ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামগঞ্জে ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু: জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ বাহাদুরাবাদ-বালাসী রুটে দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন হ্যাটট্রিক মেসির, আলজেরিয়া–০ শিশু নন্দিনী হত্যা ঘিরে উত্তপ্ত আদিতমারী, আতঙ্কে পুরুষশূন্য গ্রাম রামগঞ্জে ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু, প্রতিবাদে বিক্ষোভ,-ভাংচুর আনোয়ারায় চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলে সবুজ অবকাঠামো নিশ্চিতের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জনগণের দাবি সংবিধানের সংস্কার: বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির দেশে ফিরেছেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি আগে রাষ্ট্র গণমাধ্যমকে চোখ রাঙাত, এখন সমস্যা সমাধানে ‘সহযোগী’ হতে চায়: তথ্যমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও নারীসহ চারজন আহত, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

লক্ষ্মীপুরে বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও নারীসহ চারজন আহত, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৭:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬
  • 2

স্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আলীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন জমি নিয়ে বিরোদের জের ধরে দুই পক্ষের মদ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার বাঞ্ছানগর এলাকায় এঘটনা ঘটে। এসময় হোসেনের লোকজনের হামলায় পাঁচজন আহত হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়,  আমার স্বামী একজন বিজিবি সদস্য এবং আমার দেবর ঢাকায় ব্যাবসা করেন। বাড়িতে আমি, আমার শাশুড়ি ও আমার অসুস্থ শ্বশুর থাকি। তোফাজ্জল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আমার শ্বশুরের ক্রয়কৃত সম্পত্তি আমার শাশুড়িকে দেন। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে হোসেনের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। সে আমাদের উক্ত সম্পত্তি দখলে নিতে সাইফুল ছাদেক বাবুর সহযোগিতায় আমাদের নানাভাবে হয়রানি করে এবং আমার শ্বশুর ও শাশুড়িকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা হলে আমরা কোন মামলা মোকদ্দমা করিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন জাগায় সালিশেও আমরা উক্ত সম্পত্তির মালিক হয়।
হোসেন আমাদের উক্ত সম্পত্তিতে বিল্ডিং করতে গেলে আমরা বাঁধা প্রদান করি এবং আমরা আমাদের জমিতে একটি ঘর নির্মাণ করি। এনিয়ে আদালতে আমাদের দু’পক্ষের মামলা এবং স্থানীয়ভাবে সালিশও চলমান রয়েছে। আমাদের সম্পত্তি ও আমাদের বাড়ি একই স্থানে হওয়ায় আমরা উক্ত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা ঘরে বসবাস করতে থাকি। ঘটনার সময় আমার স্বামী ছুটিতে বাড়িতে ছিল এবং আমার দেবর ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে।

তোফাজ্জল হোসেন, তার সহযোগী সাইফুল ছাদেক বাবু, মিনহাজ উদ্দিন, মো. রহিম, রবিন হোসেন, মুন্নি আক্তার, রেহেনা বেগম, ইমন হোসেন ও ইমু আক্তারসহ অজ্ঞতা সন্ত্রাসীরা দা, ছেনী, লাঠি, লোহার রড নিয়ে আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি ও আমার দেবেরে ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা আমাদের ঘর ভাঙচুর করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। তারা আমাদের ঘরের মালামাল পার্শ্ববর্তী আলিয়া মাদ্রাসার পুকুরে পেলে দেয়। তাদের হামলায় আমার শ্বশুর-শাশুড়ি ও আমার দেবর গুরুতর আহত হয়।  এ সময় আমার স্বামী এগিয়ে আসলে তাকেও তারা লাঞ্ছিত করে। হোসেন ও বাবুসহ সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

কিন্তু ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য হোসেন,সাইফুল ছাদেক বাবু প্রভাব খাটিয়ে থানায় আমার স্বামী, আমার শ্বশুর, আমার দেবর, আমাদের নিকট আত্মীয় শাকিব পাটোয়ারীসহ আমাদের পার্শ্ববর্তী কয়েকজনকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে। আমার শ্বশুর একজন হার্টের রোগী তাকেও তারা এখন মামলার আসামি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এর আগে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তারাও একই অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন।

Tag :
লেখকের তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগঞ্জে ৮ম শ্রেনীর শিক্ষার্থীর মৃত্যু: জড়িতদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে লাশ নিয়ে বিক্ষোভ

