ঢাকা ১১:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লক্ষ্মীপুরে চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুঁতে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ সমাজ পুর্নগঠনে সাংবাদিকদের সহযোগীতা চাইলেন সমাজকল্যানমন্ত্রী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার ৭৪ দিন পর দেশে ফিরল ইরাকে নিহত প্রবাসী হবি মিয়ার মরদেহ, আহাজারি লাউয়াছড়ায় তেলবাহী ট্রেন লাইনচ্যুত, সিলেটের সঙ্গে রেল যোগাযোগ বন্ধ লক্ষ্মীপুরে মেঘনার পাড় যেন ‘মিনি কক্সবাজার’ জনসমুদ্র কমলনগরে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঈদ পুনর্মিলনী ও মশাল মিছিলের ভিডিও ভাইরাল সমঝোতায় পৌঁছেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র, অপেক্ষা ট্রাম্পের ষড়যন্ত্র, চক্রান্ত না করে, সরকারের ভুল ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন রুহুল কবির রিজভী জনগণের অধিকার নিয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে: এমপি বীথিকা বিনতে হোসাইন

লক্ষ্মীপুরে হাটবাজার ও পশুরহাট: পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে চরম অবহেলা

  • মেঘনার তীর
  • আডেট সময় ০৮:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
  • 15

তাবারক হোসেন আজাদ: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ ৫টি উপজেলার স্থায়ী হাটবাজার ও পশুর হাটগুলোতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন বাজার গড়তে এবং তা না মানলে প্রশাসনের উদ্যোগে করার উদ্যোগের কথা সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেননা ইজারাদার ও ইউপি পরিষদ। গত কয়েক বছর দিনের পরিবর্তে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেছিল বড় বাজার “হায়দরগন্জ বাজারে”। তখন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে নিকটস্থ ডাস্টবিন ও কনটেইনারে ময়লা ফেলার সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। ​কিন্তু এই কার্যক্রম কয়েক মাস ঠিকভাবে চললেও এখন অবহেলায় পড়েছে। বেশির ভাগ মোড় ও সড়কের পাশে দিনের বেলায় ডাস্টবিনে পড়ে থাকছে ময়লা-আবর্জনা। শিক্ষার্থী, পথচারী ও ব্যাবসায়ীদের পথ চলতে হচ্ছে অস্বস্তি নিয়ে। রোববার (১৭ মে) হায়দরগন্জ মাছ বাজার এলাকায় ময়লা ফেলে স্তুপ করা নিয়ে দুই ব্যাবসায়ী মারামারি করে আহত হয়েছেন।।

প্রায় চার বছর আগে রায়পুরের শিল্পপতি মোহাম্মদ আলী খোকনের সহযোগিতায় (হায়দরগন্জ বাজার এলাকার বাসিন্দা) প্রথম শুরু হয় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে। রাতের বেলায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শতভাগ সফল না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন চরআবাবিল ইউপি চেয়ারম্যান। এতে তিনি ইজারাদারদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহায়তা না পাওয়াকে দায়ী করেছেন। ঐতিহ্যবাহী এই বাজারটি শতভাগ পরিচ্ছন্ন করতে সবাইকে নিয়ে বৈঠক করেছেন বলে জানান তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, হায়দরগন্জ বাজারের উপর ইউনিয়ন পরিষদ, সিএনজি স্টেশান, ১টি কামিল মাদরাসা, দুইটি হাইস্কুল, তিনটি কেজি স্কুল, চারটি ব্যাংক, হাসপাতাল, চারটি মার্কেট, ৮টি খাবার হোটেলসহ ছোট-বড় প্রায় ২ হাজার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা বাজার ইজারা নেবেন তারাই পরিচ্ছন্ন রাখবেন বলে এটাই সরকারি নিয়ম রয়েছে। এর ব্যাত্যয় ঘটলে ইউএনও ব্যাবস্থা নিতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সদরের কাঁচাবাজার, জকসিন, মান্দারি, চন্দ্রগন্জ, রামগন্জের জিয়া শফিং কমপৃলেক্সের পাশে কাঁচাবাজারসহ কয়েকটি এবং রায়পুরের হায়দরগন্জ বাংলাবাজার, গাজি মার্কেট, কাঁচাবাজার, ইউনিয়ন পরিষদ, মাছ বাজার, গরুর বাজার, পানবাজার ও মাদরাসাসহ কয়েকটি উন্মুক্ত স্থানে দিনের বেলায় পড়ে আছে ড্রামভর্তি ময়লা। এ ছাড়াও সিএনজি স্টেশান এলাকায় দিনে বেলায় ডাস্টবিন উপচে পড়ছে আবর্জনা।

