ঢাকা ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬, ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রামগতিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ: সড়ক অবরোধ করে থানার সামনে বিক্ষোভ,থানায় মামলা কমলনগরে পূবালী ব্যাংকের ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন রামগতিতে এলজিইডি প্রকৌশলীর সহযোগিতায় খাল পুন:খননের মাটি ইটভাটায় ! কৃষকদের বিক্ষোভ রায়পুরে দুই মাসব্যাপী যুবকদের বিনামূল্যে ডিজিটাল মার্কেটিং প্রশিক্ষণ উদ্ধোধন বৃহস্পতিবার সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করবে সরকার : প্রধানমন্ত্রী অপরাধীদের ক্ষমতার চেয়ারে বসাচ্ছে সরকার: বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির পুলিশ দেখে নদে ঝাপ:৩৬ ঘন্টা পর ভেসে উঠলো মরদেহ নাটোরে মাকে গলা টিপে হত্যা করে ছেলে, মরদেহ ডোবায় ফেলে ছেলে ও নাতি সীমান্তে পুশইনের চেষ্টা, বিজিবি-বিএসএফের বাগযুদ্ধ, শূন্য রেখায় বৃদ্ধ

রায়পুরে হাসপাতাল-ওষুধ দোকানের বর্জ্য ছড়াচ্ছে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ১০:৫০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬
  • 48

তাবারক হোসেন আজাদ:৫০ শয্যা বিশিষ্ট লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি হাসপাতাল এবং তার সামনে শতাধিক ওষুধ দোকানগুলোর চিকিৎসা ও খাদ্যদ্রব্যের বর্জ্যের কারণে মারাত্মক পরিবেশদূষণ সৃষ্টি হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অপসারণের অভাবে সৃষ্ট দূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। হাসপাতাল সংলগ্ন পুকুর ও ডোবার আশেপাশে ফেলা চিকিৎসা বর্জ্যের পচন ও দুর্গন্ধে অতিষ্ট স্থানীয় বাসিন্দারা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রায়পুর সরকারি হাসপাতালের নিজস্ব কোনও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই। হাসপাতালের সামনে শতাধিক ওষুধ দোকান ও ৪টি বেসরকারি হাসপাতালের স্তূপ করে রাখা বর্জ্য রায়পুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত স্থানান্তরের কথা থাকলেও তারা সেটা করছে না। ফলে পুকুর ও ডোবার পাশে স্তূপ করে রাখা বর্জ্য পচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কুকুরসহ বিভিন্ন প্রাণীর বিচরণে সেগুলো আশেপাশের স্থানসহ পাশের ডোবার পানিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পরিবেশ দূষিত হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালের সামনে ও মসজিদসংলগ্ন দক্ষিন পাশে কোনও ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল, শতাধিক ওষুধের দোকান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফাস্টফুডের বর্জ্য স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এর মধ্যেই ফেলা হচ্ছে হাসপাতালের উচ্ছিষ্ট খাদ্যদ্রব্য। এমনকি ওই স্তূপের মাঝে মৃত মুরগিও পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দুর্গন্ধে বমি হওয়ার উপক্রম! সেখানে অবস্থান করা সম্ভব হচ্ছিল না। পাশেই পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়। ডোবার দক্ষিন প্রান্তে আবাসিক এলাকা এবং কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। উত্তর পাশে মসজিদ এবং পশ্চিম প্রান্তে কয়েকটি বহুতল ভবন ও শতাধিক পরিবারের বসবাস। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দুর্গন্ধ আর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে পরিবারগুলো বসবাস করছে।

হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা ও মিয়াজি বাড়ীর বাসিন্দা মিজান হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দুর্গন্ধ আর স্বাস্থ্যঝুঁকির সাথে বসবাস করছি। কর্তৃপক্ষকে হাজারবার বলার পরও কোনও কাজ হয় না। বলতে বলতে আমরা ক্লান্ত। বিশাল ডোবার পানিও হাসপাতাল ও ওষুধ দোকানের বর্জ্য আর ময়লা আবর্জনায় দূষিত। কিছুক্ষন অবস্থান তো দূরের কথা, সামনে দিয়ে হাঁটাও দায়।’

স্কুল শিক্ষক মুকুল হোসেন বলেন, বিকেল বেলায় বাড়ীর সামনে সড়কে হাঁটতে বের হই। বর্জ্যের দুর্গন্ধে তিনিসহ অন্যরা খুবই অতিষ্ট।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী জহির হোসেন বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই দেখেন– এত দুর্গন্ধ আর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বাস করা যায়? হাসপাতালে আমরা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিই, কিন্তু বাড়ীর সামনে পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বাস করি। কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, আমাদের অসহনীয় পরিবেশ থেকে মুক্তি দিন।’

