য চিকিৎসা দিয়ে রাতে সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কি কারনে এইভাবে তাকে নির্যাতন করা হলো, এটি কোনভাবে মেনে নিতে পারছিনা। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান তিনি। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, রফিকুল ইসলাম ও মোস্তফা সর্দ্দার খুবই খারাপ প্রকৃতির লোক। এর আগেও তাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের আরো অনেক অভিযোগ রয়েছে। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও তাদের মতামত পাওয়া যায়নি।
সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. অরুপ পাল বলেন, আবুল কালামের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দিন ভূইয়া বলেন, এখন পর্যন্ত এই ঘটনায় কোন অভিযোগ পায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মেঘনার তীর 


