রায়পুরের হায়দরগন্জের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা জয়নাল মাল রোববার দুপুর দুইটায় বলেন, সড়কের পাশে মাছ বাজার এলাকায় ময়লা পড়ে আছে তিন মাস ধরে। কিন্তু কেউ এগুলো সরিয়ে নেয়নি।

এ ব্যাপারে রায়পুরের উত্তর চরআবাবিল ইউপির ৫ নাম্বার ওয়াডের সদস্য (মেম্বার) মহিউদ্দিন গাজি বলেন, প্রতি রাতেই আবর্জনা পরিষ্কার করা কথা। তা না করায় কিছুই করতে পারছিনা। ব্যাবসায়ীরা খেয়ালখুশি মতো ময়লা ফেলেন।

চট্রগ্রাম আন্দকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব (রায়পুরের হায়দরগন্জ বাজার এলাকার বাসিন্দা) আনোয়ার হুজুর বাড়ীর এলাকার বাসিন্দা সুলতান মাহমুদ অভিযোগ করেন, তাঁদের এলাকার ডাস্টবিনগুলোতে দিনের বেলায়ও আবর্জনা পড়ে থাকে। তবে তিনিও স্বীকার করেন, স্থানীয় লোকজন নিজেদের খুশি মতো আবর্জনা ফেলে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) লক্ষ্মীপুর শাখার সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, শুরুর দিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু ধীরে ধীরে এই কার্যক্রম ভেঙে পড়ছে। বাজার ওআসে পাশের এলাকাতেও ময়লা-আবর্জনার চিত্র আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে, যা কাম্য নয়।

রায়পুরের হায়দরগন্জ বাজার ইজারাদার ইসমাইল মাষ্টার ও বাছেদ হাওলাদার বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন হায়দরগন্জবাজার গড়তে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ‘ শতভাগ পরিচ্ছন্ন করে তুলতে নতুন পরিকল্পনা করা হয়েছে। এখন থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করা হবে। এই কার্যক্রম শতভাগ বাস্তবায়ন করবো।’

রায়পুরের উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর উল্লাহ দুলাল হাওলাদার জানায়, সহসায় ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হবে। গত সপ্তাহে বাজার ব্যাবসায়ীদেরকে নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। বিষয়টি ইউএনওকেও জানানো হয়েছে। ডাস্টবিন ময়লা ফেলার জন্য বলা হয়। নর্দমায় ময়লা ফেলতে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ‘ যারাই ইজারা নেবেন, তারাই প্রতিটি বাজার পরিচ্ছন্ন রাখার শর্তে পৌরসভায় ৪টি ও ১০টি ইউনিয়নে ২৪টি হাটবাজার এবং নতুন বাজারসহ ১৫টি পশুর হাট টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সহসাই আমরা এবিষয়ে অভিযানে নামবো।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা (মেম্বার) জানিয়েছেন, এই কার্যক্রম শুরু হলে বাজারে বিভিন্ন সড়ক ও অলি-গলিতে থাকা ডাস্টবিন গুলো ধীরে ধীরে সরিয়ে নেওয়া হবে। এ পদ্ধতি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে বাজারে আর কোনো ময়লার ড্রামভর্তি ডাস্টবিন থাকবে না। লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান বলেন, সহসায় বাজারগুলো পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্ন করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Tag :
লেখকের তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে চামড়া বিক্রি করতে না পেরে মাটিতে পুঁতে ফেলেছে কর্তৃপক্ষ