ডোবার পশ্চিম প্রান্তে বসবাসকারী আবদুল খালেক বলেন, ‘এই আবর্জনার স্তূপ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। দুর্গন্ধে বাসায় থাকা যায় না। স্থানীয় দোকানদারদের বললে তারা পৌরসভার কথা বলেন। পৌরসভা এই ময়লা সরায় না। বর্জ্যে ডোবার পানি বিষাক্ত হয়ে গেছে। চা দোকানে খাওয়াও বিপজ্জনক।’

রায়পুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি এবিএম জিলানী বলেন, ‘ কয়েকটি প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, ওষুধ দোকান ও কনফেকশনারীর বর্জ্যের কারণে পুরো এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তিরত রোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। আমি চাই পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই বর্জ্য সরিয়ে নিক। একই সঙ্গে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কর্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, ‘হাসপাতালের বাহিরে গাইটের দক্ষিন পার্শ্বে মহাসড়কের পাশে ডোবায় স্তূপ করে রাখা বর্জ্য পৌর কর্তৃপক্ষ নিয়মিত স্থানান্তর করার কথা। কিন্তু তারা সেটা করছেন না। এতে পরিবেশ দূষিত হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে। ডোবার পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। পৌরসভাকে বারবার বললেও তারা কর্ণপাত করছে না।’

পৌরসভাকে পুরো দায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক আরও বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৌরসভাকে প্রায় নয় লক্ষ টাকা পৌর কর পরিশোধ করেছে। কিন্তু তাদের মান তলানিতে। এই টাকা পৌর কর্তৃপক্ষ তছরূপ করেছে। বর্জ্য অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে আমি তাদের পত্র দেবো।’

রায়পুর পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালের বর্জ্যগুলো এমনভাবে স্তূপ করে রাখা হয় যে, আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সেগুলো অপসারণ করতে গিয়ে ঝুঁকিতে পড়েন। ভাঙা কাচ ও সিরিঞ্জের আঘাতে আহত হন। আমরা বলেছি যে, তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) যেন কালো পলিথিনের প্যাকেটে করে বর্জ্যগুলো রাখে। তাহলে আমাদের কর্র্মীরা নিরাপদে সেগুলো সরিয়ে নিতে পারবেন। এরপরও আমি বর্জ্যগুলো সরিয়ে নিতে বলবো। তবে স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা একটু সচেতন হলে আমাদের কাজ সহজ হয়।’

Tag :
লেখকের তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রামগতিতে গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ: সড়ক অবরোধ করে থানার সামনে বিক্ষোভ,থানায় মামলা

রায়পুরে হাসপাতাল-ওষুধ দোকানের বর্জ্য ছড়াচ্ছে দূষণ, স্বাস্থ্যঝুঁকিতে এলাকাবাসী

আডেট সময় ১০:৫০:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

তাবারক হোসেন আজাদ:৫০ শয্যা বিশিষ্ট লক্ষ্মীপুরের রায়পুর সরকারি হাসপাতাল এবং তার সামনে শতাধিক ওষুধ দোকানগুলোর চিকিৎসা ও খাদ্যদ্রব্যের বর্জ্যের কারণে মারাত্মক পরিবেশদূষণ সৃষ্টি হয়েছে। বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও অপসারণের অভাবে সৃষ্ট দূষণে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। হাসপাতাল সংলগ্ন পুকুর ও ডোবার আশেপাশে ফেলা চিকিৎসা বর্জ্যের পচন ও দুর্গন্ধে অতিষ্ট স্থানীয় বাসিন্দারা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, রায়পুর সরকারি হাসপাতালের নিজস্ব কোনও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নেই। হাসপাতালের সামনে শতাধিক ওষুধ দোকান ও ৪টি বেসরকারি হাসপাতালের স্তূপ করে রাখা বর্জ্য রায়পুর পৌরসভা কর্তৃপক্ষ নিয়মিত স্থানান্তরের কথা থাকলেও তারা সেটা করছে না। ফলে পুকুর ও ডোবার পাশে স্তূপ করে রাখা বর্জ্য পচে গিয়ে দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে। কুকুরসহ বিভিন্ন প্রাণীর বিচরণে সেগুলো আশেপাশের স্থানসহ পাশের ডোবার পানিতে ছড়িয়ে পড়ছে। এতে পরিবেশ দূষিত হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি সৃষ্টি করছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা গেছে, সরকারি হাসপাতালের সামনে ও মসজিদসংলগ্ন দক্ষিন পাশে কোনও ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল, শতাধিক ওষুধের দোকান ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, ফাস্টফুডের বর্জ্য স্তূপ করে রাখা হয়েছে। এর মধ্যেই ফেলা হচ্ছে হাসপাতালের উচ্ছিষ্ট খাদ্যদ্রব্য। এমনকি ওই স্তূপের মাঝে মৃত মুরগিও পড়ে থাকতে দেখা গেছে। দুর্গন্ধে বমি হওয়ার উপক্রম! সেখানে অবস্থান করা সম্ভব হচ্ছিল না। পাশেই পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়। ডোবার দক্ষিন প্রান্তে আবাসিক এলাকা এবং কয়েকটি ডায়াগনস্টিক সেন্টার। উত্তর পাশে মসজিদ এবং পশ্চিম প্রান্তে কয়েকটি বহুতল ভবন ও শতাধিক পরিবারের বসবাস। এই অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে দুর্গন্ধ আর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে পরিবারগুলো বসবাস করছে।

