ঢাকা ০৮:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রায়পুরে অটোরিকসা চালককে তুলে নিয়ে বেধড়ক নির্যাতন,দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী লক্ষ্মীপুরে ট্রাক ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ,নিহত ১.আহত-৬ রামগতি প্রেসক্লাব নির্বাচন, নিজাম সভাপতি, শাহরিয়ার সম্পাদক আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সেনাবাহিনী গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর : প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে নবীন আইনজীবীদের সংবর্ধনা দিলো আইনজীবী ফোরাম বাগেরহাটের আইনজীবী নিজাম শান্ত হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে মানববন্ধন তিন হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী: দুই চিকিৎসক ও এক নিরাপত্তাকর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা যারা ইনসাফের কথা বলে,তাদের অপকর্মের শেষ নেই: পানিসম্পদমন্ত্রী লক্ষ্মীপুরে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ লক্ষ্মীপুরে পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চন্দ্রগঞ্জের দুই ভাই নিহত

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৪:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
  • 175
স্টাফ রিপোর্টার: সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দুই সহোদর ভাই নিহত হয়েছেন। নিহতরা হচ্ছে.ফয়েজ আহমেদ সজীব(৩০) ও ফরহাদ হোসেন সুজন(২৭)। তারা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর খলিফার বাড়ি এলাকার কামারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের ছেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের স্বজনরা। চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ঘটনাটি আমাদের জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, মঙ্গলবার গভীররাতে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল নিয়ে ফিরছিলেন সজিব ও সুজন দুই ভাই। এসময় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে দুই ভাই গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হয়। দুই  ভাইয়ের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর পরিবার ও আত্নীয় স্বজনসহ চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট বাজারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সজীব ও সুজন ছিলেন ভদ্র, পরিশ্রমী ও সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। জীবিকার তাগিদে তারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি দুই ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা আবদুল মালেকসহ পরিবারের সদস্যরা।
নিহতের বাবা আবদুল মালেক বলেন, দুই ছেলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার গভীররাতে সড়ক দূর্ঘটনায়  দুইজনের মৃত্যুর হয়। সংবাদটি বুধবার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের কাছে পৌছায়। সুখের আশায় দুই ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছি। এখন কি হবে? সে দু:চিন্তায় রয়েছি।
Tag :
জনপ্রিয় সংবাদ

রায়পুরে অটোরিকসা চালককে তুলে নিয়ে বেধড়ক নির্যাতন,দুই লাখ টাকা চাঁদা দাবী

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় চন্দ্রগঞ্জের দুই ভাই নিহত

আডেট সময় ০৪:১৬:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬
স্টাফ রিপোর্টার: সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে এক সড়ক দুর্ঘটনায় লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের দুই সহোদর ভাই নিহত হয়েছেন। নিহতরা হচ্ছে.ফয়েজ আহমেদ সজীব(৩০) ও ফরহাদ হোসেন সুজন(২৭)। তারা চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের গণিপুর খলিফার বাড়ি এলাকার কামারহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আব্দুল মালেকের ছেলে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন নিহতের স্বজনরা। চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, ঘটনাটি আমাদের জানা নেই। খোঁজ নিয়ে তাদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানায়, মঙ্গলবার গভীররাতে সৌদি আরবের রিয়াদ শহরে নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালামাল নিয়ে ফিরছিলেন সজিব ও সুজন দুই ভাই। এসময় তাদের বহনকারী গাড়িটিকে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির গাড়ি ধাক্কা দেয়। এতে গাড়িটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে গিয়ে দুই ভাই গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলে তাদের মৃত্যু হয়। দুই  ভাইয়ের মৃত্যুর খবর দেশে পৌঁছানোর পর পরিবার ও আত্নীয় স্বজনসহ চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের কামারহাট বাজারসহ পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে। স্বজনদের আহাজারিতে ভারী হয়ে ওঠে এলাকার পরিবেশ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সজীব ও সুজন ছিলেন ভদ্র, পরিশ্রমী ও সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় মানুষ। জীবিকার তাগিদে তারা দীর্ঘদিন ধরে সৌদি আরবে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি দুই ছেলেকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বাবা আবদুল মালেকসহ পরিবারের সদস্যরা।
নিহতের বাবা আবদুল মালেক বলেন, দুই ছেলের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন। তিনি বলেন, মঙ্গলবার গভীররাতে সড়ক দূর্ঘটনায়  দুইজনের মৃত্যুর হয়। সংবাদটি বুধবার সন্ধ্যার দিকে পরিবারের কাছে পৌছায়। সুখের আশায় দুই ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছি। এখন কি হবে? সে দু:চিন্তায় রয়েছি।