লক্ষ্মীপুরে হাটবাজার ও পশুরহাট: পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে চরম অবহেলা

আডেট সময় ০৮:৫৭:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ মে ২০২৬

তাবারক হোসেন আজাদ: লক্ষ্মীপুরের রায়পুরসহ ৫টি উপজেলার স্থায়ী হাটবাজার ও পশুর হাটগুলোতে পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন বাজার গড়তে এবং তা না মানলে প্রশাসনের উদ্যোগে করার উদ্যোগের কথা সরকারি নির্দেশনা থাকলেও তা মানছেননা ইজারাদার ও ইউপি পরিষদ। গত কয়েক বছর দিনের পরিবর্তে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের কাজ শুরু করেছিল বড় বাজার “হায়দরগন্জ বাজারে”। তখন সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টার মধ্যে নিকটস্থ ডাস্টবিন ও কনটেইনারে ময়লা ফেলার সময়ও বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। ​কিন্তু এই কার্যক্রম কয়েক মাস ঠিকভাবে চললেও এখন অবহেলায় পড়েছে। বেশির ভাগ মোড় ও সড়কের পাশে দিনের বেলায় ডাস্টবিনে পড়ে থাকছে ময়লা-আবর্জনা। শিক্ষার্থী, পথচারী ও ব্যাবসায়ীদের পথ চলতে হচ্ছে অস্বস্তি নিয়ে। রোববার (১৭ মে) হায়দরগন্জ মাছ বাজার এলাকায় ময়লা ফেলে স্তুপ করা নিয়ে দুই ব্যাবসায়ী মারামারি করে আহত হয়েছেন।।

প্রায় চার বছর আগে রায়পুরের শিল্পপতি মোহাম্মদ আলী খোকনের সহযোগিতায় (হায়দরগন্জ বাজার এলাকার বাসিন্দা) প্রথম শুরু হয় পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে। রাতের বেলায় বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম শতভাগ সফল না হওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছেন চরআবাবিল ইউপি চেয়ারম্যান। এতে তিনি ইজারাদারদের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহায়তা না পাওয়াকে দায়ী করেছেন। ঐতিহ্যবাহী এই বাজারটি শতভাগ পরিচ্ছন্ন করতে সবাইকে নিয়ে বৈঠক করেছেন বলে জানান তিনি।

ইউনিয়ন পরিষদ সূত্র জানায়, হায়দরগন্জ বাজারের উপর ইউনিয়ন পরিষদ, সিএনজি স্টেশান, ১টি কামিল মাদরাসা, দুইটি হাইস্কুল, তিনটি কেজি স্কুল, চারটি ব্যাংক, হাসপাতাল, চারটি মার্কেট, ৮টি খাবার হোটেলসহ ছোট-বড় প্রায় ২ হাজার ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যারা বাজার ইজারা নেবেন তারাই পরিচ্ছন্ন রাখবেন বলে এটাই সরকারি নিয়ম রয়েছে। এর ব্যাত্যয় ঘটলে ইউএনও ব্যাবস্থা নিতে পারবেন।

রোববার (১৭ মে) দুপুরে সরেজমিনে দেখা যায়, সদরের কাঁচাবাজার, জকসিন, মান্দারি, চন্দ্রগন্জ, রামগন্জের জিয়া শফিং কমপৃলেক্সের পাশে কাঁচাবাজারসহ কয়েকটি এবং রায়পুরের হায়দরগন্জ বাংলাবাজার, গাজি মার্কেট, কাঁচাবাজার, ইউনিয়ন পরিষদ, মাছ বাজার, গরুর বাজার, পানবাজার ও মাদরাসাসহ কয়েকটি উন্মুক্ত স্থানে দিনের বেলায় পড়ে আছে ড্রামভর্তি ময়লা। এ ছাড়াও সিএনজি স্টেশান এলাকায় দিনে বেলায় ডাস্টবিন উপচে পড়ছে আবর্জনা।

