স্টাফ রিপোর্টার: লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় স্কুল শিক্ষক মো. সফিক উল্যাহর ১৮শতাংশ জমির পাকা ধান নষ্ট করে দিয়েছে সিদ্দিক উল্যাহর নেতৃত্বে প্রতিপক্ষর। মঙ্গলবার গভীররাতে জমির পাঁকা ধান ক্ষেতে ছিটিয়ে পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়া হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি এই জমি নিজের দাবী করে থানায় একটি অভিযোগ দেন সিদ্দিক উল্যাহ। পরে থানায় উভয় পক্ষকে নিয়ে একাধিকবার বৈঠকে হলেও সিদ্দিক উল্যাহ নিজের দাবী করা জমির কোন বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এরপর থানায় কোন কিছু করতে না পেরে পূনরায় শিক্ষক সফিক উল্যাহকে বিবাদী করে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন সিদ্দিক উল্যাহ। মামলাটি বর্তমানে তদন্ত অবস্থায় রয়েছে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সিদ্দিক উল্যাহ রাতের অন্ধকারে লোকজন নিয়ে পাঁকা ধান জমিতে মাড়িয়ে নষ্ট করে দেন। এঘটনায় এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জড়িতদের চিহিৃত করে গ্রেফতারের দাবী জানান স্থানীয়রা।
শিক্ষক সফিক উল্যাহ ও স্থানীয়রা জানায়, সদর উপজেলার আটিয়াতলী এলাকায় ১৮শতাংশ জমিতে বোরো ধান চাষ করেন শিক্ষকের বর্গাচাষী হাফিজ উদ্দিন। গত দুইদিন ধরে জমির ধানগুলো কর্তন করে জমিতে রাখেন সফিক উল্যাহর বর্গাচাষী হাফিজ। বুধবার সকালে ধান আনতে ক্ষেতে গিয়ে দেখতে পান যে. জমির পুরো ধান মাড়িয়ে দিয়ে পুরোপুরি নষ্ট করে দেয়া হয়। এতে করে শিক্ষক ও বর্গাচাষী পরিবারের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয় বলে জানান স্থানীয়রা। বগাচার্ষী হাফিজ উদ্দিন জানান, শিক্ষক সফিক উল্যাহর কাছ থেকে ১৮ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে ১৫ হাজার টাকা লোন করে জমিতে বোরো ধান চাষ করেন। বিগত ৪০ বছর ধরে জমিতে তিনি চাষ করে আসছেন। কোন দিন এই ধরনের ঘটনা ঘটেনি বলে দাবী করেন তিনি। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন সিদ্দিক উল্যাহ।
লাহারকান্দি ইউপি সদস্য আবদুল মুকিত বলেন, জমি নিয়ে বিরোধ থাকতে পারে, কিন্তু জমির পাকাঁ ধান ঘরে তুলবে এই অবস্থায় পুরোপুরি ধান ক্ষেতে মাড়িয়ে দিয়ে নষ্ট করে দেয়ায় অন্যায় হয়েছে। এটি কোনভাবে কাম্য হতে পারেনা। জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান এই জনপ্রতিনিধি। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. ওয়াহিদ পারভেজ জানান, বিষয়টি কেউ জানায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা করা হবে।
মেঘনার তীর 



