লক্ষ্মীপুরে বাড়ি ভাঙচুর, লুটপাট ও নারীসহ চারজন আহত, প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

আডেট সময় ০৭:২০:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:লক্ষ্মীপুর পৌরসভার আলীয়া মাদ্রাসা সংলগ্ন জমি নিয়ে বিরোদের জের ধরে দুই পক্ষের মদ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার দুপুরে পৌরসভার বাঞ্ছানগর এলাকায় এঘটনা ঘটে। এসময় হোসেনের লোকজনের হামলায় পাঁচজন আহত হয়।

ভুক্তভোগী পরিবার জানায়,  আমার স্বামী একজন বিজিবি সদস্য এবং আমার দেবর ঢাকায় ব্যাবসা করেন। বাড়িতে আমি, আমার শাশুড়ি ও আমার অসুস্থ শ্বশুর থাকি। তোফাজ্জল হোসেনের সাথে দীর্ঘদিন থেকে আমাদের জমি নিয়ে বিরোধ চলছে। আমার শ্বশুরের ক্রয়কৃত সম্পত্তি আমার শাশুড়িকে দেন। উক্ত সম্পত্তি নিয়ে হোসেনের সাথে আমাদের বিরোধ চলে আসছিল। সে আমাদের উক্ত সম্পত্তি দখলে নিতে সাইফুল ছাদেক বাবুর সহযোগিতায় আমাদের নানাভাবে হয়রানি করে এবং আমার শ্বশুর ও শাশুড়িকে মেরে রক্তাক্ত জখম করে। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার কথা হলে আমরা কোন মামলা মোকদ্দমা করিনি। পরবর্তীতে বিভিন্ন জাগায় সালিশেও আমরা উক্ত সম্পত্তির মালিক হয়।
হোসেন আমাদের উক্ত সম্পত্তিতে বিল্ডিং করতে গেলে আমরা বাঁধা প্রদান করি এবং আমরা আমাদের জমিতে একটি ঘর নির্মাণ করি। এনিয়ে আদালতে আমাদের দু’পক্ষের মামলা এবং স্থানীয়ভাবে সালিশও চলমান রয়েছে। আমাদের সম্পত্তি ও আমাদের বাড়ি একই স্থানে হওয়ায় আমরা উক্ত সম্পত্তিতে নির্মাণ করা ঘরে বসবাস করতে থাকি। ঘটনার সময় আমার স্বামী ছুটিতে বাড়িতে ছিল এবং আমার দেবর ঢাকা থেকে বাড়িতে আসে।

তোফাজ্জল হোসেন, তার সহযোগী সাইফুল ছাদেক বাবু, মিনহাজ উদ্দিন, মো. রহিম, রবিন হোসেন, মুন্নি আক্তার, রেহেনা বেগম, ইমন হোসেন ও ইমু আক্তারসহ অজ্ঞতা সন্ত্রাসীরা দা, ছেনী, লাঠি, লোহার রড নিয়ে আমার শ্বশুর, আমার শাশুড়ি ও আমার দেবেরে ওপর হামলা চালায়। এ সময় তারা আমাদের ঘর ভাঙচুর করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। এবং ঘরে থাকা আসবাবপত্র ভাঙচুর করে লুটপাট চালায়। তারা আমাদের ঘরের মালামাল পার্শ্ববর্তী আলিয়া মাদ্রাসার পুকুরে পেলে দেয়। তাদের হামলায় আমার শ্বশুর-শাশুড়ি ও আমার দেবর গুরুতর আহত হয়।  এ সময় আমার স্বামী এগিয়ে আসলে তাকেও তারা লাঞ্ছিত করে। হোসেন ও বাবুসহ সন্ত্রাসীরা আমাদের ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর করে স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।

কিন্তু ঘটনাকে ভিন্ন খাতে নেওয়ার জন্য হোসেন,সাইফুল ছাদেক বাবু প্রভাব খাটিয়ে থানায় আমার স্বামী, আমার শ্বশুর, আমার দেবর, আমাদের নিকট আত্মীয় শাকিব পাটোয়ারীসহ আমাদের পার্শ্ববর্তী কয়েকজনকে মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে। আমার শ্বশুর একজন হার্টের রোগী তাকেও তারা এখন মামলার আসামি করে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তবে এর আগে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তারাও একই অভিযোগ তুলে সংবাদ সম্মেলন করেন।