রায়পুরের হায়দরগন্জের বাংলাবাজার এলাকার বাসিন্দা জয়নাল মাল রোববার দুপুর দুইটায় বলেন, সড়কের পাশে মাছ বাজার এলাকায় ময়লা পড়ে আছে তিন মাস ধরে। কিন্তু কেউ এগুলো সরিয়ে নেয়নি।

এ ব্যাপারে রায়পুরের উত্তর চরআবাবিল ইউপির ৫ নাম্বার ওয়াডের সদস্য (মেম্বার) মহিউদ্দিন গাজি বলেন, প্রতি রাতেই আবর্জনা পরিষ্কার করা কথা। তা না করায় কিছুই করতে পারছিনা। ব্যাবসায়ীরা খেয়ালখুশি মতো ময়লা ফেলেন।

চট্রগ্রাম আন্দকিল্লা শাহী জামে মসজিদের খতিব (রায়পুরের হায়দরগন্জ বাজার এলাকার বাসিন্দা) আনোয়ার হুজুর বাড়ীর এলাকার বাসিন্দা সুলতান মাহমুদ অভিযোগ করেন, তাঁদের এলাকার ডাস্টবিনগুলোতে দিনের বেলায়ও আবর্জনা পড়ে থাকে। তবে তিনিও স্বীকার করেন, স্থানীয় লোকজন নিজেদের খুশি মতো আবর্জনা ফেলে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) লক্ষ্মীপুর শাখার সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, শুরুর দিকে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের উন্নতি ছিল চোখে পড়ার মতো। কিন্তু ধীরে ধীরে এই কার্যক্রম ভেঙে পড়ছে। বাজার ওআসে পাশের এলাকাতেও ময়লা-আবর্জনার চিত্র আবার আগের অবস্থায় ফিরে যাচ্ছে, যা কাম্য নয়।

রায়পুরের হায়দরগন্জ বাজার ইজারাদার ইসমাইল মাষ্টার ও বাছেদ হাওলাদার বলেন, ‘পরিচ্ছন্ন হায়দরগন্জবাজার গড়তে রাতের বেলায় বর্জ্য অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। ‘ শতভাগ পরিচ্ছন্ন করে তুলতে নতুন পরিকল্পনা করা হয়েছে। এখন থেকে বর্জ্য সংগ্রহ করা হবে। এই কার্যক্রম শতভাগ বাস্তবায়ন করবো।’

রায়পুরের উত্তর চরআবাবিল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাফর উল্লাহ দুলাল হাওলাদার জানায়, সহসায় ময়লা-আবর্জনা অপসারণের কার্যক্রম শুরু করা হবে। গত সপ্তাহে বাজার ব্যাবসায়ীদেরকে নিয়ে মিটিং করা হয়েছে। বিষয়টি ইউএনওকেও জানানো হয়েছে। ডাস্টবিন ময়লা ফেলার জন্য বলা হয়। নর্দমায় ময়লা ফেলতে সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, ‘ যারাই ইজারা নেবেন, তারাই প্রতিটি বাজার পরিচ্ছন্ন রাখার শর্তে পৌরসভায় ৪টি ও ১০টি ইউনিয়নে ২৪টি হাটবাজার এবং নতুন বাজারসহ ১৫টি পশুর হাট টেন্ডারের মাধ্যমে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সহসাই আমরা এবিষয়ে অভিযানে নামবো।

ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যরা (মেম্বার) জানিয়েছেন, এই কার্যক্রম শুরু হলে বাজারে বিভিন্ন সড়ক ও অলি-গলিতে থাকা ডাস্টবিন গুলো ধীরে ধীরে সরিয়ে নেওয়া হবে। এ পদ্ধতি পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়িত হলে বাজারে আর কোনো ময়লার ড্রামভর্তি ডাস্টবিন থাকবে না। লক্ষ্মীপুর জেলা প্রশাসক এসএম মেহেদী হাসান বলেন, সহসায় বাজারগুলো পরিদর্শন করে পরিচ্ছন্ন করাসহ প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।