স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা পরিষদ ভবনের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। শনিবার (২৩ মে) সকালে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করেন চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের বাসিন্দারা। এতে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।
বক্তারা জানান, দীর্ঘ ৪০ বছরের দাবির পর অবশেষে চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বাস্তবায়িত হয়েছে। এজন্য তারা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
তবে তারা অভিযোগ করেন, চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়নের নামে উপজেলা ঘোষণা করা হলেও উপজেলা ভবনসহ বিভিন্ন সরকারি স্থাপনা নির্মাণের জন্য বটতলী এলাকাকে নির্ধারণ করা হয়েছে। অথচ চন্দ্রগঞ্জ বাজার আগে থেকেই একটি সমৃদ্ধ জনপদ। এখানে থানা, বিদ্যুৎ অফিস, ভূমি অফিস, রেজিস্ট্রি অফিস, সরকারি-বেসরকারি ব্যাংক, এনজিও কার্যালয়সহ ঐতিহ্যবাহী কফিল উদ্দিন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ও প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় অবস্থিত।
বক্তারা বলেন, বটতলীতে উপজেলা পরিষদ স্থাপিত হলে অধিকাংশ বাসিন্দা সরকারি সেবা থেকে বঞ্চিত হবেন। তাই চন্দ্রগঞ্জ ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে উপজেলা পরিষদ স্থাপনের দাবি জানান তারা। তারা আরও জানান, ওই এলাকায় সরকারের ১১ একর খাস জমি রয়েছে, ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণেরও প্রয়োজন হবে না।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ, সাংবাদিক আল মামুন শিপন, হাফেজ জসিম উদ্দিন মৃধা, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাছান, দেলোয়ার হোসেন মানিক ও ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।
মেঘনার তীর 



