হাসপাতাল এলাকার বাসিন্দা ও মিয়াজি বাড়ীর বাসিন্দা মিজান হোসেন বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে দুর্গন্ধ আর স্বাস্থ্যঝুঁকির সাথে বসবাস করছি। কর্তৃপক্ষকে হাজারবার বলার পরও কোনও কাজ হয় না। বলতে বলতে আমরা ক্লান্ত। বিশাল ডোবার পানিও হাসপাতাল ও ওষুধ দোকানের বর্জ্য আর ময়লা আবর্জনায় দূষিত। কিছুক্ষন অবস্থান তো দূরের কথা, সামনে দিয়ে হাঁটাও দায়।’

স্কুল শিক্ষক মুকুল হোসেন বলেন, বিকেল বেলায় বাড়ীর সামনে সড়কে হাঁটতে বের হই। বর্জ্যের দুর্গন্ধে তিনিসহ অন্যরা খুবই অতিষ্ট।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী জহির হোসেন বলেন, ‘আপনারা নিজেরাই দেখেন– এত দুর্গন্ধ আর স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বাস করা যায়? হাসপাতালে আমরা মানুষের স্বাস্থ্যসেবা দিই, কিন্তু বাড়ীর সামনে পরিবারের স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে বাস করি। কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ, আমাদের অসহনীয় পরিবেশ থেকে মুক্তি দিন।’

ডোবার পশ্চিম প্রান্তে বসবাসকারী আবদুল খালেক বলেন, ‘এই আবর্জনার স্তূপ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। দুর্গন্ধে বাসায় থাকা যায় না। স্থানীয় দোকানদারদের বললে তারা পৌরসভার কথা বলেন। পৌরসভা এই ময়লা সরায় না। বর্জ্যে ডোবার পানি বিষাক্ত হয়ে গেছে। চা দোকানে খাওয়াও বিপজ্জনক।’

রায়পুর পৌরসভার সাবেক মেয়র ও পৌর বিএনপির সভাপতি এবিএম জিলানী বলেন, ‘ কয়েকটি প্রাইভেট হাসপাতাল, ক্লিনিক, ওষুধ দোকান ও কনফেকশনারীর বর্জ্যের কারণে পুরো এলাকার পরিবেশ দূষিত হচ্ছে। হাসপাতালে ভর্তিরত রোগীর স্বজন ও এলাকাবাসী মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন। আমি চাই পৌর কর্তৃপক্ষ দ্রুত এই বর্জ্য সরিয়ে নিক। একই সঙ্গে সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য কর্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’

রায়পুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা বাহারুল আলম বলেন, ‘হাসপাতালের বাহিরে গাইটের দক্ষিন পার্শ্বে মহাসড়কের পাশে ডোবায় স্তূপ করে রাখা বর্জ্য পৌর কর্তৃপক্ষ নিয়মিত স্থানান্তর করার কথা। কিন্তু তারা সেটা করছেন না। এতে পরিবেশ দূষিত হয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করেছে। ডোবার পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। পৌরসভাকে বারবার বললেও তারা কর্ণপাত করছে না।’

পৌরসভাকে পুরো দায় দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক আরও বলেন, ‘চলতি অর্থবছরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ পৌরসভাকে প্রায় নয় লক্ষ টাকা পৌর কর পরিশোধ করেছে। কিন্তু তাদের মান তলানিতে। এই টাকা পৌর কর্তৃপক্ষ তছরূপ করেছে। বর্জ্য অপসারণের অনুরোধ জানিয়ে আমি তাদের পত্র দেবো।’

রায়পুর পৌরসভার প্রশাসক ও ইউএনও মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ‘সরকারি বা বেসরকারি হাসপাতালের বর্জ্যগুলো এমনভাবে স্তূপ করে রাখা হয় যে, আমাদের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সেগুলো অপসারণ করতে গিয়ে ঝুঁকিতে পড়েন। ভাঙা কাচ ও সিরিঞ্জের আঘাতে আহত হন। আমরা বলেছি যে, তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) যেন কালো পলিথিনের প্যাকেটে করে বর্জ্যগুলো রাখে। তাহলে আমাদের কর্র্মীরা নিরাপদে সেগুলো সরিয়ে নিতে পারবেন। এরপরও আমি বর্জ্যগুলো সরিয়ে নিতে বলবো। তবে স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা একটু সচেতন হলে আমাদের কাজ সহজ হয়।’